নীলরতন ধর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(হটক্যাটের মাধ্যমে বিষয়শ্রেণী:যশোর জেলার ব্যক্তি যোগ)
সম্পাদনা সারাংশ নেই
'''নীলরতন ধর''' (২ জানুয়ারি ১৮৯২ - ৫ ডিসেম্বর ১৯৮৬) ছিলেন ভৌতরসায়ন ক্ষেত্রের একজন বাঙালি রসায়ন বিজ্ঞানী।<ref name ="সংসদ">অঞ্জলি বসু সম্পাদিত সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান (দ্বিতীয় খণ্ড) চতুর্থ সংস্করণ তৃতীয় মুদ্রণ। {{আইএসবিএন| 978-81-7955-292-6}}</ref>
 
==জন্ম ও শিক্ষা জীবন==
নীলরতন ধরের জন্ম অধুনা [[বাংলাদেশ]]ের [[যশোর]]ে ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দের ২রা জানুয়ারি। পিতা আইনজীবী প্রসন্নকুমার ধর। পিতামহ প্রেমচাঁদ ধর। মাতা ছিলেন যশোরের ফতেপুর জমিদার কুঞ্জবিহারী ঘোষের কন্যা নিরোদমোহিনী দেবী। পিতা [[স্বদেশি আন্দোলন]]ে যুক্ত ছিলেন। প্রসন্নকুমারের ছয় পুত্র ও তিন কন্যার মধ্যে নীলরতন ছিলেন তৃতীয়। ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে পাঁচ বৎসর বয়সে স্থানীয় সরকারি জেলা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু হয়। নীলরতন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। শিক্ষা জীবনের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সর্বস্তরেই প্রথম। এম.এসসি.- তে কলা ও বিজ্ঞান বিভাগ মিলিয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড নম্বর পেয়ে কুড়িটি স্বর্ণ পদক, গ্রিফিথ পুরস্কার ও এশিয়াটিক সোসাইটি প্রদত্ত পুরস্কার লাভ করেন। [[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়|কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] রসায়ন শাস্ত্রে এম.এসসি পড়ার সময়ই [[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|আচার্য্য প্রফুল্লচন্দ্র]] ও আচার্য্য [[জগদীশ চন্দ্র বসু|জগদীশচন্দ্র বসুর]] অধীনে গবেষণায় রত হন। ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে স্টেট স্কলারশিপ পেয়ে বিলেত যান। সেখানে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে এবং প্যারিসের সরবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে ডি.এসসি উপাধি লাভ করেন।
 
==শিক্ষকতা ও কর্মজীবন==
 
১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে লন্ডন হতে ফিরে আই.ই.এস নির্বাচিত হয়ে [[এলাহাবাদ]] ম্যুর সেন্ট্রাল কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রধান হিসাবে যোগ দেন। তাঁর জীবনের বিখ্যাত কাজ Induced and photochemical reaction. আজীবন গবেষণার কাজে লিপ্ত থেকেছেন। ৯৪ বৎসর বয়সেও তাঁর প্রিয় বিষয় Nitrogen Fixation নিয়ে গবেষণায় রত ছিলেন। তাঁর মৌলিক গবেষণা পত্রের সংখ্যা ছয় শতেরও বেশি। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি ডক্টরেট এবং এস.এ. হিল ও জি. হিল স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন। নোবেল পুরস্কার কমিটিতে ১৯৩৮, ১৯৪৭ ও ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে রসায়ন বিভাগে বিচারক ছিলেন। ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমীর তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://magpienews24.com/নীল-রতন-জীবন-রতনসহ-উপমহাদ/|শিরোনাম=নীল রতন, জীবন রতনসহ উপমহাদেশের ছয় রত্নের জন্মস্থানের শেষ স্মৃতিটুকুও আজ বিলিন প্রায়|শেষাংশ=news|প্রথমাংশ=magpie|তারিখ=2019-02-06|ওয়েবসাইট=magpienews24.com|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=2020-08-10}}</ref>
 
==বিজ্ঞানের প্রসারে অবদান==