"শরিয়াহ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র যোগ করতে চাই!
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(→‎তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র যোগ করতে চাই!)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
ঐতিহ্যগতভাবে ইসলামিক আইনশাস্ত্রে  চারটি উৎসকে শরীয়ার স্বীকৃত উৎস হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এগুলো হচ্ছে ধর্মীয় গ্রন্থ কুরান, [[সুন্নাহ]] (বিশুদ্ধ হাদিস), [[কিয়াস]] (যৌক্তিক সাদৃশ্য) এবং [[ইজমা]] (আইনজ্ঞদের ঐক্যমত)। বিভিন্ন [[মাযহাব]] (ব্যবহারশাস্ত্র মতবাদ)  যাদের মধ্যে [[হানাফি]], [[মালিকি|মালিকী]], [[শাফিঈ]], [[হানবালি|হাম্বলী]] এবং জাফরি মাযহাব প্রসিদ্ধ, শাস্ত্রীয় উৎস সমূহ হতে শরীয়ার আইন নির্ণয়ের জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে, তা [[ইজতিহাদ]] নামে পরিচিত। প্রথাগত ব্যবহারশাস্ত্র বা ফিকহশাস্ত্রে শরীয়া আইনসমূহকে দুইটি প্রধান ভাগে ভাগ করে থাকে। এ দুটি বিভাগ হচ্ছে ইবাদত (প্রার্থনা) সম্পর্কিত শরীয়া এবং মুয়ামালাত ( সামাজিক সম্পর্ক ও মিথষ্ক্রিয়া) সম্পর্কিত শরীয়া ।  শরীয়া আইনে কোন কর্ম সংঘটনকে বিচারিক বিশ্লেষণ করতে আইনগত অবস্থার পাশাপাশি  নৈতিক মানদন্ডেও বিবেচনা করা হয় এবং এ কারণে শরীয়তের সিদ্ধান্তসমূহ আবশ্যিক, প্রণোদনামূলক,নিরপেক্ষ,ঘৃণ্য ও নিষিদ্ধ –এই পাঁচ শ্রেণির যে কোন একটির অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে। এ কারণে, শরীয়া সিদ্ধান্তসমূহের কিছু কিছু ক্ষেত্র পাশ্চাত্যের আইনশাস্ত্রের সিদ্ধান্তসমূহের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ এবং অন্যান্য সিদ্ধান্তসমূহ, বিশেষত প্রাত্যহিক জীবনাচার সম্পর্কিত বিষয়গুলো স্রষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা}}
২,৩৫৮টি

সম্পাদনা