মোদিবো কেইতা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
১৯৬৮ সালের ১৯শে নভেম্বর, জেনারেল মোসা ট্রোরি একটি অভ্যুত্থান ঘটিয়ে মোদিবো কেইতাটাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন এবং তাকে উত্তর মালিয়ান শহর কিদালের কারাগারে প্রেরণ করেন।
১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর মুক্তির প্রস্তুতির জন্য তাঁকে রাজধানী বামাকোতে আনয়ন করা হয় যদিও ১৯৭৭ সালের ১৬ই মে মোদিবো কেইতা রাজনৈতিক বন্দী হিসেবেই মারা যান। ১৯৯২ সালে মুসা ট্রোয়ের পতন ও পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি আলফা ওমর কোনারির নির্বাচনের পরে কেইতা মালির ইতিহাসে পুনরায় সম্মান ফিরে পান। ১৯৯২ এর ৬ই জুন মোদিবো কেইতার একটি স্মৃতিস্তম্ভ বামাকোতে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
 
==প্যান-আফ্রিকানবাদী হিসেবে কেইতা==
সারা জীবন কেইতা আফ্রিকান সংহতির পক্ষে কথা বলেছেন। ১৯৬৩ সালে, তিনি আফ্রিকান ঐক্যের জন্যে 'অর্গানাইজেশন অফ আফ্রিকান ইউনিয়ন' (ওএইউ) এর সনদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
১৯৬৩ সালে, তিনি দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত- বালুযুদ্ধের সমাপ্তির প্রত্যাশায় [[মরক্কো]]র রাজা এবং [[আলজেরিয়া]]র রাষ্ট্রপতিকে বামাকোতে আমন্ত্রণ জানান। [[ইথিওপিয়া]]র সম্রাট হেইল স্লাসির সহায়তায় কেইতা বামাকো চুক্তির রূপায়ণে সফল ভূমিকা নেন, যা দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়েছিল। ফলস্বরূপ, তিনি সে বছর [[লেনিন শান্তি পুরস্কার]] জিতেছিলেন।
১৯৬৩ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি [[সেনেগাল]], [[আপার ভোল্টা]] এবং [[আইভরি কোস্ট]]এর দেশগুলির সাথে সম্পর্ককে স্বাভাবিক করেছিলেন। নিরপেক্ষ আন্দোলনের একজন আইনজীবী, মোদিবো আলজেরিয়ান জাতীয় মুক্তিফ্রন্টের (এফএলএন) জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
 
== Notes ==