"রাসবিহারী বসু" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
== বিপ্লবী জীবন ==
তারই তৎপরতায় জাপানি কর্তৃপক্ষ ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের পাশে দাঁড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় সমর্থন যোগায়। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের ২৮-২৯ মার্চ [[টোকিও|টোকিওতে]] তার ডাকে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে [[ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স লীগ]] বা [[ভারতীয় স্বাধীনতা লীগ]] গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে তিনি সেই সম্মেলনে একটি সেনাবাহিনী গঠনের প্রস্তাব দেন। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের ২২ জুন [[ব্যাংকক|ব্যাংককে]] তিনি লীগের দ্বিতীয় সম্মেলন আহ্বান করেন। সম্মেলনে সুভাষচন্দ্র বসু কে লীগে যোগদান ও এর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। যেসব ভারতীয় যুদ্ধবন্দি মালয় ও বার্মা ফ্রন্টে জাপানিদের হাতে আটক হয়েছিল তাদেরকে ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স লীগে ও লীগের সশস্ত্র শাখা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মিতে যোগদানে উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে জাপানি সেনাকর্তৃপক্ষের একটি পদক্ষেপে তার প্রকৃত ক্ষমতায় উত্তরণ ও সাফল্য ব্যাহত হয়। তার সেনাপতি মোহন সিংকে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির নেতৃত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্তু তার সাংগঠনিক কাঠামোটি থেকে যায়। রাসবিহারী বসু [[ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি]] ( [[আজাদ হিন্দ ফৌজ|আজাদ হিন্দ ফৌজ নামেও]] পরিচিত) গঠন করেন। জাপানে সোমা নামে এক পরিবার তাঁকে আশ্রয় দেয়। ওই পরিবারেরই তোশিকা সোমাকে তিনি বিবাহ করেন। রাসবিহারী বসুকে জাপান সরকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘সেকেন্ড অর্ডার অব দি মেরিট অব দি রাইজিং সান’ খেতাবে ভূষিত করে। [[জানুয়ারি ২১]], ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে জাপানে রাসবিহারী বসুর মৃত্যু হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=১৩৪-এ ‘সব্যসাচী’ রাসবিহারী বসু... ফিরে দেখা |ইউআরএল=https://eisamay.indiatimes.com/nation/revolutionary-leader-rash-behari-bose-134th-birth-anniversary-today/articleshow/75967253.cms |ওয়েবসাইট=EI Samay |সংগ্রহের-তারিখ=৩০ জুলাই ২০২০ |ভাষা=bn}}</ref>
 
==ব্যক্তিগত জীবন==
জাপানে অবস্থানকালে রাসবিহারী বসু জাপানি সোমা পরিবারের কন্যা তোশিকো সোমাকে বিবাহ করেন৷ তাঁদের দুই সন্তানের নাম হল তেৎসুকো হিগুচি বসু ও মাশাহিদে বসু (ভারতচন্দ্র)৷<ref name=r1>{{Cite news|url=https://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/remembering-rash-behari-bose-and-his-wife-toshiko-bose-in-their-marriage-anniversary-1.828592|title=বাংলা থেকে রান্না-শাড়ি পরা, জাপানি বউকে শিখিয়েছিলেন রাসবিহারী বসু|last=বন্দ্যোপাধ্যায়|first=পারিজাত|work=Anandabazar Patrika|language=bn|access-date=13 October 2020}}</ref> মাশাহিদের জন্ম ১৯২০ খ্রীষ্টাব্দে ও তেৎসুকোর জন্ম ১৯২২ খ্রীষ্টাব্দে৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মাত্র ২৪ বছর বয়সে যুদ্ধক্ষেত্রে মাশাহিদের মৃত্যু ঘটে৷
 
==টীকা==
৩৩৬টি

সম্পাদনা