"বেদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
{{redirect|বৈদিক}}
{{হিন্দুসনাতন ধর্মগ্রন্থ}}
[[FIle:Atharva-Veda samhita page 471 illustration.png|thumb|upright=1.2|[[অথর্ববেদ]] এর একটি পৃষ্ঠা]]
'''বেদ''' ([[সংস্কৃত ভাষা|সংস্কৃত]]: {{lang|sa|वेद}} ''{{IAST|veda}}'', "[[জ্ঞান]]") হল [[প্রাচীন ভারত|প্রাচীন ভারতে]] লিপিবদ্ধ তত্ত্বজ্ঞান-সংক্রান্ত একাধিক গ্রন্থের একটি বৃহৎ সংকলন। [[বৈদিক সংস্কৃত ভাষা|বৈদিক সংস্কৃত ভাষায়]] রচিত বেদই [[সংস্কৃত সাহিত্য|সংস্কৃত সাহিত্যের]] প্রাচীনতম নিদর্শন এবং সনাতন [[হিন্দুধর্মসনাতন ধর্মের|ধর্মের]] সর্বপ্রাচীন পবিত্র [[হিন্দুসনাতন ধর্মগ্রন্থ|ধর্মগ্রন্থ]]।<ref>see e.g. {{Harvnb|Radhakrishnan|Moore|1957|p=3}}; Witzel, Michael, "Vedas and {{IAST|Upaniṣads}}", in: {{Harvnb|Flood|2003|p=68}}; {{Harvnb|MacDonell|2004|pp=29–39}}; ''Sanskrit literature'' (2003) in Philip's Encyclopedia. Accessed 2007-08-09</ref><ref>Sanujit Ghose (2011). "[http://www.ancient.eu.com/article/230/ Religious Developments in Ancient India]" in ''Ancient History Encyclopedia''.</ref> সনাতনরা বেদকে "[[অপৌরুষেয়]]" ("পুরুষ" দ্বারা কৃত নয়, অলৌকিক)<ref>Vaman Shivaram Apte, [http://www.aa.tufs.ac.jp/~tjun/sktdic/ ''The Practical Sanskrit-English Dictionary''] {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150515160048/http://www.aa.tufs.ac.jp/~tjun/sktdic/ |তারিখ=১৫ মে ২০১৫ }}, see apauruSeya</ref> এবং "নৈর্বক্তিক ও রচয়িতা-শূন্য" (যা সাকার নির্গুণ ঈশ্বর-সম্বন্ধীয় এবং যার কোনও রচয়িতা নেই)<ref>D Sharma, Classical Indian Philosophy: A Reader, Columbia University Press, ISBN , pages 196-197</ref><ref>Jan Westerhoff (2009), Nagarjuna's Madhyamaka: A Philosophical Introduction, Oxford University Press, {{আইএসবিএন|978-0195384963}}, page 290</ref><ref>Warren Lee Todd (2013), The Ethics of Śaṅkara and Śāntideva: A Selfless Response to an Illusory World, {{আইএসবিএন|978-1409466819}}, page 128</ref> মনে করেন।
 
বেদকে ''[[শ্রুতি (হিন্দুধর্মসনাতনধর্ম)|শ্রুতি]]'' (যা শ্রুত হয়েছে) সাহিত্যও বলা হয়।<ref>{{Harvnb|Apte|1965|p=887}}</ref> এইখানেই সনাতন ধর্মের অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলির সঙ্গে বেদের পার্থক্য। কারণ, সনাতন ধর্মের অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলিকে বলা হয় ''[[স্মৃতি (হিন্দুশাস্ত্রসনাতনশাস্ত্র)|স্মৃতি]]'' (যা স্মরণধৃত হয়েছে) সাহিত্য। প্রচলিত মতে বিশ্বাসী সনাতন ধর্মতত্ত্ববিদদের মতে, বেদ প্রাচীন [[ঋষি|ঋষিদের]] গভীর ধ্যানে প্রকাশিত হয়েছিল এবং প্রাচীনকাল থেকেই এই শাস্ত্র অধিকতর যত্নসহকারে রক্ষিত হয়ে আসছে।<ref>Sheldon Pollock (2011), Boundaries, Dynamics and Construction of Traditions in South Asia (Editor: Federico Squarcini), Anthem, {{আইএসবিএন|978-0857284303}}, pages 41-58</ref><ref name=scharfe>Hartmut Scharfe (2002), Handbook of Oriental Studies, BRILL Academic, {{আইএসবিএন|978-9004125568}}, pages 13-14</ref> সনাতন মহাকাব্য [[মহাভারত|মহাভারতে]] [[ব্রহ্মা|ব্রহ্মাকে]] বেদের স্রষ্টা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।<ref>[https://books.google.com/books?id=8XO3Im3OMi8C&pg=PA86&dq=brahma+created+vedas&hl=en&sa=X&ei=W_MZUt71GMXJrAecvoCoCg&ved=0CC0Q6AEwAA#v=onepage&q&f=false Seer of the Fifth Veda: Kr̥ṣṇa Dvaipāyana Vyāsa in the Mahābhārata] Bruce M. Sullivan, Motilal Banarsidass, pages 85-86</ref> যদিও বৈদিক স্তোত্রগুলিতে বলা হয়েছে, একজন সূত্রধর যেমন নিপূণভাবে রথ নির্মাণ করেন, ঠিক তেমনই ঋষিগণ দক্ষতার সঙ্গে বেদ গ্রন্থনা করেছেন।<ref name=scharfe/>
 
বেদে মোট মন্ত্র সংখ্যা ২০৪৩৪ টি।
বেদের সংখ্যা চার: [[ঋগ্বেদ]], [[যজুর্বেদ]], [[সামবেদ]] ও [[অথর্ববেদ]]।<ref name=gflood/><ref name="Bloomfield, M 1975">Bloomfield, M. The Atharvaveda and the Gopatha-Brahmana, (Grundriss der Indo-Arischen Philologie und Altertumskunde II.1.b.) Strassburg 1899; Gonda, J. A history of Indian literature: I.1 Vedic literature (Samhitas and Brahmanas); I.2 The Ritual Sutras. Wiesbaden 1975, 1977</ref> প্রত্যেকটি বেদ আবার চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত: [[সংহিতা]] (মন্ত্র ও আশীর্বচন), [[আরণ্যক (বেদ)|আরণ্যক]] (ধর্মীয় আচার, ধর্মীয় ক্রিয়াকর্ম, যজ্ঞ ও প্রতীকী যজ্ঞ), [[ব্রাহ্মণ (বেদ)|ব্রাহ্মণ]] (ধর্মীয় আচার, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও যজ্ঞাদির উপর টীকা) ও [[উপনিষদ্‌]] (ধ্যান, দর্শন ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান-সংক্রান্ত আলোচনা)।<ref name=gflood>Gavin Flood (1996), An Introduction to Hinduism, Cambridge University Press, {{আইএসবিএন|978-0521438780}}, pages 35-39</ref><ref name="A Bhattacharya 2006 pages 8-14">A Bhattacharya (2006), Hindu Dharma: Introduction to Scriptures and Theology, {{আইএসবিএন|978-0595384556}}, pages 8-14; George M. Williams (2003), Handbook of Hindu Mythology, Oxford University Press, {{আইএসবিএন|978-0195332612}}, page 285</ref><ref name="Jan Gonda 1975">Jan Gonda (1975), Vedic Literature: (Saṃhitās and Brāhmaṇas), Otto Harrassowitz Verlag, {{আইএসবিএন|978-3447016032}}</ref> কোনও কোনও গবেষক [[উপাসনা]] (পূজা) নামে একটি পঞ্চম বিভাগের কথাও উল্লেখ করে থাকেন।<ref name=ab>A Bhattacharya (2006), Hindu Dharma: Introduction to Scriptures and Theology, {{আইএসবিএন|978-0595384556}}, pages 8-14</ref><ref name="Barbara A. Holdrege 1995 pages 351-357">Barbara A. Holdrege (1995), Veda and Torah: Transcending the Textuality of Scripture, State University of New York Press, {{আইএসবিএন|978-0791416402}}, pages 351-357</ref>
 
ভারতীয় [[হিন্দুসনাতন দর্শন|দর্শনের]] বিভিন্ন শাখা ও সনাতন ধর্মের বিভিন্ন [[হিন্দুসনাতন সম্প্রদায়|সম্প্রদায়]] বেদ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করে থাকে। ভারতীয় দর্শনের যে সকল শাখা বেদের প্রামাণ্যতা স্বীকার করে এবং বেদকেই তাদের শাস্ত্রের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে, সেগুলিকে "[[আস্তিক ও নাস্তিক (হিন্দুসনাতন দর্শন)|আস্তিক]]" শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।{{refn|group=note|Elisa Freschi (2012): The Vedas are not [[Deontological ethics|deontic]] authorities in absolute sense and may be disobeyed, but are recognized as an deontological [[epistemology|epistemic]] authority by a HinduSonaton orthodox school;<ref>Elisa Freschi (2012), Duty, Language and Exegesis in Prabhakara Mimamsa, BRILL, {{আইএসবিএন|978-9004222601}}, page 62</ref> (Note: This differentiation between epistemic and deontic authority is true for all Indian religions)}} অন্যদিকে ভারতীয় দর্শনের [[লোকায়ত]], [[চার্বাক]], [[আজীবক]], [[বৌদ্ধধর্ম|বৌদ্ধ]] ও [[জৈনধর্ম|জৈন]] প্রভৃতি অন্যান্য [[শ্রমণ|শ্রামণিক]] শাখায় বেদের প্রামাণ্যতা স্বীকৃত নয়। এগুলিকে "[[আস্তিক ও নাস্তিক (হিন্দুসনাতন দর্শন)|নাস্তিক]]" শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।<ref name="Flood 1996 82">{{Harvnb|Flood|1996|p=82}}</ref><ref>[http://www.britannica.com/topic/astika "astika"] and [http://www.britannica.com/topic/nastika "nastika"]. ''Encyclopædia Britannica Online'', 20 Apr. 2016</ref> মতপার্থক্য থাকলেও শ্রামণিক ধারার গ্রন্থগুলির মতো বেদের বিভিন্ন স্তরের বিভাগগুলিতেও একই চিন্তাভাবনা ও ধারণাগুলি আলোচিত হয়েছে।<ref name="Flood 1996 82"/>
 
== বেদের বিভাজন ==
বেনামী ব্যবহারকারী