"রংপুর জেলা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
রংপুর জেলা ২৫°০৩˝ থেকে ২৮°২৮˝ [[অক্ষাংশ|অক্ষাংশে]] এবং ৮৮°৪৫˝ থেকে ৮৯°৫৫˝ পূর্ব [[দ্রাঘিমাংশ]] পর্যন্ত বিস্তৃত। এর উত্তরে [[লালমনিরহাট জেলা|লালমনিরহাট]], পূর্বে [[কুড়িগ্রাম জেলা|কুড়িগ্রাম]], দক্ষিণ-পূর্বাংশে [[গাইবান্ধা জেলা|গাইবান্ধা]], উত্তর-পশ্চিমাংশে নীলফামারী এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে [[দিনাজপুর জেলা|দিনাজপুর]] জেলার অবস্থান।{{sfn|খান|হোসেন|সুলতান|২০১৪|p=২৫}} মোট আয়তন {{রূপান্তর|২৩০৮|km2}}। আটটি [[উপজেলা]], ৩৮টি [[ইউনিয়ন]], ১৪৫৫টি মৌজা এবং ১ টি [[সিটি কর্পোরেশন]], ৩টি [[পৌরসভা]] নিয়ে রংপুর জেলা গঠিত। [[তিস্তা নদী]] রংপুর জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তকে লালমনিরহাট এবং কুড়িগ্রাম জেলা থেকে আলাদা করেছে।
 
রংপুর জেলাকে বৃহত্তর বঙ্গপ্লাবন ভূমির অংশ মনে করা হয়। কিন্তু ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গঠন দেশের অন্যান্য জেলা থেকে আলাদা। এ জেলার ভূগঠন অতীতে উত্তরাঞ্চল প্রবাহমানপ্রবহমান কয়েকটি নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং ভূকম্পনজনিত ভুমি উত্তোলনের সাথে জড়িত। তিস্তা নদীর আদি গতিপথ পরিবর্তন ছিল রংপুর জেলার ভূমি গঠনের ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা নদী ১৭৮৭ সালের পূর্বে গঙ্গানদীর একটি উপনদী ছিল। তিস্তা সিকিম বা হিমালয়ে পরিচিত রাংগু ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর জেলার নিকট আত্রাই এর সাথে মিলিত হয়ে নিম্ন গঙ্গা নদীতে পতিত হতো। ১৮শ শতকে তিস্তা, আত্রাই নদীর পথ ধরে গঙ্গা ও বিছিন্ন কিছু খাল বিলের মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র, উভয় কিছু নদীর সাথে ঋতু ভিত্তিক সংযোগ করত। অপর নদী [[ধরলা নদী|ধরলা]] [[তিস্তা নদী|তিস্তা]] থেকে নিম্ন হিমালয় অঞ্চল বৃহত্তর রংপুর জেলার পূর্ব দিক দিয়ে (বর্তমান কুড়িগ্রাম) ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে। [[ঘাঘট নদ|ঘাঘট]] এ জেলার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ নদ । ঘাঘট তিস্তার গর্ভ থেকে উৎপন্ন হয়ে রংপুর জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণে গাইবান্ধা জেলা অতিক্রম করে [[করতোয়া]] নদীতে পতিত হয়। [[আত্রাই নদী]] এ সময় করতোয়া ও গঙ্গার মধ্যে সংযোগ রক্ষা করত।
 
== প্রশাসনিক অঞ্চল ==
১,৪৩৫টি

সম্পাদনা