"শেখ মুজিবুর রহমান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Manisha Mrinmoyi (আলাপ)-এর করা আস্থা রাখা সম্পাদনা বাতিল। (টুইং)
ট্যাগ: পুনর্বহালকৃত
(Manisha Mrinmoyi (আলাপ)-এর করা আস্থা রাখা সম্পাদনা বাতিল। (টুইং))
ট্যাগ: পূর্বাবস্থায় ফেরত
 
=== মুক্তিযুদ্ধ ও বন্দীজীবন ===
লাহোর থেকে ৮০ মাইল দূরে পাকিস্তানের উষ্ণতম শহর লায়ালপুরের (বর্তমান [[ফয়সালাবাদ]]) কারাগারে শেখ মুজিবকে কড়া নিরাপত্তায় আটকে রাখা হয়। তাকে নিঃসঙ্গ সেলে (সলিটারি কনফাইন্টমেন্ট) রাখা হয়েছিল।<ref name="কারাগার">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/special-supplement/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81 |শিরোনাম=পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু |তারিখ=২৬ মার্চ ২০২০ |সংগ্রহের-তারিখ=২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ |প্রকাশক=দৈনিক প্রথম আলো}}</ref> এদিকে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিলে মুজিবনগরে<!-- সাবেক নাম --> প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপ্রধানরাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে মুজিবনগর সরকারের উপ রাষ্ট্রপ্রধানউপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধানরাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীসমূহেরবাহিনীর অস্থায়ী সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাজউদ্দিন আহমেদ হন প্রধানমন্ত্রী। পূর্ব পাকিস্তানে [[মুজিবনগর সরকার|মুজিবনগর সরকারের]] নেতৃত্বে [[মুক্তিবাহিনী]] বড় রকমের বিদ্রোহ সংঘটিত করে। মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তান বাহিনীর ভিতরে সংঘটিত যুদ্ধটিই [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]] নামে পরিচিত।<ref name="govt">{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১ |শেষাংশ=হোসেন তওফিক ইমাম |বছর=২০০৪ |প্রকাশক=আগামী প্রকাশনী |আইএসবিএন=984-401-783-1}}</ref><ref name="war">{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=একাত্তরের রণাঙ্গন |শেষাংশ=শামসুল হুদা চৌধুরী |বছর=২০০১ |প্রকাশক=আহমদ পাবলিশিং হাউস |আইএসবিএন=9789841107062}}</ref>
 
১৯শে জুলাই পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ সামরিক আদালতে মুজিবের আসন্ন বিচারের বার্তা<!-- কোথায় --> প্রকাশ করে। পাকিস্তানি জেনারেল রহিমুদ্দিন খান এই আদালতের নেতৃত্ব দেন। তবে মামলার প্রকৃত কার্যপ্রণালী ও রায় কখনোই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। লায়ালপুর কারাগারেই সামরিক আদালত গঠন করা হয়। তাই মামলাটি “লায়লপুর ট্রায়াল” হিসেবে অভিহিত।<ref name="REF" /> এই মামলার শুরুতে সরকারের দিক থেকে প্রবীণ সিন্ধি আইনজীবী এ. কে. ব্রোহিকে অভিযুক্তের পক্ষে মামলা পরিচালনায় নিয়োগ দেয়া হয়। আদালতের কার্যক্রমের শুরুতে ১২ দফা অভিযোগনামা পড়ে শোনানো হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল রাষ্ট্রদ্রোহ, সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ইত্যাদি। ছয়টি অপরাধের জন্য শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড। আদালতে ইয়াহিয়া খানের ২৬শে মার্চ প্রদত্ত ভাষণের টেপ রেকর্ডিং বাজিয়ে শোনানো হয়। সেই বক্তব্য শোনার পর শেখ মুজিব আদালতের কোনো কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং তার পক্ষে কৌঁসুলি নিয়োগে অস্বীকৃতি জানান। তিনি এই বিচারকে প্রহসন আখ্যা দেন। গোটা বিচারকালে তিনি কার্যত আদালতের দিকে পিঠ ফিরিয়ে বসেছিলেন। আদালত কক্ষে যা কিছু ঘটেছে, তা তিনি নিস্পৃহতা দিয়ে বরণ করেছিলেন। বিচার প্রক্রিয়ায় আত্মপক্ষ সমর্থন তো দূরের কথা, কোনো কার্যক্রমেই অংশ নেননি তিনি।<ref name="কারাগার" />