মিত্র, মাই ফ্রেন্ড: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

"মিত্র, মাই ফ্রেন্ড" এমন একটি চলচ্চিত্র যেখানে তাদের পরিবারের দুর্দশার জন্য জীবন উৎসর্গ করে এমন মহিলাদের সঙ্কটের বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে। এটি একটি ছোট শহরের মেয়ের পরিবর্তিত পরিবেশে বাস করার সময় সাংস্কৃতিক পার্থক্যের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছে।
 
লক্ষ্মী (শোভনা) এবং পৃথ্বী (নাসির আবদুল্লাহ) এর মধ্যে সাধারণ দক্ষিণ ভারতীয় রীতিতে বিবাহের মধ্য দিয়ে ছবিটি শুরু হয়েছে। প্রচলিত ভারতীয় রীতিতে তাদের বাবা-মা এই [[আনুষ্ঠানিক বিবাহ|বিয়ের ব্যবস্থা]] করে। লক্ষ্মী [[তামিলনাড়ু|তামিলনাড়ুর]] [[চিদাম্বরম|চিদাম্বরমের]] এক সাধারণ দক্ষিণ ভারতীয় মেয়ে; পৃথ্বী ক্যালিফোর্নিয়ায় কর্মরত একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বিয়ের পর তারা যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়, সেখানে লক্ষ্মী ধীরে ধীরে তার নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াবার চেষ্টা করে। বিয়ে একটি সুখকর মিলন: পৃথ্বী কঠোর পরিশ্রম করে কাজ করে, লক্ষ্মী ঘর সামলায় এবং তারা একে অপরকে গভীরভাবে ভালবাসে। এক বছরের মধ্যে তাদের একটি মেয়ে দিব্যা (প্রীতি ভিসা) জন্মের সৌভাগ্য লাভ করে।
 
ছবিটি ১৭ বছর এগিয়ে যায়। দিব্যা এখন সাধারণ তরূণী: সে স্কুলে যায়, ফুটবল খেলে এবং মাঝে মাঝে পার্টিতে যোগ দেয় (সবসময় তার বাবা-মার জ্ঞাতসারে বা অনুমতি নিয়ে যায় না)। লক্ষ্মী খুব ভালোভাবে পার্টিতে অংশ নিতে পারে না এবং এ নিয়ে মা ও মেয়ের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। দিব্যা স্বাধীনতা কামনা করে এবং লক্ষ্মীকে দূরে রেখে নিজেকে প্রকাশ করে; লক্ষ্মী তার জবাবদিহিতা চায় এবং দিব্যার সুখের জন্য দিব্যাকে কিছুটা বাধা দেত্তয়ার মাধ্যমে এটি প্রকাশ করে। পৃথ্বী উভয় পক্ষকেই বোঝে এবং দিব্যার বেড়ে ওঠার সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে লক্ষ্মীর অনুভূতি সর্বদা উপলব্ধি করতে পারে না।
 
==অভিনয়ে==
২,৮৯২টি

সম্পাদনা