"জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র যোগ
(তথ্যসূত্র যোগ/সংশোধন)
(তথ্যসূত্র যোগ)
 
==সাহিত্য==
ছোটবেলা থেকে তিনি সাহিত্যচর্চ্চা করতেন। স্বদেশি আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১৯৩১ সালে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এক বছর গৃহবন্দি থাকাকালীন তার সাহিত্যচর্চার উপরে নিষেধাজ্ঞা জার করা হয়। জ্যোৎস্না রায় ছদ্মনামে সোনার বাংলা ও ঢাকার বাংলার বাণী পত্রিকায় তাঁর লেখা কয়েকটি ছোট গল্প প্রকাশিত হয়। তিনি সাগরময় ঘোষের সান্নিধ্যে আসেন ও দেশ পত্রিকায় ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় ছোটগল্প রাইচরণের বাবরি। মাতৃভূমি’, ‘ভারতবর্ষ’, ‘চতুরঙ্গ’, ‘পরিচয় পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হতে থাকে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/supplementary/patrika/jyotirindra-nandi-the-author-who-created-a-niche-for-himself-in-the-bengali-literature-1.952256|শিরোনাম=আগুন ও নিরাসক্তি নিয়ে উঠোন জুড়ে দাঁড়িয়ে যে জন|ওয়েবসাইট=anandabazar.com|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=2020-07-28}}</ref> প্রেমেন্দ্র মিত্রের নজরে আসে জ্যোতিরিন্দ্রর লেখা। তাঁর লেখা ছোট গল্প ‘ভাত’ ও ‘গাছ’, ‘ট্যাক্সিওয়ালা’, ‘নীল পেয়ালা’, ‘সিঁদেল’ , ‘একঝাঁক দেবশিশু’ ও ‘নীলফুল’ এবং ‘বলদ’ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়। ১৯৪৮ সালে দেশ’ পত্রিকায় ধারাবাহিক উপন্যাস সূর্যমুখী প্রকাশিত হয়। এর পর থেকে তিনি সাহিত্যচর্চাকেই জীবিকা হিসাবে বেছে নেন। জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী ১৯৬৫ সালে আনন্দবাজার পত্রিকা থেকে সুরেশচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার ও ১৯৬৬ সালে আনন্দ পুরস্কারে সম্মানিত হন। তাকে কল্লোল যূগের অন্যতম শ্রেষ্ট ছোটগল্পকার ভলে মনে করা হয়। তাঁর উপন্যাসের সংখ্যা ২০টি ও গল্পগ্রন্থ আছে তিপান্নটি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archives.anandabazar.com/e_kolkata/2013/august/atiter_tara.html|শিরোনাম=আনন্দবাজার পত্রিকা - কল-eকাতা|ওয়েবসাইট=archives.anandabazar.com|সংগ্রহের-তারিখ=2020-07-28}}</ref>
 
==তথ্যসূত্র==