"আলফা কণা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(তথ্য সংযোজন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
'''আলফা কণা''' (ইংরেজিতেঃ Alpha particle) আসলে [[হিলিয়াম]] [[নিউক্লিয়াস]]। হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে থাকে দুটি [[প্রোটন]] আর দুটো [[নিউট্রন]]।আলফা কণার গতিবেগ আলোর বেগের ১০ ভাগ। এর ভর হাইড্রোজেন পরমাণুর চার গুণ। এর ভর বেশি হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতা কম। এ কণা ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
কোন নিউক্লিয়াস থেকে যদি একটা আলফা কণা বের হয়ে আসে তাহলে সেই পরমাণুর [[পারমাণবিক সংখ্যা]] কমবে দুই ঘর, [[নিউক্লিওন]] সংখ্যা কমবে চার ঘর। যেমনঃ [[ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়ামের]] একটি [[আইসোটোপ]] আলফা কণা বিকিরণ করে [[থোরিয়াম|থোরিয়ামের]] একটি [[আইসোটোপ|আইসোটোপে]] পরিণত হয়। একটা নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যখন একটা আলফা কণা বের হয়ে আসে তখন তার শক্তি থাকে কয়েক <math>MeV</math> কাজেই সেটা যখন বাতাসের ভেতর দিয়ে যায় তখন বাতাসের [[অণু]]-[[পরমাণু]]র সাথে সংঘর্ষ করে সেগুলোকে তীব্রভাবে আয়নিত করতে পারে। আলফা কণার গতিপথ হয় সরল রেখার মতো-সোজাসুজি এগিয়ে যায়। তবে আলফা কণা যেহেতু হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস, তাই এটা পদার্থের ভেতর দিয়ে বেশি দূর যেতে পারে না-এটাকে থামিয়ে দেয়া সহজ। বাতাসের ভেতর দিয়ে ৬cm যেতে না যেতেই এটি বাতাসের অণু-পরমাণুকে তীব্রভাবে আয়নিত করে তার পুরো শক্তি ক্ষয় করে থেমে যায়। একটা [[কাগজ]] দিয়েই আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায়। জিংক সালফাইড পর্দায় এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
আলফা কণা যাবার সময় অনেক [[ইলেকট্রন]] এবং [[আয়ন]] তৈরি করে, সেগুলো নানাভাবে নির্ণয় করা যায়। বর্তমানে ইলেকট্রনিক্সের অনেক উন্নতি হওয়ায় এই ধরনের আলফা কণার উপস্থিতি বের করা আরো সহজ হয়ে গেছে।<ref>পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ - মুহম্মদ জাফর ইকবাল</ref>
 
আলফা ক্ষয় উত্পাদন উত্পাদন
 
বিটা ক্ষয়ের বিপরীতে, আলফা ক্ষয়ের জন্য দায়ী মৌলিক মিথস্ক্রিয়াগুলি বৈদ্যুতিন চৌম্বকীয় শক্তি এবং পারমাণবিক শক্তির মধ্যে ভারসাম্য। আলফা ক্ষয়টি আলফা কণা এবং নিউক্লিয়াসের বাকী নিউক্লিয়াসের মধ্যে কলম্বম্ব বিকর্ষণ [২] এর ফলস্বরূপ, যার উভয়ই ইতিবাচক বৈদ্যুতিক চার্জ রয়েছে, তবে যা পারমাণবিক শক্তি দ্বারা তদারক করা হয়েছিল। শাস্ত্রীয় পদার্থবিজ্ঞানে, আলফা কণাগুলির নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তিশালী বল থেকে পালাতে পর্যাপ্ত শক্তি থাকে না (এর মধ্যে একটি শক্তিশালী শক্তিটি কূপের একপাশে পালানো জড়িত থাকে, যা বৈদ্যুতিনবৈদ্যু্তিক চৌম্বকীয় শক্তির দ্বারা অনুসরণ করে যার ফলে একটি বিপর্যয় ঘটে। অন্যদিকে)।
 
তবে কোয়ান্টাম টানেলিং এফেক্ট পারমাণবিক শক্তি প্রতিরোধ করার মতো পর্যাপ্ত শক্তি না থাকা সত্ত্বেও আলফাগুলিকে পালাতে সক্ষম করে। এটি তরঙ্গের প্রকৃতির বিষয়টি দ্বারা অনুমোদিত, যা আলফা কণাকে নিউক্লিয়াস থেকে এতদূর অঞ্চলে কিছুটা সময় ব্যয় করতে দেয় যে বিপরীতমুখী বৈদ্যুতিন চৌম্বকীয় শক্তি থেকে তার সম্ভাব্যতাকে পারমাণবিক শক্তির আকর্ষণের জন্য পুরোপুরি ক্ষতিপূরণ দেয় । এই জায়গা থেকে, আলফা কণা পালাতে পারে এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সে একটি নির্দিষ্ট সময়ের পরে, তারা তা করে।
২টি

সম্পাদনা