কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(সংশোধন)
| deaths = {{Cases in 2019–20 coronavirus pandemic|deaths|editlink=}}
| recovery_cases = {{Cases in 2019–20 coronavirus pandemic|recovered|editlink=}}
| territories = ১৮৭১৯০{{Cases in 2019–20 coronavirus pandemic|territories|editlink=}}
}}
'''২০১৯-২০২০ করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী''' বলতে [[করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯]] (কোভিড-১৯)-এর বিশ্বব্যাপী প্রাদুর্ভাব ও দ্রুত বিস্তারের চলমান ঘটনাটিকে নির্দেশ করা হয়েছে। এই রোগটি একটি বিশেষ ভাইরাসের কারণে সংঘটিত হয়, যার নাম [[গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২]] (SARS-CoV-2)<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Coronavirus disease 2019 |ইউআরএল=https://www.who.int/emergencies/diseases/novel-coronavirus-2019 |প্রকাশক=[[World Health Organization]] |সংগ্রহের-তারিখ=15 March 2020}}</ref> রোগটির প্রাদুর্ভাব প্রথমে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনের [[হুপেই]] প্রদেশের [[উহান]] নগরীতে চিহ্নিত করা হয়। ২০২০ সালের ১১ই মার্চ তারিখে [[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]] রোগটিকে একটি [[বৈশ্বিক মহামারী]] হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।<ref name="WHOpandemic2">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.who.int/dg/speeches/detail/who-director-general-s-opening-remarks-at-the-media-briefing-on-covid-19---11-march-2020 |শিরোনাম=WHO Director-General's opening remarks at the media briefing on COVID-19 – 11 March 2020 |তারিখ=11 March 2020 |প্রকাশক=[[World Health Organization]]|সংগ্রহের-তারিখ=11 March 2020}}</ref> ২০২০ সালের ২৮শে এপ্রিল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ১৮৫টিরও অধিক দেশ ও অধীনস্থ অঞ্চলে ৩০ লক্ষেরও অধিক ব্যক্তি করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন বলে সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে।<!--USE BROAD FIGURES, ROUNDED DOWN TO NEAREST 10--> এদের মধ্যে ২ লক্ষ ১৫ সহস্র জনেরও অধিক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে<!--ROUNDED DOWN TO NEAREST MULTIPLE OF 1000--> এবং ৯ লক্ষ ১৮ সহস্রেরও অধিক রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছে।<ref name=":12">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.arcgis.com/apps/opsdashboard/index.html#/bda7594740fd40299423467b48e9ecf6|শিরোনাম="Coronavirus COVID-19 Global Cases by the Center for Systems Science and Engineering (CSSE) at Johns Hopkins University (JHU)"|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=www.arcgis.com|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200331131104/https://www.arcgis.com/apps/opsdashboard/index.html#/bda7594740fd40299423467b48e9ecf6|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৩-৩১|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর|সংগ্রহের-তারিখ=2020-04-28}}</ref><ref name=":12"/><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/world-51235105|শিরোনাম=Coronavirus: Tracking the global outbreak|শেষাংশ=Team|প্রথমাংশ=The Visual and Data Journalism|তারিখ=2020-04-28|কর্ম=BBC News|সংগ্রহের-তারিখ=2020-04-28|ভাষা=en-GB}}</ref>
[[File:করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জরুরী অবস্থা.jpg|thumb|right|200px|নিজে এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখতে
ঘরে অবরুদ্ধ থাকা ও [[সামাজিক দূরত্ব স্থাপন|শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা]] কোভিড-১৯ প্রতিরোধের একটি অন্যতম পদ্ধতি। বাংলাদেশ সরকার এটি মেনে চলার অনুরোধ জানালেও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তা মানছেননা অনেকেই<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/bengali/news-51989460|শিরোনাম=করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে কোয়ারেন্টিন না মানলে ঘরে তালাবন্ধ করে রাখার নির্দেশ|তারিখ=2020-03-21|কর্ম=BBC News বাংলা|সংগ্রহের-তারিখ=2020-04-07|ভাষা=bn}}</ref>]]
বক্ররেখা সমতলকরণের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে আরেকটি প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, যাকে "সরলরেখার উত্তোলন" নাম দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হল স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা।<ref name=":3">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/7/21201260/coronavirus-usa-chart-mask-shortage-ventilators-flatten-the-curve|শিরোনাম=Chart: The US doesn’t just need to flatten the curve. It needs to "raise the line."|শেষাংশ=Barclay|প্রথমাংশ=Eliza|তারিখ=2020-04-07|ওয়েবসাইট=Vox|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=2020-04-07}}</ref> এ জন্য চিকিৎসা সরঞ্জাম-সামগ্রী ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মচারীর সংখ্যা বৃদ্ধি, দূর-চিকিৎসা প্রদান, গৃহসেবা, এবং জনসাধারণকে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান অন্তর্ভুক্ত।<ref name=":1" />
===পরীক্ষণ===
{{মূল|কোভিড-১৯ পরীক্ষা}}
 
===উপসর্গহীন নিরব সংক্রমণ-বাহক অনুসন্ধান===
মর্যাদাবাহী ''নেচার'' ও ''সায়েন্স''সহ আরও কিছু গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত নির্ভরযোগ্য গবেষণার ফলাফলে দেখা গিয়েছে যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একটি বিরাট অংশ (ক্ষেত্রভেদে প্রায় ৬০% বা তারও বেশি) কোনও উপসর্গই প্রকাশ করে না, এবং নিরবে ও নিজের অজান্তে রোগটি ছড়াতে থাকে। যেমন চীনে পরীক্ষা দ্বারা নিশ্চিত হওয়া করোনাভাইরাসবাহী প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যক্তিই কোনও উপসর্গ প্রকাশ করেনি।<ref>https://www.scmp.com/news/china/society/article/3076323/third-coronavirus-cases-may-be-silent-carriers-classified</ref> এছাড়া ইতালির ভেনেতো অঞ্চলের ভো শহরের সমস্ত অধিবাসীদের পরীক্ষা করে যে ৩% সংক্রমণের ঘটনা নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল, তাদের সিংহভাগই ছিল উপসর্গহীন নিরব বাহক।<ref>http://www.rfi.fr/en/europe/20200316-the-hard-lessons-of-italy-s-devastating-coronavirus-outbreak</ref> এই সব নিরব সংক্রমণ-বাহকেরা প্রতিনিয়ত নিজের অজান্তেই করোনাভাইরাস তাদের সম্প্রদায়ে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যা কিনা করোনাভাইরাস বিস্তারের অন্যতম প্রধান একটি নিয়ামক। এই তত্ত্বের স্বপক্ষে বিশ্বখ্যাত মর্যাদাবাহী ''সায়েন্স'' গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে যে, চীনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে যে সংক্রমণের ঘটনাগুলি হয়েছিল, তাদের ৮৬%-ই উপসর্গের অনুপস্থিতির কারণে নথিভুক্ত করা হয়নি। অথচ বিজ্ঞানীদের পরিসংখ্যানিক মডেলে বেরিয়ে এসেছে যে এই উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গের নথি-বহির্ভূত ব্যক্তিরাই চীনের ৭৯% সংক্রমণের ঘটনার জন্য দায়ী।<ref>{{Citation |title=Substantial undocumented infection facilitates the rapid dissemination of novel coronavirus (SARS-CoV2) |author=Ruiyun Li1 et al. |date=16 March 2020 |doi=10.1126/science.abb3221 |journal=Science}}</ref> যেসব ব্যক্তি উপসর্গহীন কিংবা বহুদিন যাবৎ ধীরে ধীরে মৃদু উপসর্গ প্রকাশ করেন, তাদের ঊর্ধ্ব শ্বাসপথে অর্থাৎ নাকে, মুখে ও গলায় অসংখ্য ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, এবং তারা খুব সহজেই অনিয়মিতভাবে ও কম সংখ্যায় হলেও হাঁচি-কাশি দিয়ে এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে নিজের অজান্তে আশেপাশে ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এই গুরুতর ব্যাপারটি সরকার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সাথে নেওয়া উচিত। গণমাধ্যমগুলিতে এই নিরব সংক্রমণ-বাহকদের ভূমিকা গুরুত্বের সাথে অবিরতভাবে প্রচার করা উচিত। প্রথমত বাইরের সমাজ ও গৃহের যেকোনও ব্যক্তির সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা উচিত। দ্বিতীয়ত [[সংক্রমণ-বাহক অনুসন্ধান]] প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যতদ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য উপসর্গহীন সংক্রমণ-বাহকদের খুঁজে বের করে তাদের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষণের পর নিশ্চিত হলে সেই উপসর্গহীন ব্যক্তিকে সমাজ থেকে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত অন্তরিত বা বিচ্ছিন্ন করে রাখা --- এগুলি নিরব সংক্রমণ-বাহকদের প্রতিহত করার একটি উপায়।<ref>https://www.npr.org/2020/03/21/819439654/silent-spreaders-speed-coronavirus-transmission</ref> কিছু কিছু ব্রিটিশ চিকিৎসকের মতে যদি কোনও উপসর্গহীন ব্যক্তির একাধিক দিন যাবৎ ঘ্রাণ ও স্বাদের ক্ষমতা হ্রাস পায় বা একেবারে লোপ পায়, তাহলে তার দেহে অজান্তে করোনাভাইরাস উপস্থিত থাকতে পারে এবং সম্ভবত ৩০% বা তারও বেশী উপসর্গহীন ব্যক্তি এরূপ ঘ্রাণশক্তি লোপ জাতীয় উপসর্গ প্রকাশ করতে পারে।<ref>{{title=Loss of sense of smell as marker of COVID-19 infection |author1= Claire Hopkins |author2=Nirmal Kumar |year=March 2020 |publisher=ENTUK}}</ref><ref>https://www.washingtonpost.com/health/2020/03/23/coronavirus-sense-of-smell/</ref><ref>https://www.kmov.com/news/u-k-doctors-believe-they-have-a-way-to-detect/article_a72a5bfa-6e14-11ea-b1eb-b76116931538.html</ref>
 
==করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয় (ব্যক্তি পর্যায়ে) ==
 
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা|2}}
[https://bengalobserver.com/more-american-dead-in-coorona-than-vietnam-war/ আমেরিকায় ভিয়েতনাম যুদ্ধের চেয়েও বেশি লোক মারা গেল করোনায়]
 
https://www.youtube.com/playlist?list=PLzy5tj01zyQQ8SR3iCimTK0YkVhXCCTJM
 
করোনা মহামারী ও লকডাউন, স্যানিটাইজার মাস্ক এবং সামাজিক দূরত্ব
 
==বহিঃসংযোগ==
* [https://www.cdc.gov/niosh/emres/2019_ncov.html করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯] {{en}}
([https://www.cdc.gov/niosh/docs/2018-130/pdfs/2018-130.pdf?id=10.26616/NIOSHPUB2018130 প্রশ্ন এবং উত্তর]) {{en}} ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ কতৃক
* [https://bengalobserver.com/more-american-dead-in-coorona-than-vietnam-war/ আমেরিকায় ভিয়েতনাম যুদ্ধের চেয়েও বেশি লোক মারা গেল করোনায়]
* [https://www.youtube.com/playlist?list=PLzy5tj01zyQQ8SR3iCimTK0YkVhXCCTJM করোনা মহামারী ও লকডাউন, স্যানিটাইজার মাস্ক এবং সামাজিক দূরত্ব ]
 
'''উপাত্ত ও মানচিত্র'''
* [https://scholar.google.com/ Google Scholar list of Covid-19 research resources] {{en}}, এটি একইসাথে আবার এসব সংস্থার গবেষণাকেন্দ্রগুলোর সাথেও যুক্ত সিডিসি, ''[[The New England Journal of Medicine|NEJM]]'', ''[[JAMA (journal)|JAMA]]'', ''[[The Lancet]]'', ''[[Cell (journal)|Cell]]'', ''[[The BMJ]]'', [[Elsevier]], অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, নেচার পত্রিকা, [[Wiley (publisher)|Wiley]], কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, এবং [[medRxiv]]
* [http://unwfp.maps.arcgis.com/apps/opsdashboard/index.html#/42b8837bb25049b9b1f69a9555d55808 বৈশ্বিক ভ্রমণ বাঁধানিষেধ] {{en}} [[বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি|ডব্লিউএফপি]] এর তথ্যের ভিত্তিতে
 
{{২০১৯–২০ করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:ভাইরাসঘটিত রোগ]]