"জগদীশ চন্দ্র বসু" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

2409:4066:92:9E58:C821:4186:60F4:A524 (আলাপ)-এর সম্পাদিত 4420911 নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে(স্প্যামলিংক
(2409:4066:92:9E58:C821:4186:60F4:A524 (আলাপ)-এর সম্পাদিত 4420911 নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে(স্প্যামলিংক)
ট্যাগ: পূর্বাবস্থায় ফেরত
=== অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ সৃষ্টি ও প্রেরণ ===
[[চিত্র:M N Saha, J C Bose, J C Ghosh,Snehamoy Dutt, S N Bose, D M Bose, N R Sen, J N Mukherjee, N C Nag.jpg|thumb|কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের [[সত্যেন বোস]], [[মেঘনাদ সাহা]] সহ অন্যান্য বাঙালী বিজ্ঞানীদের সাথে জগদীশ চন্দ্র বসু]]
জগদীশের আঠারো মাসের সেই গবেষণার মধ্যে মুখ্য ছিল অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা। ১৮৯৫ সালে তিনি অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ সৃষ্টি এবং কোন তার ছাড়া এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তা প্রেরণে সফলতা পান। ১৮৮৭ সালে বিজ্ঞনী হের্‌ৎস প্রত্যক্ষভাবে বৈদ্যুতিক তরঙ্গের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bengaliwords.com/jagadish-chandra-bose-biography-in-bengali/|শিরোনাম=আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনী {{!}} Jagadish Chandra Bose Biography In Bengali »|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=2020-07-04|ওয়েবসাইট=Bengali Words|at=|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=2020-07-26}}</ref>।করেন। এ নিয়ে আরও গবেষণা করার জন্য তিনি চেষ্টা করছিলেন যদিও শেষ করার আগেই তিনি মারা যান। জগদীশচন্দ্র তার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে সর্বপ্রথম প্রায় ৫ মিলিমিটার [[তরঙ্গ দৈর্ঘ্য|তরঙ্গ দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট]] তরঙ্গ তৈরি করেন। এ ধরনের তরঙ্গকেই বলা হয়ে অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ। আধুনিক [[রাডার]], [[টেলিভিশন]] এবং মহাকাশ যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই তরঙ্গের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মূলত এর মাধ্যমেই বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ তথ্যের আদান প্রদান ঘটে থাকে।
 
=== উদ্ভিদ udvider janmo in bengali Jagadish Bose