"চান্দিনা পৌরসভা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Moharong-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে QueerEcofeminist-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা পুনর্বহালকৃত
(Moharong-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে QueerEcofeminist-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
 
== আয়তন ==
১৪.২ কিলোমিটার
 
== জনসংখ্যা ==
৪৬৭০০ জন 2011 সালের আদমশুমারি অনুযায়ী
 
== অবস্থান ও সীমানা ==
== নামকরণ ==
 
== প্রতিষ্ঠাকাল ==
১৯৯৭ সালে
 
== প্রশাসনিক এলাকা ==
 
== কৃতী ব্যক্তিত্ব ==
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত চান্দিনা পৌরসভা।১৯৯৭ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো:আলী আশরাফ মহোদয়ের প্রাণান্ত চেষ্টায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ১৪.২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই এলাকাটিতে পৌরসভা ঘোষণা করেন।
 
চান্দিনা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের অত্যান্ত বিনয়ী ও সজ্জন ব্যক্তি আলহাজ্ব মো:আলী মিয়া ও মরহুমা সাহেরা খাতুনের চতুর্থ সন্তান চান্দিনা পৌরসভার মেয়র মোঃ মফিজুল ইসলাম ।পারিবারিক জীবনে তিনি দুই কন্যা ও দুই ছেলে সন্তানের জনক। স্ত্রী মিসেস জোসনা ইসলাম একজন গৃহিনী ।কন্যা মারুফা খানম সোমা শিক্ষাজীবনে অনার্স সহ মাস্টার্স পাস। শান্তা ইসলাম অনার্স সম্পন্ন করে মাস্টার্স অধ্যায়নরত ।ছেলে সাজ্জাদুল ইসলাম শুভ অনার্স এ অধ্যায়নরত ।সাইফুল ইসলাম স্বাধীন কলেজে অধ্যায়নরত।
 
মেয়র মোঃ মফিজুল ইসলাম জীবনের শুরুতে ব্যবসার পাশাপাশি ১৯৮৬সালে অধ্যাপক মো:আলী আশরাফ এমপি মহোদয়ের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। তারপর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাটি হাটি পা পা করে ১৯৯১ সালে ৬নং পশ্চিম চান্দিনা ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের সমর্থনে মেম্বার পদে নির্বাচিত হওয়ার পর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদে মনোনীত হন।১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফ এমপি মহোদয়ের একজন বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে নির্বাচনে কাজ শুরু করেন আল্লাহর অশেষ রহমতে অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং চান্দিনাবাসীর দাবিতে এমপি মহোদয় চান্দিনাকে আলোকিত করার জন্য চান্দিনা পৌরসভা ঘোষণা করেন।পৌরসভায়একটি সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়।উক্ত কমিটিতে মরহুম কাজী জাহাঙ্গীর আলম সাহেব পৌর প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন তার পরিষদে ছয়জন কার্যকরী সদস্যদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে তিনি সদস্য পদ লাভ করেন ।
 
১৯৯৮ সালে পৌরসভা নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সামান্য ভোটে পরাজিত হন‌।
২০০২ সালে চান্দিনা পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন এবং চান্দিনা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ও সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব লাভ করেন ।পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয়ভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম সমগ্র পৌরসভায় বিস্তৃতি করতে থাকেন।সাংগঠনিক কার্যক্রম বিচার-বিবেচনার মাধ্যমে পুনরায় পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন ।
 
২০১১ সালে চান্দিনা পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে তিনি মেয়র পদে প্রার্থী হন যদিও একাধিক প্রার্থী থাকায় অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
 
পরবর্তীতে সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু করেন। এমতাবস্থায় অধ্যাপক আলী আশরাফ এমপি মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চান্দিনা আল আমিন এতিমখানা কমপ্লেক্স এর সাধারণ সভায় সদস্যদের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেয়ে উক্ত কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
 
সমগ্র পৌরসভায় সেবামূলক কাজ সাধারণ জনগণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ের মাধ্যমে বিস্তৃতি লাভ করেন ।
 
২০১৫ সালে চান্দিনার পৌরসভার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয় বহু বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চান্দিনা উপজেলা শাখা ও পৌরসভার তৃণমূলের সমর্থনে নৌকা প্রতীক পেয়ে মেয়র পদে তিনি নির্বাচিত হন মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আশরাফের নির্দেশ মোতাবেক চান্দিনা পৌরসভা কে তিনি আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরের লক্ষ্যে পরিষদের সকল সদস্যদের সমন্বয়ে উন্নয়ন,লেখাপড়া, দরিদ্র বিমোচন, সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন ।
 
মোঃ মফিজুল ইসলাম,চান্দিনা পৌরসভা কে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে পৌরসভার জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন ।
মোঃ মফিজুল ইসলাম, চান্দিনা পৌরসভার সেবক হয়ে সবার মাঝে বেঁচে থাকতে চান।।
 
== জনপ্রতিনিধি ==
* বর্তমান মেয়র: মফিজুল ইসলাম
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত চান্দিনা পৌরসভা।১৯৯৭ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো:আলী আশরাফ মহোদয়ের প্রাণান্ত চেষ্টায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ১৪.২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই এলাকাটিতে পৌরসভা ঘোষণা করেন।
 
চান্দিনা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের অত্যান্ত বিনয়ী ও সজ্জন ব্যক্তি আলহাজ্ব মো:আলী মিয়া ও মরহুমা সাহেরা খাতুনের চতুর্থ সন্তান চান্দিনা পৌরসভার মেয়র মোঃ মফিজুল ইসলাম ।পারিবারিক জীবনে তিনি দুই কন্যা ও দুই ছেলে সন্তানের জনক। স্ত্রী মিসেস জোসনা ইসলাম একজন গৃহিনী ।কন্যা মারুফা খানম সোমা শিক্ষাজীবনে অনার্স সহ মাস্টার্স পাস। শান্তা ইসলাম অনার্স সম্পন্ন করে মাস্টার্স অধ্যায়নরত ।ছেলে সাজ্জাদুল ইসলাম শুভ অনার্স এ অধ্যায়নরত ।সাইফুল ইসলাম স্বাধীন কলেজে অধ্যায়নরত।
 
মেয়র মোঃ মফিজুল ইসলাম জীবনের শুরুতে ব্যবসার পাশাপাশি ১৯৮৬সালে অধ্যাপক মো:আলী আশরাফ এমপি মহোদয়ের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। তারপর রাজনৈতিক অঙ্গনে হাটি হাটি পা পা করে ১৯৯১ সালে ৬নং পশ্চিম চান্দিনা ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের সমর্থনে মেম্বার পদে নির্বাচিত হওয়ার পর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদে মনোনীত হন।১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফ এমপি মহোদয়ের একজন বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে নির্বাচনে কাজ শুরু করেন আল্লাহর অশেষ রহমতে অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং চান্দিনাবাসীর দাবিতে এমপি মহোদয় চান্দিনাকে আলোকিত করার জন্য চান্দিনা পৌরসভা ঘোষণা করেন।পৌরসভায়একটি সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়।উক্ত কমিটিতে মরহুম কাজী জাহাঙ্গীর আলম সাহেব পৌর প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন তার পরিষদে ছয়জন কার্যকরী সদস্যদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে তিনি সদস্য পদ লাভ করেন ।
 
১৯৯৮ সালে পৌরসভা নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সামান্য ভোটে পরাজিত হন‌।
২০০২ সালে চান্দিনা পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন এবং চান্দিনা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ও সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব লাভ করেন ।পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয়ভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম সমগ্র পৌরসভায় বিস্তৃতি করতে থাকেন।সাংগঠনিক কার্যক্রম বিচার-বিবেচনার মাধ্যমে পুনরায় পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন ।
 
২০১১ সালে চান্দিনা পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে তিনি মেয়র পদে প্রার্থী হন যদিও একাধিক প্রার্থী থাকায় অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
 
পরবর্তীতে সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু করেন। এমতাবস্থায় অধ্যাপক আলী আশরাফ এমপি মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চান্দিনা আল আমিন এতিমখানা কমপ্লেক্স এর সাধারণ সভায় সদস্যদের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেয়ে উক্ত কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
 
সমগ্র পৌরসভায় সেবামূলক কাজ সাধারণ জনগণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ের মাধ্যমে বিস্তৃতি লাভ করেন ।
 
২০১৫ সালে চান্দিনার পৌরসভার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয় বহু বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চান্দিনা উপজেলা শাখা ও পৌরসভার তৃণমূলের সমর্থনে নৌকা প্রতীক পেয়ে মেয়র পদে তিনি নির্বাচিত হন মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আশরাফের নির্দেশ মোতাবেক চান্দিনা পৌরসভা কে তিনি আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরের লক্ষ্যে পরিষদের সকল সদস্যদের সমন্বয়ে উন্নয়ন,লেখাপড়া, দরিদ্র বিমোচন, সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন ।
 
মোঃ মফিজুল ইসলাম,চান্দিনা পৌরসভা কে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে পৌরসভার জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন ।
মোঃ মফিজুল ইসলাম, চান্দিনা পৌরসভার সেবক হয়ে সবার মাঝে বেঁচে থাকতে চান।।
 
== আরও দেখুন ==