"সাপ্তাহিক বিচিত্রা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
 
১৯৭২ সালের ১৮ মে সাপ্তাহিক বিচিত্রার ১ম বর্ষ, প্রথম সংখ্যার আত্মপ্রকাশ ঘটে।<ref>[https://www.kalerkantho.com/print-edition/KalerKantho-seventh-anniversary-special-edition/2017/01/12/451198 কালের কণ্ঠ ১২ জানুয়ারি ২০১৭]</ref> প্রথমে এটির সম্পাদক ছিলেন [[ফজল শাহাবুদ্দীন]]।<ref>[https://archive.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDJfMTBfMTRfMV8xXzFfMTA3ODIw ইত্তেফাক]</ref> সহকারী সম্পাদক ছিলেন শাহাদত হোসেন। শিল্প সম্পাদক ছিলেন কালাম মাহমুদ। সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ছিলেন [[হাসান হাফিজুর রহমান]]। সম্পাদকীয় সহকারী ছিলেন আহরার আহমেদ এবং [[শাহরিয়ার কবির]]। এর পরে নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। শাহাদত চৌধুরী এই পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন অনেক পরে। [[শামসুর রাহমান]] ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত দীর্ঘ দশ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।<ref>[https://samakal.com/bangladesh/article/1610244705 সমকাল]</ref> শুরু থেকেই এই পত্রিকাটি পাঠকের মন জয় করে নেয়, এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলোর মধ্য দিয়ে।
==জনপ্রিয়তা==
তৎকালীন সময়ে সাপ্তাহিক বিচিত্রার প্রচারসংখ্যা সর্বাধিকপর্যায়ে পৌঁছেছিল। এটির প্রচারসংখ্যা প্রায় ৭০ হাজারে পৌঁছে। বিচিত্রা ও সচিত্র সন্ধানী বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রতি বছর ঈদ সংখ্যায় উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ করে। ঈদ সংখ্যায় ছয়-সাতটি উপন্যাস প্রকাশিত হতো। স্বল্পমূল্যে প্রকাশিত উপন্যাস পড়ার এই সুযোগ জনপ্রিয়তা পায়। তরুণ [[হুমায়ুন আহমদ]]ের ‘নন্দিত নরেক’ উপন্যাস সাপ্তাহিক বিচিত্রার ঈদ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। [[সৈয়দ শামসুল হক]], হুমায়ুন আহমেদ, [[ইমদাদুল হক মিলন]], [[রাহাত খান]], [[রিজিয়া রহমান]], [[মঈনুল আহসান সাবের]], [[সেলিনা হোসেন]]ের মতো ঔপন্যাসিকদের উপন্যাস পড়ার সুযোগ পেত পাঠকরা। [[শাহেদ আলী]]র ‘শা’নজর’, সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’, রিজিয়া রহমানের ‘রক্তের অক্ষর’ উপন্যাস বিচিত্রা প্রকাশের পর সাড়া জাগিয়েছিল। [[রাজশাহীর বিশ্ববিদ্যালয়]]ের চাঞ্চল্যকর নীহার বানু হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত সংখ্যাটি ৭৫ হাজার কপি ছাপা হয়েছিল। শিল্পী [[রফিকুন নবী]]র ‘টোকাই’ কার্টুন ছিল বিচিত্রার অন্যতম আকর্ষণ। প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বর রাতে শাহদত চৌধুরীর হাটখোলাস্থ পৈতৃক বাসভবনে এক পার্টির আয়োজন করা হতো। সাপ্তাহিক বিচিত্রা ও আনন্দ বিচিত্রা ছাড়াও দেশের সেরা বুদ্ধিজীবী, লেখক, কবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, রাজনীতিবিদ এবং বিদেশী কূটনীতিকদের বিপুল সম্মিলন ঘটত। এটা বিচিত্রা পত্রিকার সফল জনসংযোগ ‘কর্মসূচি’ হিসেবে বিবেচিত হতো। বিচিত্রা ও আনন্দ বিচিত্রার সাংবাদিক ও সম্পাদকীয় বিভাগে যারা ছিলেন তারা হলেন- [[শাহরিয়ার কবির]], [[মাহফুজউল্লাহ]], মঈনুল আহসান সাবের, [[সাজ্জাদ কাদির]], চন্দন সরকার, কাজী জাওয়াদ, আবদুল হাই শিকদার, [[আসিফ নজরুল]], সেলিম ওমরাও খান, আশরাফ কায়সার, মাহমুদ শফিক, চিন্ময় মুৎসুদ্দী, শামীম আজাদ, অরুণ চৌধুরী, মাহমুদা চৌধুরী, আকবর হায়দার কিরণ, কবিতা হায়দার, মিনার মাহমুদ, ইরাজ আহমেদ, শিল্পী মাসুক হেলাল, ফটোগ্রাফার শামসুল ইসলাম আলমাজী, রফিকুর রহমান রেকু প্রমুখ।<ref>[https://old.dailynayadiganta.com/detail/news/267781 দৈনিক বাংলা ও বিচিত্রা’র সেই সম্পদগুলো কোথায়?, নয়া দিগন্ত, ১২ নভেম্বর ২০১৭]</ref>
 
==প্রথম এবং শেষ সংখ্যা ==
৮,৬৫৪টি

সম্পাদনা