আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(অনুলিপি সম্পাদনা)
(সম্প্রসারণ)
| awards =
| predecessor =
}}'''আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী''' (১৮৯৪-২৫ মার্চ ১৯৭৬) [[বাংলাদেশের]] কুমিল্লা জেলার [[রাজনীতিবিদ]] যিনি তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেমব্লিরআইনসভার সদস্য, অবিভক্ত পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী ও বেংগল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।<ref name=":1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80,_%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6|শিরোনাম=চৌধুরী, আশরাফউদ্দীন আহমদ|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=৫ মে ২০১৪|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|সংগ্রহের-তারিখ=৯ অক্টোবর ২০২০}}</ref>
 
== প্রাথমিক জীবন ==
 
== রাজনৈতিক জীবন ==
আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী তৎকালীন পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী ও বেংগল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।<ref name=":0" /> ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগদিয়ে তিনি খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। সক্রিয় হন। ১৯১৯ সালে গঠিত ত্রিপুরা জেলা কৃষক সমিতির অন্যতম উদ্যোক্তা তিনি। ১৯৩৭–১৯৪১ মেয়াদে তিনি বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পর জমিয়ত উলামায়ে হিন্দে যোগদেন। তিনি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে অবিভক্ত [[জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম (ফ)|জমিয়ত উলামায়ে ইসলামের]] শাখা তৎকালীন [[নেজামে ইসলাম পার্টি|নেজামী ইসলাম পার্টির]] প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা থেকে ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেমব্লিরআইনসভার সদস্য নির্বাচিত হয়ে [[আবুল কাশেম ফজলুল হক|এ কে ফজলুল হকের]] নেতৃত্বে গঠিত যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ শতকের ষাট ও সত্তরের দশকে তিনি রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন।<ref name=":1" />
 
== মৃত্যু ==