উইকিপিডিয়া:উইকিপিডিয়া কী নয়: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
শ্রীনিম্বার্ক সম্প্রদায়ী স্বভূরাম দেবাচার্য্য দ্বারানুবর্ত্তী বর্তমান ৫৭তম আচার্য্য, ব্রজবিদেহী মহন্ত অন্ততশ্রীবিভূষিত পরম পূজ্যপাদ শ্রী গুরুদেব স্বামী রাসবিহারী দাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজজী পৌষ মাসে কৃষ্ণপক্ষ তিথিতে আবির্ভূত হন।তিনি নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের শ্রী মহন্ত ও প্রবর্তক। সারা বিশ্ব ব্যাপী নিম্বার্ক মন্দিরে এই অনুষ্ঠান পালিত হয় এবং শ্রী শ্রী গোপাল মহাযজ্ঞ, অখণ্ড হরিনাম সংকীর্তন ,আদি আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুণ্য আবির্ভাব মহোৎসব মহাসমারোহে প্রতি বৎসর উদযাপিত হয়।
{{policy|WP:NOT|WP:!|WP:নয়}}{{নীতিতালিকা}}
 
------অমৃৃত বাণী সমূহঃ------
উইকিপিডিয়া একটি অনলাইন [[বিশ্বকোষ]]। এখানে অনলাইন ব্যবহারকারীদের একটি সম্প্রদায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে একটি উৎকৃষ্ট বিশ্বকোষ নির্মাণে আগ্রহী। উইকিপিডিয়া আসলে কী, তার চেয়ে '''উইকিপিডিয়া কী নয়''', তা জানাটা অপেক্ষাকৃত সহজতর এবং অবদানকারীর জন্য জরুরী।
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ }
 
শারীরিক রোগ যেমন , বহুমুত্র , মাথাব্যাথা , পেটব্যাথা ইত্যাদি । এইগুলি ঠিক রোগ নয় , এইগুলি ভোগ , এই ভোগ শরীরে আসে-যায় । ঔষধ খাইলে ভাল হয় , কিন্তু আসল রোগ হইল কাম , ক্রোধ , লোভ ও মোহ ইত্যাদি । এইগুলি কৃষ্ণনাম ও কৃষ্ণস্মরণরূপ ঔষধপানে তিরোহিত হয় ॥~অমৃতবাণী~
 
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
বয়ঃসন্ধির সময় ছেলে মেয়েদের ধর্ম্মে মতি রাখিবার পরিবেশ সৃষ্টি করিতে হয় । পিতা মাতাই তাহার সন্তানদের বিভিন্ন জাগতিক রঙ্গীন বস্তুতে রাঙ্গিয়ে দিয়ে আত্মসুখ পায় , ভবিষ্যতে যখন সন্তানের চাওয়ার গন্ডী , পাওয়ার গন্ডীকে অতিক্রম করতে চায় তখন সে আর বাধ্য থাকেনা , সুতরাং শৈশব থেকেই শাস্ত্র পুস্তকাদি পাঠ , সৎ আলোচনা , সৎভাবনা জাগরন , গুরুতীর্থ অনুরাগ প্রভৃতির মাধ্যমে সন্তান পালন করিতে হয় , এরূপ থাকিলে সন্তান কখনো বিপথগামী হইবে না ।।
 
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ }
 
সমর্পণ অর্থাৎ সম্যক্ অর্পণ যা আছে সবটাই অর্পণ করিতে হইবে । যাহা দিবার পর নিজের কাছে কিছুই আর থাকে না , তবেই হবে সমর্পণ । আমার যা কিছু আছে সবই তোমার থেকেই ধার করা সুতরাং আমি সবকিছুই তোমার চরণে সমর্পণ করিলাম । এইরূপে যিনি ভগবৎচরণে আত্মসমর্পণ করিতে পারিবেন তাহার প্রতিই শ্রীভগবান পূর্ণরূপে প্রকাশ পান এবং সমর্পণকারীর সর্ব প্রকার কল্যাণসাধন করেন ॥~ অমৃতবাণী ~
 
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
সমর্পণ অর্থাৎ সম্যক্ অর্পণ যা আছে সবটাই অর্পণ করিতে হইবে । যাহা দিবার পর নিজের কাছে কিছুই আর থাকে না , তবেই হবে সমর্পণ । আমার যা কিছু আছে সবই তোমার থেকেই ধার করা সুতরাং আমি সবকিছুই তোমার চরণে সমর্পণ করিলাম । এইরূপে যিনি ভগবৎচরণে আত্মসমর্পণ করিতে পারিবেন তাহার প্রতিই শ্রীভগবান পূর্ণরূপে প্রকাশ পান এবং সমর্পণকারীর সর্ব প্রকার কল্যাণসাধন করেন ॥~ অমৃতবাণী ~
 
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
সর্ব্বাবস্থায় সর্ব্বঘটে সববিষয়ে ভগবানকে ধরিয়া রাখ । তিনি একটা অদৃশ্যশক্তি , অলক্ষ্য শক্তিরূপে আমাদের এই শরীরাভ্যন্তরে প্রবেশ করিয়া মানস-ইন্দ্রিয়-শরীর সকলকে পরিচালনা করিতেছেন । এই ভাব অবলম্বন করিয়া যদি আমরা চলি তবে যতই আপদ বিপদ বিপত্তি সমস্যা হউক না কেন আমরা শ্রীভগবান কর্ত্তৃক পূর্ণরূপে সংরক্ষিত হইব । ইহাতে কোন সন্দেহ নাই ॥~ অমৃতবাণী ~
 
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
তোমরা যেখানেই থাক না কেন , যেভাবেই থাক না কেন , যে অবস্থায় থাক না কেন , যেখানেই ( এই ) কৃষ্ণনাম উচ্চারিত হইবে , আস্বাদিত হইবে সেখানকার সমস্ত , আকাশ , বাতাস পবিত্রীকৃত হইয়া যাইবে ॥~ অমৃতবাণী ~
 
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
শ্রীগুরুর চরণ শরণভিন্ন এই সংসার সাগর হইতে মুক্তি পাওয়া সুকঠিন । এ বিষয়ে সমস্ত শাস্ত্রকারগণ একমত । হরিভক্তি কৃপায় গুরুলাভ হয় । গুরু শিষ্যের সম্পর্ক জন্ম জন্মান্তরের । গুরু কে খুঁজিতে হয় না । খুঁজিয়া পাওয়াও যায় না । তিনি নিজেই কৃপা করিয়া আসিয়া ধরা দেন । কৃপা অবশ্য সাধন সাপেক্ষ ॥
 
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ }
 
যে যাই সেবা কর না কেন প্রতিদিন নিয়মিত রূপে গুরু প্রদত্ত মন্ত্রজপ করিতে হইবে । প্রত্যহ মন্ত্রজপ সাধন করিতে হইবেই । ইহাই চিত্ত শুদ্ধির প্রধান নিদান জানিবে ॥~ অমৃতবাণী ~
 
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
স্বর্ণাদি আভূষণ কাহারো অলঙ্কার নয় , তোমার ব্যবহার , সেবাবুদ্ধি , গুরুদেব দ্বিজে ভক্তি এইগুলিই আসল অলঙ্কার ॥ অমৃতবাণী
 
১০
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ }
 
অশান্তি থেকে জীবকে যিনি ত্রান করেন সমস্ত অশুভ থেকে জীবকে যিনি রক্ষা করেন তাহাকেই বলা হয় মন্ত্র । সুতরাং ভগবৎ নাম বা এইমন্ত্রজপ করিলে ভগবান রক্ষা কবচের মতো , ছায়ার মতো সেই জপকারীকে রক্ষা করেন –
 
"মননাৎ ত্রায়তে যস্মাৎ তস্মাৎ সঃ মন্ত্র" ॥~ অমৃতবাণী ~
 
১১
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
যে যাই সেবা কর না কেন প্রতিদিন নিয়মিত রূপে গুরু প্রদত্ত মন্ত্রজপ করিতে হইবে । প্রত্যহ মন্ত্রজপ সাধন করিতে হইবেই । ইহাই চিত্ত শুদ্ধির প্রধান নিদান জানিবে ॥~ অমৃতবাণী ~১২
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
এই মানবজন্ম দূর্লভ । কেবল আমাদের জন্য দূর্লভ নয় , দেবদূর্লভও বটে । তাই এইরূপ মূল্যবান মানবযোনিতে জন্মনিয়া যদি আমরা ভগবৎকৃপা লাভ না করিতে পারি , তাহা হইলে আমাদের জন্ম , যৌবন , কূল , তৎসমস্তকেই ধিক্কার ॥ অমৃতবাণী
 
১৩
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ }
 
যে ভগবানের নাম করিবে সেই ভগবৎ কৃপা লাভ করিবে , শ্রীভগবান শ্রীমদ্ভগবদগীতাতে একই কথা বলিয়াছেন সুতরাং তোমাদের বিষন্ন মন হইবার দরকার নাই বা অনুৎসাহিত হতোৎসাহিত হইয়া লাভ নাই , ভগবৎ নাম যেখানেই কর না কেন শ্রীপ্রভূর অজস্র কৃপাশীর্বাদ তোমাদের প্রতি নিরন্তর বর্ষিত হইবে , কোন সন্দেহ নাই ॥~ অমৃতবাণী ~
 
১৪
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
তাঁহার সেবার জন্য তাঁহার প্রসন্নতার জন্য এই ভাব নিয়া সংসারে থাকিলে এবং আমার স্ত্রী এবং আমার পুত্র কে ভগবানই পাঠাইয়াছেন , এইরূপ সবদিক থেকে সর্ব্বতোভাবে ভগবৎ চিন্তা করিলে সে ব্যক্তি সংসারে কখনো বন্ধনপ্রাপ্ত হয় না । তাঁহার কর্ম্ম যজ্ঞময় হইয়া যায় , সমস্ত কর্ম্ম হয় সেবাপূজা মূলক । সে সর্বত্র সংসার বন্ধন মুক্ত হইয়া অচিরাৎ ভগবৎ কৃপা লাভ করিতে সমর্থ হয় ॥ শ্রীশ্রীরামদাসাষ্টকম্
 
অগ্ন্যাদিমধ্যহটযোগতপঃসুতপ্তঃ ,
 
ভুক্তং ভয়ঙ্কর-বিষং নিজশিষ্যদত্তম্ ।
 
ধর্মোপদেশনিপুণঃ মহতাং বরেণ্যঃ ,
 
শ্রীরামদাস ! ননু পাহি নিরাশ্রয়ং মাম্ ।।৭।।
 
স্বামী রামদাসজী মহারাজ প্রায় পঞ্চধুনিতে বসিতেন । সাধু সমাজে ত্যাগীগণ (ত্যাগী সাধুগণ) এইরকম পাঁচটি বা ততোধিক ধুনি মন্ত্রপূতঃ করিয়া চারিপার্শ্বে কাণ্ডা সাজাইয়া তন্মধ্যে বসিয়া জপ করিতে বিশেষতঃ কুম্ভমেলায় পরিলক্ষিত হয়েন । তদ্রূপ রামদাসজী মহারাজ চারিদিকে ধুনি লাগাইয়া তাহার মধ্যবর্ত্তী স্থানে কঠোর হটযোগাদি মহাসাধনা ও সুকঠোর তপস্যা করিতেন এবং যিনি লীলাবিস্তার হেতু নিজ শিষ্য শ্রীমান্ পুষ্কর দাস কর্ত্তৃক প্রদত্ত ভয়ঙ্কর বিষ (সংখিয়া বিষ) কয়েকবার প্রসাদ মনে করিয়া ইচ্ছাপূর্ব্বক সেবন করিয়াছিলেন । ঐ ভয়ঙ্কর বিষ গ্রহণ করিয়াও তিনি দীর্ঘকাল সুস্থ থাকিয়া মুমুক্ষু কলিহত জীব ও সাধকদের ধর্ম বিষয়ক উপদেশ শাস্ত্রীয় যুক্তি অবলম্বনে দিয়া গিয়াছেন । যিনি সমস্ত পণ্ডিত , সুধী ও মহাপুরুষ এবং মহাজন ব্যক্তি কর্ত্তৃক নিরন্তর পূজিত ও পরিশোভিত হইয়াছেন সেই পরম মুনিবর মহাপুরুষাগ্রগণ্য ভগবৎ স্বরূপ স্বামী রামদাসজী কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ মদীয় নিরাশ্রয়ীকে সদা সর্ব্বদা আধ্যাত্মিক , আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক এই ত্রিতাপ হইতে পুনঃ পুনঃ রক্ষা করুন । ।।৭।।
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ কর্ত্তৃক বিরচিত } অমৃতবাণী
 
১৬
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ }
 
ভগবৎ নির্ভরশীল ভক্তিমান জীব সংসার যুদ্ধক্ষেত্রে প্রথমতঃ আপাত দৃষ্টিতে অশেষ দুঃখ ভোগগর্তে নিপতিত হইয়াও পরিশেষে কল্যাণপদ লাভ করে । পক্ষান্তরে পাশবিক বৃত্তিসম্পন্ন বিপরীত পথানুগামী জীব আপাততঃ সাময়িক "জয়" সুখভোগে অতিশয় প্রফুল্লিত হইয়াও শেষে "পরাজয়" দুঃখের অতল সাগরে নিমজ্জিত হয় ॥~ অমৃতবাণী ~
 
১৭
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
জীব যখন সাধনা করে বা ভগবৎ আলোচনায় জীবনের অমূল্য সময়গুলিকে অতিবাহিত করে তখন জীবের উপর-জীবের মনে বা শরীরে – নানারকম ভোগ , রোগশোক আসে । ইহাতে সাধকগণ বিচলিত হন না । এ বিষাদকে তাঁহারা প্রসাদ মনে করেন ॥~ অমৃতবাণী ~
 
১৮
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
মোক্ষই মানবজীবনের চরম লক্ষ্য , তাই উপস্থ ইন্দ্রিয় ও জিহ্বা ইন্দ্রিয় দ্বারা পশুর ন্যায় বিষয়ভোগ করিয়া মানবজীবনকে পশুজীবনে পরিণত করিবে না , উপস্থ ইন্দ্রিয় ও জিহ্বা ইন্দ্রিয় দ্বারা পশুজন্মে তুমি অনেক কিছু তৃপ্তিসহকারে ভোগ করিয়াছ , কিন্তু মানব জন্ম ভোগের জন্য নয়-ঈশ্বর দর্শনের জন্য ॥ অমৃতবাণী
 
১৯
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ }
 
কৃষ্ণ ভক্তি হৃদয়মন্দিরে উপলব্ধি হইলে সংসারে অশান্তি থাকিবে না , এই সংসার অমৃতময় হইবে এই হইল Visual Realisation । এই সংসার অমৃতভাণ্ড । শুধু আপনারা নিরানন্দে আছেন । এইজন্য এই সংসারটিকে নিরানন্দ বলিয়া মনে হয় । কিন্তু প্রকৃত অর্থে সংসার নিরানন্দ নয় । আসক্তিটাই হইল নিরানন্দ ।।~ অমৃতবাণী ~
 
২০
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
বীজ যখন মাটিতে পোঁতা হয় কিছুই বোঝা যায় না কিন্তু অঙ্কুরিত হইলে মহা মহীরুহে পরিণত হয় , ঠিক তদ্রুপ এই মন্ত্ররূপী বীজ যে আমাদের মধ্যে প্রবিষ্ট হইয়াছে গুরুনির্দিষ্ট পন্থা অবলম্বনে সেটি জপ করিলে ধীরে ধীরে সেই বীজ অঙ্কুরিত হয় । অঙ্কুরিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মনের যে মলিনতা , অজ্ঞানতা , জড়তা সে সমস্তই দূরীভূত হইয়া নিত্যকৃষ্ণদাসত্ত্বরূপ ভগবৎস্বরূপ আমরা অবগত হই ।।~ অমৃতবাণী ~
 
২১
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
সকলের সাথে যথাযথ মর্য্যাদা সহকারে ব্যবহার করিবে । কাহারো প্রতি অবজ্ঞা বা অমর্য্যাদা প্রকাশ করিলে তাহা পরোক্ষভাবে ভগবানকে অমর্য্যাদা করা হয় , সকলের মধ্যে তিনি আছেন , ইহা বিচার করিয়া চলিলে সকল দ্বন্দ্বের অবসান হয় ।।~ অমৃতবাণী ~
 
২২
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
"নামজপ" এমন জিনিস যে সাধনার দ্বারা , অষ্টাঙ্গ যোগের দ্বারা যে সাধনতত্ত্বকে উপলব্ধি করা যায় , এই নামের দ্বারা ঠিক সেই সাধনতত্ত্বকে উপলব্ধি করা যায় – যজ্ঞানাংজপযজ্ঞোহস্মি ।।~ অমৃতবাণী ~
 
২৩
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
কলিযুগে হরিনাম কীর্ত্তনে কোন পরিশ্রম নাই – শুধু জিহ্বা নাড়াইয়া যাওয়া সময়ে-অসময়ে , চলিতে - ফিরিতে একটু জিহ্বা কে নাড়াইয়া শ্রীনাম জপ করিয়া যাওয়া – তাতেই ফললাভ হইবে ।। শ্রীশ্রীরামদাসাষ্টকম্
 
শ্রীদেবদাসগুরুপাদসরোজভৃঙ্গঃ ,
 
গুর্ব্বাদিযোগনিখিলং সমবাপ্তবান্ যঃ ।
 
শিষ্যোচিতপ্রমুখদৈবগুনান্বিতশ্চ ,
 
শ্রীরামদাস ! ননু পাহি নিরাশ্রয়ং মাম্ ।।১।।
 
বঙ্গানুবাদ :- অত্র ছন্দবদ্ধ আটটি শ্লোকের দ্বারা শ্রীশ্রী কাঠিয়া বাবাজী রামদাসজীর পূত জীবন চরিত্র প্রসঙ্গ বর্ণিত হইয়াছে । সাধারণতঃ আধ্যাত্মিক জীবনে শ্রীগুরুদেবের প্রয়োজনীয়তা বা মূল্য গোবিন্দ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর বলিয়া সাধকগণ ব্যাখ্যা করেন । শ্রীশ্রী রামদাস কাঠিয়া বাবার পুণ্য জীবন চরিত ইহার ব্যতিক্রম নয় । শ্রীশ্রীরামদাসজীর পুণ্য জীবন চরিত্রামৃত অনুধ্যান করিলে পরিজ্ঞান হয় যে , তাঁহার শ্রীগুরুদেবই তাঁহার জীবনের শিরোমুকুটমণি ছিলেন । শ্রীগুরুদেবই তাঁহার মানস ও হৃদয়গত অজ্ঞানান্ধকার নিরাকরণ করতঃ জ্ঞানপ্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করেন । ফলস্বরূপ তিনি অজ্ঞানাবৃত দৈবী মায়া গণ্ডী (মায়া সমুদ্র) পার হইয়া পরম যোগীবর হইতে সমর্থ হইয়াছিলেন । ভারতে স্বনামধন্য মহাপুরুষ হইয়াছিলেন । সুতরাং সাধকজীবনে এবং সদ্গৃহস্থ জীবনেও শ্রীগুরুদেবের কৃপা মহিমা অপার , অসীম ও অপরিসীম ।
 
তাই শ্রীরামদাস কাঠিয়াবাবার পুণ্য লীলানুকীর্ত্তন অষ্টকের শুভারম্ভে শ্রীরামদাসজীর প্রসন্নতা হেতু ও শাস্ত্র মর্যাদা নিবন্ধন লেখা হইয়াছে – "শ্রীদেবদাসগুরুপাদপরাগভৃঙ্গম্ ।" অতএব যোগী "শ্রীদেবদাসজী" গুরুপাদের পুণ্যনাম দ্বারাই শ্লোকের শুভারম্ভ করিলাম ।
 
শ্লোকার্থ :- যিনি পরমারাধ্য পরাৎপর শ্রীগুরুদেব শ্রীশ্রী ১০০৮ স্বামী দেবদাসজী কাঠিয়া বাবাজী মহারাজজীর শ্রীচরণকমল পরাগের বম্ভ্রম্যমান ভৃঙ্গস্বরূপ , যিনি শাস্ত্রনির্দিষ্ট শ্রীগুর্ব্বাজ্ঞানুবৃত্তি যোগ বা শরণাগতি যোগের সমস্ত সাধনতত্ত্বামৃত (শ্রীগুরুদেব বা শ্রীভগবচ্চরণে মন , বুদ্ধি , চিত্ত , অহঙ্কার , ধন , যৌবন , বাড়ী , গাড়ি , হাড়ি , শাড়ী ও নিজের বলিতে সংসারে যাহা কিছু আছে সর্বস্ব , এমন কি সিদ্ধ সাধকদের ভাবনায় কাম , ক্রোধ , লোভ , মোহ , মদ , মাৎসর্য , লজ্জা , ঘৃণা , ভয় ইত্যাদি নিঃসন্দেহে , নিঃসঙ্কোচে , নির্ব্বিচারে তথা নির্বিকারে সমর্পণ করাই শাস্ত্রীয় গুর্ব্বাজ্ঞানুবৃত্তি যোগ ও শরণাগতি যোগ ) শ্রীগুরুকৃপায় অধিগত হইয়া জীবনে পরমযোগীরাজ পদ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন । যাহার নিকট কৃপাবলে সর্ব্বপ্রকার সৎশিষ্যোচিত দৈবগুণ (অভয় চিত্তশুদ্ধি , তত্ত্বজ্ঞানোপায় নিষ্ঠা , দান , দম , সংযম , যজ্ঞ , স্বাধ্যায় , তপস্যা , সরলতা , অহিংসা , সত্য , ক্রোধহীনতা , পূর্ণত্যাগ , শান্তি , অখণ্ড সন্তোষ , পরনিন্দা পরিহার , জীবে দয়া , লোভহীনতা , অক্রূর , তেজ , ক্ষমা , ধৃতি , বাহ্যাভ্যন্তরশুচিতা , অবৈধভাব , অভিমানশূন্যতা ) সকল পূর্ণরূপেণ প্রকাশ পাইয়াছিল বা যিনি সর্ব্বপ্রকার দৈবগুণ যুক্ত ছিলেন , সেই সাধকাগ্রগন্য মহাপুরুষ অনন্ত শ্রীবিভূষিত স্বামী রামদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজজী এই সংসার ঘোরে নিরাশ্রয় দীন , হীন , ভক্তিহীন আমাকে কৃপা করিয়া রক্ষা করুন । এই প্রার্থনা তাঁহার রাতুল চরণ কমলে রহিল ।।১।।
 
{ শ্রীশ্রী১০৮ স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ কর্ত্তৃক বিরচিত }~ অমৃতবাণী ~
 
২৪
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }~ অমৃতবাণী ~
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
ভগবৎ চিন্তা করিতে করিতে , ভগবদ্ধ্যান করিতে করিতে , ভগবৎ অনুধ্যান করিতে করিতে যদি সংসার করা হয় তবে – গীতার যজ্ঞ হইবে – " মামনুস্মর যুদ্ধ চ " ।।~ অমৃতবাণী ~
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
২৫
 
ভগবৎ চিন্তা করিতে করিতে , ভগবদ্ধ্যান করিতে করিতে , ভগবৎ অনুধ্যান করিতে করিতে যদি সংসার করা হয় তবে – গীতার যজ্ঞ হইবে – " মামনুস্মর যুদ্ধ চ " ।।~ অমৃতবাণী ~
 
{ শ্রীশ্রী ১০৮স্বামী রাসবিহারীদাস কাঠিয়া বাবা }
 
২৬
 
শরীরের রক্ষা বা পালন করা হয় কেবলমাত্র ধর্ম্মাচরণের জন্য , বিষয়ভোগের জন্য নহে । আর ধর্ম্ম আচরণ করা হয় আধ্যাত্মজ্ঞান লাভের জন্য এবং ঐ জ্ঞান লাভের দ্বারাই মোক্ষপ্রাপ্তি সুলভ হয় ।।
 
সংসার বন্ধনের কারণ নয় , সংসারে যে আসক্তি অথবা মায়ামোহ ইহাই বন্ধনের কারণ ।। শ্রীশ্রীগুরুদেবের অভয়বাণী -
 
-শ্রীক্ষেত্র পুরী -
 
বিপদ আসিয়াছে বলিয়া ভীত হইবে না।শ্রীভগবান সহায় থাকা সত্ত্বেও পঞ্চপাণ্ডব কিরূপ বিপদের মধ্যে কত দীর্ঘকাল ছিলেন। স্বয়ং ভগবান রামচন্দ্র কত বিপদের মধ্যে পড়িয়াছিলেন। সে সমস্ত বিপদের সহিত তূলনা করিয়া তোমার বিপদ কতটুকুই বা ? ইহা বিবেচনা করিয়া দেখিবে। বিপদ আসিলেই কৃপা নাই, এরূপ মনে করা উচিৎ নয়।এই বিপদের মধ্য দিয়াও তাঁহার কৃপা তোমাদের প্রতি অজস্র ধারায় বর্ষণ হইতেছে, ইহা অনুভব করিতে অভ্যাস করিবে। এই সময় (lockdown) খুব জপ-তপ, সাধন-ভজন, করিবে। উচ্চস্বরে হাতে তালি দিয়ে কীর্তন করবে। এই নাম সংকীর্তন এর প্রভাবে, ভাগবত নামের শব্দতরঙ্গে সমস্ত বিপদ কাটিয়া যাইবে। ভগবত নামে যুক্ত ভক্তদের কোন অশুভ শক্তি, কোন ভাইরাস কোন ক্ষতি করতে পারবেনা।।......
 
অখিল ভারতীয় বৈষ্ণব চতু:সম্প্রদায় শ্রীমহন্ত ১০৮ স্বামী রাসবিহারী দাস কাঠিয়া বাবা।
 
== রচনাশৈলী ও বিন্যাস ==