লেক্সিংটন, কেন্টাকি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(সূত্রপূরণ ব্যবহার করে 9টি তথ্যসূত্র পূরণ করা হয়েছে ())
১৭৮২ সালের ৬ মে ভার্জিনিয়া বিধানসভা শহরটির অনুমোদন দান করে। ১৭৯০ সালে এখানে পিটার ডুরেট প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান ব্যাপটিস্ট চার্চ প্রতিষ্ঠা করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.nps.gov/nr/travel/lexington/fab.htm|title=Lexington Kentucky --First African Baptist Church-- National Register of Historic Places Travel Itinerary|work=www.nps.gov|accessdate=25 September 2020}}</ref> এটি কেন্টাকির প্রাচীনতম ও যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রাচীনতম আফ্রিকান-আমেরিকান ব্যাপটিস্ট চার্চ।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://baptisthistoryhomepage.com/ky.fayette.fbc.black.lex.html|title=A Brief History of the First Baptist Church, Lexington, Kentucky - (Black) - By H. E. Nutter, 1940|work=baptisthistoryhomepage.com|accessdate=25 September 2020}}</ref>
 
কবি জোসিয়াহ এস্পি এক চিঠিতে লেক্সিংটনের সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধির প্রশংসা করেন। এই চিঠি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই শহরটিকে "পশ্চিমের এথেন্স" রূপে বর্ণনা করেন।
কবি জোসিয়াহ এস্পি এক
চিঠিতে লেক্সিংটনের সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধির প্রশংসা করেন। এই চিঠি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই শহরটিকে "পশ্চিমের এথেন্স" রূপে বর্ণনা করেন।
 
ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে অধিবাসী জন ওয়েসলি হান্ট পশ্চিমাঞ্চলের প্রথম দশ লক্ষপতি হন। ১৮৩৩ সালে এখানে [[কলেরা]] মহামারি দেখা দেয়। লেক্সিংটনের ৫,০০০ বাসিন্দার মধ্যে ৭০০ জন-ই কলেরায় মৃত্যুবরণ করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.nps.gov/nr/travel/lexington/cce.htm|title=Christ Church Episcopal, Lexington, Kentucky -- National Register of Historic Places Travel Itinerary|work=www.nps.gov|accessdate=25 September 2020}}</ref>১৮৪৮-৪৯ সাল ও ১৮৫০ এর দশকে এখানে পুনরায় কলেরা মহামারি দেখা দেয়।
ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে
অধিবাসী জন ওয়েসলি হান্ট পশ্চিমাঞ্চলের প্রথম দশ লক্ষপতি হন। ১৮৩৩ সালে এখানে [[কলেরা]] মহামারি দেখা দেয়। লেক্সিংটনের ৫,০০০ বাসিন্দার মধ্যে ৭০০ জন-ই কলেরায় মৃত্যুবরণ করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.nps.gov/nr/travel/lexington/cce.htm|title=Christ Church Episcopal, Lexington, Kentucky -- National Register of Historic Places Travel Itinerary|work=www.nps.gov|accessdate=25 September 2020}}</ref>১৮৪৮-৪৯ সাল ও ১৮৫০ এর দশকে এখানে পুনরায় কলেরা মহামারি দেখা দেয়।
 
তামাক ও গাঁজা চাষের জন্য এখানকার আবাদকারীরা দাস নিযুক্ত করেন। ১৮৫০ সালে বাসিন্দাদের এক-পঞ্চমাংশ ক্রীতদাস ছিলেন। ১৮৫০ সালে ব্যাপটিস্ট চার্চের সদস্যসংখ্যা ছিল ১,৮২০; সদস্যসংখ্যার দিক দিয়ে এটি কেন্টাকির বৃহত্তম চার্চ ছিল।
১৯১৭ সালে আবাসন নিয়ে লেক্সিংটনের কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হয়। এর ফলে ঐ বছরের ১ সেপ্টেম্বর তাদের মধ্যে দাঙ্গা দেখা দেয়। এ সময় এ অ্যান্ড এম মেলা চলছিল, যা আফ্রিকান আমেরিকানদের সবচেয়ে বড় মেলা ছিল। এতে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনী হস্তক্ষেপ করে এবং ব্যাপক সহিংসতা দেখা দেয়।
 
১৯২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি শ্বেতাঙ্গ নারী জেনেভা হ্যান্ডম্যানকে হত্যার অভিযোগে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ উইল লকেটের বিচারকার্য সম্পন্ন হয়। এসময় কৃষ্ণাঙ্গরা আদালতভবনের সামনে ভিড় করে ও ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দেয়। গভর্নর এডউইন পি মরোর নির্দেশে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনী এখানে আগমন করে। তারা কৃষ্ণাঙ্গদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এতে ছয়জন নিহত ও পঞ্চাশজন আহত হন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফ্রান্সিস সি মার্শাল এখানে সামরিক আইন জারি করেন। ১১ মার্চ তাঁরতার ফাঁসি হয়।
 
১৯৩৫ সালে লেক্সিংটনে মাদকাসক্তি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হয়। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://web.archive.org/web/20090825210041/http://drugabuse.gov/NIDA_Notes/NNVol10N6/ARCHistory.html|title=History of the Addiction Research Center|date=25 August 2009|work=web.archive.org|accessdate=25 September 2020}}</ref>
 
==ভূগোল==
 
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা}}
 
==বহিঃসংযোগ==
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:লেক্সিংটন, কেন্টাকি| ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৭৫-এ প্রতিষ্ঠিত জনবহুল স্থান]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেন্টাকির কাউন্টি আসন]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেন্টাকির শহর]]