"পাখি পরিযান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(→‎রোগের বিস্তার: তথ্য সংযোজন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
== পরিযায়ী পাখির বিভ্রান্তিমূলক নাম ==
[[চিত্র:Pied Cuckoo (Clamator jacobinus) at Hyderabad, AP W 142.jpg|thumb|left|[[চাতক]]]]
বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়, টেলিভিশনে, বই-পুস্তকে অনেকে পরিযায়ী পাখিদেরকে অজ্ঞতাবশত ''অতিথি পাখি'', ''গেস্ট বার্ড'', ''ভিনদেশি পাখি'' বা ''বিদেশি পাখি'' হিসেবে অভিহিত করে। আবার [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] পরিযায়ী পাখি বললেই ধরে নেওয়া হয় কেবল শীতকালে আসা [[হাঁস]] আর [[রাজহাঁস|রাজহাঁসকে]]। এ হিসেবে [[কালিম|কালেম]], [[ডাহুক]] বা [[ছোট সরালীকেও]] শীতের পাখি হিসেবে অভিহিত করা হয়, যদিও এরা বাংলাদেশের নির্ভেজাল স্থানীয় বাসিন্দা প্রজাতির পাখি। পরিযায়ী পাখিমাত্রই যে হাঁসজাতীয় ও [[জলচর পাখি]], এমনটা নয়। পরিযায়ী পাখির এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে [[খঞ্জন|খঞ্জনা]] (Wagtails), [[চটক]] (Flycatchers), [[মাঠ চড়ুই]] (Larks), [[কসাই পাখি]] (Shrikes), [[গাঙচিল]], বিভিন্ন শিকারি পাখি ইত্যাদি।<ref>''বাংলাদেশের পাখি'',name="আলী রেজা খান, বাংলা একাডেমি, ঢাকা (২০০৮), পৃ. ২৩।<"/ref>
তাছাড়া পরিযায়ী পাখি [[বসন্ত]]ে বা [[শরৎ]]কালেও আসতে-যেতে পারে।<ref>ড. খান, আলী রেজা (২০১৯). ''আমাদের পরিযায়ী পাখি বা মাইগ্রেটরি বার্ড!''. মহাবৃত্ত (সংখ্যা ৪: অক্টোবর-ডিসেম্বর), ঢাকা</ref>
 
১,৭৬,৪২২টি

সম্পাদনা