"সূরা আল-হাদীদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
এই সূরাটির ২৫ নং আয়াতের وَأَنْزَلْنَا الْحَدِيدَ বাক্যাংশের الْحَدِيدَ অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে حديد (‘হাদীদ‌’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।<ref নাম="তাকু">{{ওয়েব উদ্ধৃতি| ইউআরএল=http://www.banglatafheem.com/index.php?option=com_quran&id=57&view=quran| শিরোনাম=সূরার নামকরণ| ওয়েবসাইট=www.banglatafheem.com| সংগ্রহের-তারিখ=: ৩১ জুলাই ২০১৫| প্রকাশক=''তাফহীমুল কোরআন'', ২০ অক্টোবর ২০১০| আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150812001511/http://banglatafheem.com/index.php?option=com_quran&id=57&view=quran| আর্কাইভের-তারিখ=১২ আগস্ট ২০১৫| অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref>
 
== নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান: সর্ব সম্মত মতে এটি মদীনায় অবতীর্ণ সূরা। এ সূরার বিষয়বস্তু নিয়ে চিন্তা ভাবনা করলে মনে হয় সম্ভবত উহুদ যুদ্ধ ও হুদায়বিয়ার সন্ধির মধ্যবর্তী কোন এক সময় এ সূরা নাযিল হয়েছে। এটা সে সময়ের কথা যখন কাফেররা চারদিক থেকে ক্ষুদ্র এ ইসলামী রাষ্ট্রটিকে তাদের আক্রমণের লক্ষস্থল বানিয়েছিল এবং ঈমানদারদের ক্ষুদ্র একটি দল অত্যন্ত সহায় সম্বলহীন অবস্থায় সমগ্র আরবের শক্তির মোকাবিলা করে যাচ্ছিলেন। এ পরিস্থিতিতে ইসলাম তার অনুসারীদের কাছে শুধু জীবনের কুরবানীই চাচ্ছিলো না বরং সম্পদের কুরবানীর প্রয়োজনীয়তাও একান্তভাবে উপলব্ধি করেছিলো। এ ধরনের কুরবানী পেশ করার জন্য এ সূরায় অত্যন্ত জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। সূরার ১০ আয়াত এ অনুমানকে আরো জোরালো করছে। ==
== নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান ==
{{কুরআন}}
 
বেনামী ব্যবহারকারী