"ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
২০১২ সালের গ্রীষ্মে, বার্সেলোনা ঘোষণা করে যে সহকারি ম্যানেজার [[টিটো ভিলানোভা]], [[পেপ গার্দিওলা]]র স্থলাভিষিক্ত হবেন। টিটোর দায়িত্ব গ্রহণের পর [[স্পেনীয় সুপার কাপ|স্পেনীয় সুপার কাপে]] [[রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব|রিয়াল মাদ্রিদের]] বিপক্ষে পরাজিত হলেও, দূর্দান্তভাবে মৌসুম করে বার্সেলোনা। মৌসুমের পুরোটা সময় লীগ টেবিলের শীর্ষে ছিল তারা। মাত্র ২টি পরাজয় নিয়ে লীগে তারা ১০০ পয়েন্ট অর্জন করে। এবারও দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন [[লিওনেল মেসি]]। লীগে তিনি করেন ৪৬ গোল, সাথে ছিল ২টি হ্যাট্রিক। ২০১৩ সালের ১১ মে, বার্সেলোনা তাদের ২২তম লীগ শিরোপা জিতে। তখনও লীগের আরও চারটি খেলা অবশিষ্ট ছিল। শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি [[রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব|রিয়াল মাদ্রিদের]] চেয়ে ১৫ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে লীগ শেষ করে, যদিও মার্চের শুরুতে তারা রিয়ালের বিপক্ষে ২–১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/champions|শিরোনাম=Champions!|তারিখ=১১ মে ২০১৩|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ অক্টোবর ২০১৩|প্রকাশক=ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা অফিসিয়াল|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130607114411/http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/champions|আর্কাইভের-তারিখ=৭ জুন ২০১৩|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> তারা [[কোপা দেল রে]] এবং [[উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ|চ্যাম্পিয়নস লীগ]] উভয় প্রতিযোগিতার সেমি-ফাইনালে পৌছায়। সেখানে তারা যথাক্রমে রিয়াল মাদ্রিদ এবং বায়ার্ন মিউনিখের মুখোমুখি হয়। উভয়ের বিপক্ষে পরাজিত হয়ে তারা প্রতিযোগিতা দুইটি থেকে বিদায় নেয়। ১৯ জুলাই, ঘোষণা করা হয় যে টিটো ভিলানোভা গলার ক্যান্সারের কারণে দলের ম্যানেজারের পদ থেকে অব্যাহতি নেবেন এবং পুনরায় চিকিত্‍সা গ্রহণ করবেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://espnfc.com/blog/_/name/laliga/id/523?cc=3436|শিরোনাম=Anims, Tito|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ অক্টোবর ২০১৩|প্রকাশক=ইএসপিএন সকারণেট|তারিখ=১৯ জুলাই ২০১৩|লেখক=Hunter, Graham}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.mirror.co.uk/sport/football/news/barcelona-manager-tito-vilanova-steps-2067147|শিরোনাম=Barcelona manager Tito Vilanova steps down to undergo further cancer treatment|কর্ম=Mirror|তারিখ=১৯ জুলাই ২০১৩|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ অক্টোবর ২০১৩|লেখক=Curtis, Ben}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.samakal.com.bd/print_edition/details.php?news=18&action=main&option=single&news_id=357545&pub_no=1474&view=archiev&y=2013&m=07&d=20|শিরোনাম=পদত্যাগ করছেন বার্সেলোনা কোচ টিটো ভিলানোভা|কর্ম=সমকাল|তারিখ=২০ জুলাই ২০১৩|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ অক্টোবর ২০১৩|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140812173604/http://www.samakal.com.bd/print_edition/details.php?news=18&action=main&option=single&news_id=357545&pub_no=1474&view=archiev&y=2013&m=07&d=20|আর্কাইভের-তারিখ=১২ আগস্ট ২০১৪|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref>
 
২০১৩ সালের ২২ জুলাই, [[হেরার্দো মার্তিনো|হেরার্দো 'টাটা' মার্তিনো]]কে ২০১৩-১৪ মৌসুমের জন্য বার্সেলোনার ম্যানেজার হিসেবে নিশ্চিত করা হয়<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://twitter.com/marca/status/359352370775339010|শিরোনাম=Tata Martino ya es entrenador del FC Barcelona|প্রকাশক=''[[মার্কা (সংবাদপত্র)|মার্কা]]|তারিখ=২২ জুলাই ২০১৩|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ এপ্রিল ২০১৪}}</ref> মার্তিনোর অধীনে বার্সার প্রথম দুইটি খেলা ছিল ২০১৩ [[স্পেনীয় সুপার কোপা|স্পেনীয় সুপার কাপের]] প্রথম ও দ্বিতীয় লেগ, যা বার্সা এওয়ে গোলে জিতে। ২০১৪ সালের ২৩ জানুয়ারী, নেইমারের স্থানান্তর সম্পর্কে অভিযোগ ওঠায় বার্সেলোনার প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দেন [[সান্দ্রো রোসেল]]। তার স্থলাভিষিক্ত হন [[ইয়োসেপ মারিয়া বার্তোমেউ]], যিনি ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন। ২০১৪ সালের ২ এপ্রিল, ফিফা ক্লাবটিকে পরবর্তী দুই মৌসুমের ট্র্যান্সফার উইন্ডোতে কোন প্রকার খেলোয়াড় কেনা থেকে নিষিদ্ধ করে। কারণ হিসেবে বলা হয় ক্লাবটি ১৮ বছরের কম বয়সী খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে ফিফার খেলোয়াড় স্থানান্তর সম্পর্কিত আইন ভঙ্গ করেছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Barcelona hit with a year-long transfer ban for breaching rules on youngsters|ইউআরএল=http://www.theguardian.com/football/2014/apr/02/barcelona-transfer-ban-fifa-fine|প্রকাশক=দ্য গার্ডিয়ান|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ এপ্রিল ২০১৪|তারিখ=২ এপ্রিল ২০১৪|প্রথমাংশ=James|শেষাংশ=Riach}}</ref> বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ ফিফার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Barcelona Confirm Transfer Ban Appeal and Insist They Will Still Sign Players|ইউআরএল=http://bleacherreport.com/articles/2021149-barcelona-confirm-transfer-ban-appeal-and-insist-they-will-still-sign-players|প্রকাশক=[[ব্লিচার রিপোর্ট]]|তারিখ=৮ এপ্রিল ২০১৪|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০১৪|প্রথমাংশ=Nick|শেষাংশ=Akerman}}</ref> ২৩ এপ্রিল, ফিফা বার্সেলোনার উপর তাদের আরোপিত নিশেধাজ্ঞা মূলতবি করে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Barcelona's transfer ban suspended by Fifa pending appeal|ইউআরএল=http://www.theguardian.com/football/2014/apr/23/barcelona-transfer-ban-suspended-fifa\|publisher=[[দ্য গার্ডিয়ান]]|তারিখ=২৩ এপ্রিল ২০১৪|সংগ্রহের-তারিখ=২৮ এপ্রিল ২০১৪}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dailymail.co.uk/sport/football/article-2611075/Barcelona-transfer-ban-suspended-FIFA-Catalans-free-summer-spree.html|শিরোনাম=Barcelona transfer ban suspended by FIFA with Catalans free to go on summer spree|প্রকাশক=[[ডেইলি মেইল]]|তারিখ=২৩ এপ্রিল ২০১৪|সংগ্রহের-তারিখ=২৭ এপ্রিল ২০১৪|প্রথমাংশ=Pete|শেষাংশ=Jenson}}</ref> ২০ আগাস্ট, ২০১৪ ফিফা বার্সেলোনার করা আপিল খারিজ করে দেয়।
 
১৭ মে, লা লিগার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য [[আতলেতিকো মাদ্রিদ|আতলেতিকো মাদ্রিদের]] (যাদের কাছে পরাজিত হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল বার্সেলোনাকে) বিপক্ষে খেলায় জয় আবশ্যক ছিল বার্সেলোনার। কিন্তু খেলাটি ড্র হয়, যার ফলাফলস্বরূপ চ্যাম্পিয়ন হয় আতলেতিকো মাদ্রিদ।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Martin|প্রথমাংশ=Richard|শিরোনাম=Barcelona 1 Atletico Madrid 1, La Liga: match report|ইউআরএল=http://www.telegraph.co.uk/sport/football/competitions/la-liga/10838338/Barcelona-v-Atletico-Madrid-La-Liga-live.html|সংগ্রহের-তারিখ=17 May 2014|সংবাদপত্র=[[দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ]]|তারিখ=১৭ মে ২০১৪|সংগ্রহের-তারিখ=৯ জুলাই ২০১৪}}</ref>