অক্সিন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

অনুবাদ
(হটক্যাটের মাধ্যমে বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব যোগ)
(অনুবাদ)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
== অক্সিনের কাজ ==
 
=== [1]. বৃদ্ধিনিয়ন্ত্রণ :- ===
অক্সিন প্রধানত উদ্ভদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে । এছাড়া অক্সিনের প্রভাবে :
 
(iv) কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়, ফলে উদ্ভিদের সামগ্রিক বৃদ্ধি ঘটে ।
 
=== [2]. ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ :- ===
অক্সিন উদ্ভিদের ফটোট্রপিক ও জিওট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা গ্রহন করে । অক্সিন আলোর উৎসের বিপরীত দিকে বেশি মাত্রায় সঞ্চিত হয়ে ওই অঞ্চলের কোশগুলির দ্রুত বিভাজন ঘটায়, ফলে উদ্ভিদের কান্ড আলোর উৎসের দিকে বেঁকে যায় । উদ্ভিদের মুল স্বল্প অক্সিনে বেশি অনুভূতিশীল হওয়ায় আলোর উত্সের দিকের কোশগুলি দ্রুত বিভাজিত হয়, ফলে মূল আলোর উৎসের বিপরীত দিকে বৃদ্ধি পায় ।
 
=== [3]. অঙ্গমোচন রোধ:- ===
অক্সিন উদ্ভিদের অপরিণত অঙ্গের (পাতা, মুকুল, ফুল, ফল ইত্যাদি) অকাল পতন রোধ করে ।
 
=== [4]. অঙ্গ বিভেদ নিয়ন্ত্রণ:- ===
লঘু ঘনত্বের অক্সিন উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদির পরিস্ফুটন ঘটায় । এইভাবে অক্সিন উদ্ভিদের ফল ও বীজ গঠনেও সাহায্য করে ।<ref name="shaping">{{cite journal |author=Friml J |title=Auxin transport — shaping the plant |journal=Current Opinion in Plant Biology |volume=6 |issue=1 |pages=7–12 |date=February 2003 |pmid=12495745 |doi=10.1016/S1369526602000031}}</ref>
 
=== [5]. ফলের পরিস্ফুটন:- ===
অক্সিনের প্রভাবে নিষেক ছাড়াই ডিম্বাশয়টি ফলে পরিণত হয়, ফলে বীজহীন ফল সৃষ্টি হয় । অক্সিনের প্রভাবে নিষেক ছাড়াই বীজ বিহীন ফল সৃষ্টি হওয়ায় এই পদ্ধতিকে পার্থেনোকার্পি বলে ।
 
=== [6] উদ্ভিদের লিঙ্গ নির্ধারণ:- ===
উদ্ভিদের লিঙ্গ নির্ধারণে অক্সিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে ।
 
প্রাকৃতিক অক্সিন তিন রকমের হয় , যথা
 
[1] অক্সিন(এ)রাসায়নিক সংকেতটি হলো <chem>C18H32O5</chem> .
 
[2]অক্সিন(বি)রাসায়নিক সংকেতটি হলো <chem>C18H30O4</chem>.
 
[3] হেটারোঅক্সিন রাসায়নিক সংকেতটি হলো <chem>C10H9O2N</chem> .
 
== অক্সিনের ব্যবহারিক প্রয়োগ ==
কৃষিকার্যে অক্সিন হরমোনের ব্যবহারিক প্রয়োগ হল :
 
[1] বীজহীন ফল উত্পাদন:- বীজহীন ফল (টম্যাটো, বেগুন, লঙ্কা, লাউ, কুমড়ো, পেঁপে, তরমুজ আঙ্গুর প্রভৃতি) উত্পাদনের জন্য অক্সিন প্রয়োগ করা হয় ।
 
[2] কলম তৈরি:- শাখা কলমের সাহায্যে বংশ বিস্তারের জন্য নানান ফুল ও ফলের গাছে অক্সিন প্রয়োগ করে দ্রুত সৃষ্টি করা হয় ।
 
[3] আগাছা দমন:- চাষের খেতে আগাছা দমনের জন্য কৃত্রিম অক্সিন [২,৪-ডি] ব্যবহার করা হয় ।<CENTER><gallery caption="অক্সিন">
চিত্র:2,4-Dichlorophenoxyacetic acid structure.svg|২,৪-ডি
</gallery></CENTER>
[4] অকাল পতন রোধ:- পাতা, ফুল ও ফলের মোচন অর্থাৎ ঝরে পড়া রোধ করার জন্য কৃত্রিম অক্সিন প্রয়োগ করা হয় ।
 
[5] ক্ষত নিরাময়:- উদ্ভিদ-অঙ্গ (প্রধানত ডালপালা ) ছাঁটার পর ওই অঞ্চলের ক্ষতস্থান পূরণের জন্য কৃত্রিম অক্সিন প্রয়োগ করা হয় ।
 
[5] ক্ষত নিরাময়:- উদ্ভিদ-অঙ্গ (প্রধানত ডালপালা ) ছাঁটার পর ওই অঞ্চলের ক্ষতস্থান পূরণের জন্য কৃত্রিম অক্সিন প্রয়োগ করা হয় ।
== তথ্যসূত্র ==
{{reflist|2}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব]]