কালকিনি উপজেলা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(সংশোধন)
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
ভৌগলিক ভাবে কালকিনি পূর্বাঞ্চলীয় সক্রিয় গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপে অবস্থিত।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA|শিরোনাম=বঙ্গীয় বদ্বীপ|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০১-১০}}</ref> এ অঞ্চল গাঙ্গেয় প্লাবনভূমি অর্থাৎ পদ্মা বিধৌত নিম্ম পলল ভূমি এলাকা।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF|শিরোনাম=প্লাবনভূমি|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০১-১০}}</ref> বাংলাদেশের কৃষি-প্রতিবেশ অঞ্চল ১৪-তে অন্তর্ভুক্ত এলাকাটি শুষ্ক মৌসুমে ভিজা থাকে এবং বর্ষা মৌসুমে গভীরভাবে প্লাবিত হয় ও প্রায় প্রত্যেক বছরেই কম-বেশি বন্যা কবলিত হয়। এ অঞ্চলের নিচু এলাকাতে পিট মৃত্তিকার উপস্থিতি রয়েছে। এসব মৃত্তিকা চরম অম্লীয় এবং পটাশিয়াম, সালফার, জিঙ্ক ও কপারের অলভ্যতার কারণে কৃষিকাজে এসব মৃত্তিকা ব্যবহারের অনুপযোগী। পিট স্তরগুলোকে ভূ-জলে আর্সেনিক যুক্ত হওয়ার কারণ মনে করা হয়।<ref name=":13">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%9F_%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE|শিরোনাম=পিট মৃত্তিকা|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০১-১০}}</ref> এ অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ ৬৯%।<ref name=":4" /><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95|শিরোনাম=আর্সেনিক|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=[[বাংলাপিডিয়া]]|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০১-১০}}</ref>
 
কালকিনি উপজেলার উপর দিয়ে [[আড়িয়াল খাঁ নদ|আড়িয়াল খাঁ নদী]], [[টর্কি নদী]] ও পালরদী নদী প্রবাহিত হয়েছে। আড়িয়াল খাঁ নদীর মাধ্যমে কালকিনি উপজেলা দ্বিখন্ডিত হয়েছে। এক সময় এ নদীটিই ছিল কালকিনি উপজেলায় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। [[টর্কি নদী|টর্কি নদীটি]] কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের আড়িয়ল খাঁ নদ থেকে উৎপন্ন হয়ে বরিশাল জেলার [[গৌরনদী উপজেলা|গৌরনদী উপজেলার]] সারিকাল ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে পুনরায় আড়িয়ল খাঁ নদে পতিত হয়েছে। এছাড়া এ উপজেলায় টেংরা নদী, রাজমনী নদী ও গজারিয়া নদী এখনও নামের স্মারক বহন করে রয়েছে। গজারিয়া নদীটি বাশঁগাড়ী ইউনিয়নে গজারিয়া ও ডাকেরচর খাল নামে প্রবাহমানপ্রবহমান রয়েছে। রাজমনী নদীটি পালরদী নদীর ঠাকুর বাড়ি থেকে উৎপত্তি হয়ে শিকারমঙ্গল ও এনায়েতনগর ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভবানীপুর ও মৃধা কান্দির নিকট আড়িয়ল খাঁ নদীতে পতিত হয়েছে। বর্তমানে নদীটি ঠাকুর বাড়ি, সমিতির হাট, মিয়ার হাট খাল নামে পরিচিত। এর অপর একটি অংশ আমানতগঞ্জ খাল নামে মাদারিপুর সদর উপজেলার [[মস্তফাপুর ইউনিয়ন|ঘটকচর-মস্তফাপুর]] কুমার নদী থেকে ডাসার, কাজী বাকাই, গোপালপুর ও কালকিনি পৌরসভার দক্ষিণ-পশ্চিম খাঞ্জাপুর সীমানা দিয়ে ঝুরগাও বাজারের পশ্চিমপাড়ে মাইড্যাল খেয়াঘাটের নিকট পালরদী নদীতে নিপতিত হয়েছে। টেংরা নদীটি [[শরিয়তপুর জেলা|শরিয়তপুর জেলার]] পট্টি বাজারের [[পদ্মা নদী]] থেকে উৎপত্তি হয়ে নাগের পাড়া, খাসের হাট, কাচরী বাজার, আকাল বরিশ হয়ে আড়িয়ল খাঁ নদীতে মিলিত হয়েছে। বর্তমানে এই নদীটিও একটি খাল। এক সময় টেংরা নদী দিয়ে [[নারায়ণগঞ্জ]], [[ঢাকা]], [[চাঁদপুর]] থেকে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী জাহাজ ও স্টিমার আড়িয়ল খাঁ নদী ও কুমার নদী হয়ে নিয়োমিত [[কলকাতা]] যাতায়াত করতো।<ref name=":1" />
 
==প্রশাসন==
১,৪৩৫টি

সম্পাদনা