"মার্গারেট সুলাভান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

কর্মজীবন
(প্রারম্ভিক জীবন)
(কর্মজীবন)
 
 
==প্রারম্ভিক জীবন==
সুলাভান ১৯০৯ সালের ১৬ই মে [[ভার্জিনিয়া]] অঙ্গরাজ্যের নরফোকে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কর্নেলিয়াস সুলাভান ছিলেন একজন ধনাঢ্য স্টকব্রোকার এবং তার স্ত্রী গারল্যান্ড কাউন্সিল সুলাভান। তার ছোট ভাই কর্নেলিয়াস ও সৎবোন লুইস গ্রেগরি।<ref>1920 United States FederalCensus</ref> শৈশবের শুরুর বছরগুলোতে তাকে অন্যান্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা হয়েছিল। তিনি পায়ের পেশিজনিত জটিলতায় ভোগছিলেন, যার ফলে তিনি হাটতে পারতেন না এবং ছয় বছর পর্যন্ত তিনি অন্য শিশুদের সাথে মিশতে পারেননি। এই রোগ থেকে আরোগ্য লাভের পর তিনি রোমাঞ্চকর ও বালকসুলভ শিশুতে পরিণত হন এবং তার সামাজিক শ্রেণি সচেতন পিতামাতার মানা সত্ত্বেও দরিদ্র প্রতিবেশী শিশুদের সাথে খেলাধুলা করতে পছন্দ করতনে।করতেন।<ref>কোয়ার্ক, পৃষ্ঠা ৫-৭।</ref>
 
==কর্মজীবন==
সুলাভান ১৯৩৩ সালের ১৬ই মে তার ২৪তম জন্মদিনে হলিউডে আগমন করেন। একই বছর ''অনলি ইস্টারডে'' দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। তিনি সতর্কতার সাথে গল্প নির্বাচন করতেন। তিনি ''অনলি ইস্টারডে'' চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। ১৯৩৩ সালের ১০ই নভেম্বর ''দ্য নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন''-এর পর্যালোচনায় রিচার্ড ওয়াটস জুনিয়র লিখেন, "সুলাভান সহানুভূতি, বুদ্ধিদীপ্ত বাকসংযম ও সত্যনিষ্ঠ অনুভূতি সহকারে বিয়োগান্ত ও প্রেম পিয়াসী নায়িকা চরিত্রে কাজ করেছেন।"<ref>কোয়ার্ক, পৃষ্ঠা ২৭-২৯।</ref>
 
তিনি [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তী জার্মানির পটভূমিতে নির্মিত নাট্যধর্মী ''থ্রি কমরেডস'' চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এতে তিনি তিনজন যুদ্ধফেরত জার্মান সৈনিকের সাথে পরিচিত হন এবং ঘটনাক্রমে তাদের একজনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই কাজের জন্য নিউ ইয়র্ক চলচ্চিত্র সমালোচক সমিতি তাকে বর্ষসেরা অভিনেত্রী বলে ঘোষণা করে এবং তিনি [[শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার]]ের মনোনয়ন লাভ করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=The 11th Academy Awards {{!}} 1939 |ইউআরএল=https://www.oscars.org/oscars/ceremonies/1939 |ওয়েবসাইট=অস্কার |প্রকাশক=[[একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস]] |সংগ্রহের-তারিখ=১৬ জুলাই ২০২০ |ভাষা=en}}</ref>
 
==তথ্যসূত্র==