"আন্তঃআণবিক বল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র যোগ/সংশোধন
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(তথ্যসূত্র যোগ/সংশোধন)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
 
== হাইড্রোজেন বন্ধন ==
হাইড্রোজেন বন্ধন হচ্ছে নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন যুগলধারী [[তড়িৎ ঋণাত্মকতা|তড়িৎ ঋণাত্বক]] পরমাণুর সাথে হাইড্রোজেন পরমানুর মধ্যকার আকর্ষন বল। সাধারণত [[হাইড্রোজেন]]-র সাথে [[নাইট্রোজেন]], [[অক্সিজেন]], [[ফ্লোরিন]] যুক্ত হয়ে এই বন্ধন গঠিত হয়<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://en.wikipedia.org/wiki/Intermolecular_force#cite_note-GoldBook-H02899-2|শিরোনাম=IUPAC, Compendium of Chemical Terminology, 2nd ed. (the "Gold Book") (1997)|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=2020-09-23|সাময়িকী=Wikipedia|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=}}</ref>। হাইড্রোজেন বন্ধনকে প্রায়ই শক্তিশালী তড়িৎ (ইলেকট্রিক) মেরু-মেরু (ডাইপোল-ডাইপোল) ক্রিয়া হিশেবে বর্ণনা করা হয়। সমযোজী বন্ধনের মত এতেও কিছু বৈশিষ্ট্য আছে: এটা দিকমুখী, ভ্যানডার ওয়ালস বল থেকে শক্তিশালী, আন্তঃআণবিক দূরত্ব ভ্যানডার ওয়ালস বলে মৌলদ্বয়ের ব্যাসার্ধের যোগফল অপেক্ষা কম এবং যোজ্যতানুসারে সীমিত-সংখ্যক মৌলের সাথেও যুক্ত হয়। মৌলদ্বয় দ্বারা গঠিত হাইড্রোজেন বন্ধনের সংখ্যা তাদের সক্রিয় ইলেকট্রন যুগলের সমান। যে মৌল ইলেকট্রন দান করে([[হাইড্রোজেন]]) তাকে দাতা, আর ইলেকট্রন গ্রহণকারী নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন যুগলধারী [[তড়িৎ ঋণাত্মকতা|তড়িৎ ঋণাত্বক]] পরমাণুকে গ্রহীতা বলে। সক্রিয় যুগলের মান বন্ধনে [[হাইড্রোজেন]] পরমাণুর ইলেকট্রন দান এবং [[তড়িৎ ঋণাত্মকতা|তড়িৎ ঋণাত্বক]] পরমাণুর ইলেকট্রন গ্রহণ সংখ্যার সমান।[[File:Hydrogen-bonding-in-water-2D.png|)|alt=]]
 
[[File:Hydrogen-bonding-in-water-2D.png|)|alt=|250x250পিক্সেল]]
 
যদিও চিত্রে ঠিকভাবে বর্নণা করা যাচ্ছে না, পানির অণুতে ২টি সক্রিয় যুগল থাকে, [[অক্সিজেন]] পরমাণু ২টি [[হাইড্রোজেন]] পরমাণুর এর সাথে ২টি হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে। আন্তঃআণবিক হাইড্রোজেন বন্ধনই পানির উচ্চ গলনাঙ্কের(১০০ °C) জন্য দায়ী। অন্তঃআণবিক হাইড্রোজেন বন্ধন প্রোটিন এবং নিউক্লিক এসিডসমূহের সেকেন্ডারি(২), টার্শিয়ারি(৩) এবং কোয়াটার্নারি(৪) গঠনের জন্য দায়ী। এছাড়াও পলিমারের প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম উভয় গঠনেই অন্তঃআণবিক হাইড্রোজেন বন্ধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://en.wikipedia.org/wiki/Intermolecular_force#cite_note-3|শিরোনাম=Lindh, Ulf (2013), "Biological functions of the elements", in Selinus, Olle (ed.), Essentials of Medical Geology (Revised ed.), Dordrecht: Springer, pp. 129–177, doi:10.1007/978-94-007-4375-5_7, ISBN 978-94-007-4374-8|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=2020-09-23|সাময়িকী=Wikipedia|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=}}</ref>
== কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল তত্ত্ব ==
উপরে বর্ণিত, অণু এবং পরমাণুসমূহের মধ্যকার আন্তঃআণবিক বল ঘটনাগতভাবে স্থায়ী এবং আবিষ্ট ডাইপোলের মধ্যে ঘটে। অন্যদিকে, কেউ একটি মৌলিক, সমন্বয় তত্ত্ব চাইতে পারে যা বিভিন্ন প্রকার ক্রিয়া যেমনঃ হাইড্রোজেন বন্ধন, ভ্যানডার ওয়ালস বল এবং ডাইপোল-ডাইপোল বল ব্যাখ্যা করবে। সাধারণত, অণুসমূহে কোয়ান্টাম গতিবিদ্যার ধারণা প্রয়োগ এবং রেইলি-স্রোডিঞ্জারের বিচলন তত্ত্ব ( [[:en:Perturbation_theory|perturbation theory]]) বিশেষ প্রভাব হিশেবে বিবেচনা করা হয়। যখন কোয়ান্টাম কেমিস্ট্রি প্রয়োগ করা হয়, তখন প্রায় সদৃশ পদ্ধতির কিছু বিন্যাস এই আন্তঃআণবিক ক্রিয়াকে বিশ্লেষণ করে। এই প্রকার আন্তঃআণবিক ক্রিয়া দৃশ্যমান করার সবচেয়ে উপযোগী পদ্ধতি কোয়ান্টাম কেমিস্ট্রিতে পাওয়া যায়, যাকে অ-সমযোজী মিথস্ক্রিয়া ইনডেক্স ([[:en:Non-covalent_interactions_index|non-covalent interaction index]]) বলে, যা ইলেকট্রন ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। লন্ডন বল এতে বড় ভূমিকা রাখে।
 
== তথ্যসূ্ত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}