"মূলনীতি কমিটি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(সংশোধন)
<!-- অনুগ্রহ করে এই বিজ্ঞপ্তিটি কোন অবস্থাতেই অপসারণ বা পরিবর্তন করবেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রস্তাবনার উপর আলোচনা শেষ হয়। -->
{{Article for deletion/dated|page=মূলনীতি কমিটি|timestamp=20200702113309|year=২০২০|month=জুলাই|day=২|substed=yes|help=off}}
<!-- শুধুমাত্র প্রশাসকের ব্যবহারের জন্য: {{পুরনো নিঅপ্র বহু|পাতা=মূলনীতি কমিটি|তারিখ=২ জুলাই ২০২০|ফলাফল='''রেখে দেওয়ার'''}} -->
<!-- অপসারণ প্রস্তাবনার বার্তা শেষ, এর নিচে স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পাদনা করুন -->
লিয়াকত আলী খান যখন পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়নের জন্য প্রথম গণপরিষদে সংবিধানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটি আদর্শ প্রস্তাব পেশ করে সেই প্রস্তাব ১৯৪৯ সালের ১২ মার্চ<ref>{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনীতি ও সরকার|শেষাংশ=আহমেদ|প্রথমাংশ=প্রফেসর ইয়াসমিন|বছর=২০০৮|প্রকাশক=মোঃ একরাম উল্লাহ দুলাল|অবস্থান=আজিজিয়া বুক ডিপো, ৩৮ বাংলা বাজার, ঢাকা-১১০০|পাতাসমূহ=|আইএসবিএন=}}</ref> গণপরিষদে পাশ হয়। আদর্শ প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানে ভবিষৎ সংবিধান প্রণয়নের মূলনীতি সম্পর্কে একটি রিপোর্ট তৈরি করার জন্য সর্বদলীয় একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই সর্বদলীয় কমিটির নাম দেয়া হয় 'মূলনীতি কমিটি'। মূলনীতি কমিটি ২৫ জন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয়। এই কমিটির প্রয়োজনবোধে ভবিষ্যতে আরো ১০ জন সদস্য অন্তরভুক্ত করতে পারবে। মূলনীতি কমিটির সভাপতি নিযুক্ত করা হয় গণপরিষদের সভাপতি মৌলভি তমিজ উদ্দিন খান কে এবং সহসভাপতি নিযুক্ত করা হয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান কে। মূলনীতি কমিটিকে আবার চার ভাগে ভাগ করা হয় সংবিধান প্রনয়নের কাজকে সহজ করার উদ্দেশ্যে। চারটি সাব-কমিটি হল, ১) নির্বাচন বিষয়ক সাব-কমিটি। ২) যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রাদেশিক সরকার বিষক সাব-কমিটি। ৩) বিচার বিভাগীয় বিষয়ক সাব-কমিটি। ৪) মৌলিক অধিকার বিষয়ক সাব-কমিটি। সাব-কমিটিকে সংবিধানে বিভিন্ন ধারায় ধর্মীয় বিষয়ে সাহায্যের জন্য আলেমদের সমন্বয়ে 'উলেমা বোর্ড' তৈরি করার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়।
 
২৬,৬৯৫টি

সম্পাদনা