"মোদিবো কেইতা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
===একনায়কতন্ত্র ও কারাবরণ ===
রাজনৈতিক স্তরে, মোদিবো কেইতা দ্রুতই ফিলি ড্যাবো সিসসোকোর মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বন্দী করে ফেলেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথম নির্বাচন, ১৯৬৪ সালে, প্রতিদ্বন্দিতারপ্রতিদ্বন্দ্বিতার অভাবে ইউএস-আরডিএর ৮০ জন প্রার্থীই একক জাতীয় পরিষদে ফিরে আসে এবং কেইতা আইনসভা দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদে যথাযথভাবে নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি 'বিদ্রোহ প্রতিরক্ষা জাতীয় কমিটি (সিএনডিআর)' গঠন করে সংবিধান স্থগিত করে দেন। মালিয়ান ফ্র্যাঙ্কের অবমূল্যায়নের ফলে এবং কেইতার একনায়কতন্ত্রের ফলে সাধারণ জনগণের মধ্যে অস্থিরতা ও বিদ্রোহ দেখা দেয়।
১৯৬৮ সালের ১৯শে নভেম্বর, জেনারেল মোসা ট্রোরি একটি অভ্যুত্থান ঘটিয়ে মোদিবো কেইতাটাকেকেইতাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন এবং তাকে উত্তর মালিয়ান শহর কিদালের কারাগারে প্রেরণ করেন।
১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর মুক্তির প্রস্তুতির জন্য তাঁকে রাজধানী বামাকোতে আনয়ন করা হয়, যদিও ১৯৭৭ সালের ১৬ই মে মোদিবো কেইতা রাজনৈতিক বন্দীবন্দি হিসেবেই মারা যান। <ref>P. J. Imperato, ''Mali: a search for direction'', p. 69</ref><ref>P. Diarra, ''Cent ans de catholicisme au Mali'', p. 273</ref>
 
১৯৯২ সালে মুসা ট্রোয়ের পতন ও পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি আলফা ওমর কোনারির নির্বাচনের পরে কেইতা মালির ইতিহাসে পুনরায় সম্মান ফিরে পান। ১৯৯২ এর ৬ই জুন মোদিবো কেইতার একটি স্মৃতিস্তম্ভ বামাকোতে প্রতিষ্ঠা করা হয়।