"ইস্কান্দার মির্জা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
(বানান সংশোধন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
|battles = [[ওয়াজিরিস্তান অভিযান (১৯৩৬–১৯৩৯)|ওয়াজিরিস্তান যুদ্ধ]]<br>[[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭]]
}}
সাহেবজাদা সাইয়িদ '''ইস্কান্দার আলি মির্জা''' [[Order of the Indian Empire|CIE]], [[Order of the British Empire|OBE]] [[International Phonetic Alphabet chart for English dialects|<small>English IPA: ɪskɑndæɾ əɪiː mi(ə)ɹzə</small>]] ({{lang-bn|ইস্কান্দার মীর্জা}}; {{lang-ur|{{Nastaliq|اسکندر مرزا}}}}; ১৩ নভেম্বর ১৮৯৯ – ১৩ নভেম্বর ১৯৬৯) ছিলেন একজন বাংগালী[[বাঙালি]] রাজনীতিবিদ এবং পাকিস্তানের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্বপালন করেন। এর পূর্বে ১৯৫৫ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের শেষ গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন।<ref name="Story of Pakistan (Part-I)"/>। তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে মেজর জেনারেল পদে অবসর নেন।
 
ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কিছুকাল অবস্থান করার পর ইস্কান্দার মির্জা ইন্ডিয়ান পলিটিকাল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৪৬ সালে তিনি ভারতের জয়েন্ট সেক্রেটারি হন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রধানমন্ত্রী [[লিয়াকত আলি খান]] তাকে প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন। [[বাংলা ভাষা আন্দোলন|বাংলা ভাষা আন্দোলনের]] পর [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানে]] অস্থিরতা দেখা দিলে [[খাজা নাজিমুদ্দিন]] তাকে প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ১৯৫৫ সালে [[মালিক গোলাম মুহাম্মদ|মালিক গোলাম মুহাম্মদের]] পর তিনি পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেলের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে [[পাকিস্তানের সংবিধান ১৯৫৬|সংবিধান প্রণয়নের]] পর তিনি প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। তার রাষ্ট্রপতিত্বকালে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল। ১৯৫৮ সালে তিনি সংবিধান স্থগিত করে [[সামরিক আইন]] জারি করেন। সেনাপ্রধানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়। রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব তার সময়ে শুরু হয়। সামরিক আইন জারির বিশ দিন পর প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক [[আইয়ুব খান]] তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করেন। ইস্কান্দার মির্জা [[লন্ডন|লন্ডনে]] নির্বাসিত হন।
৬৮৫টি

সম্পাদনা