"ইউরোপ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
১৯৩৩ সালে, হিটলার জার্মানির নেতা হয়ে ওঠে এবং বৃহত্তর জার্মানি নির্মাণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। জার্মানি পুনরায় প্রসারিত হয়ে ১৯৩৫ এবং ১৯৩৬ সালে [[Saarland|সারল্যান্ড]] এবং [[Rhineland|রাইনল্যন্ড]] দখল করে নেয়। ১৯৩৮ সালে, [[Anschluss|আঞ্চলাসের]] পরে [[অস্ট্রিয়া]] জার্মানির একটি অংশ হয়ে ওঠে। পরে সেই বছরই, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং ইতালি [[Munich Agreement|মিউনিখ চুক্তি]] স্বাক্ষর করে। জার্মানি [[Sudetenland|সুদেতেনল্যান্ড]] দ্বারা সংযুক্ত হয়, যা জাতিগত জার্মানরা দ্বারা অধ্যুষিত [[চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ার]] একটি অংশ ছিলো। ১৯৩৯ সালের প্রথম দিকে চেকোস্লোভাকিয়ার অবশিষ্টাংশ জার্মানি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বোহেমিয়া ও মোরাভিয়ার প্রটেকটোরেট ও [[Slovak Republic (1939–1945)|স্লোভাক প্রজাতন্ত্রে]] বিভক্ত হয়। ঐ সময়ে, ব্রিটেন ও ফ্রান্স তুষ্ট করার নীতি অবলম্বন করছিলো।
 
[[File:HamburgRoyal afterAir theForce 1943Bomber bombingCommand, 1942-1945. CL3400 (cropped).jpg|thumb|[[হামবুর্গ|হামবুর্গের]] পোড়া ভবন, ১৯৪৪ বা ৪৫]]
ডানজিগের ভবিষ্যতকে কেন্দ্র করে জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বাড়তে থাকে, জার্মানরা সোভিয়েত দিকে সরে গিয়ে এবং মলতভ-রিবেন্ত্রপ চুক্তি স্বাক্ষর করে, যা সোভিয়েতকে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো এবং পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার অংশ আক্রমণ করার অনুমোদন দেয়। জার্মানি ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে [[Invasion of Poland|পোল্যান্ড আক্রমণ]] করে, যা ৩ সেপ্টেম্বর জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণায় ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যকে প্ররোচনা যোগায়। এর ফলে [[European Theatre of World War II|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপীয় রণক্ষেত্র]] উন্মুখ হয়।<ref name="natgeo 465">National Geographic, 465.</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Taylor|প্রথমাংশ=A. J. P.|শিরোনাম= The Origins of the Second World War|বছর=1996|প্রকাশক=Simon & Schuster| আইএসবিএন=0-684-82947-9}}</ref> পোল্যান্ডে সোভিয়েত আক্রমণ ১৭ সেপ্টেম্বর শুরু করে এবং শীঘ্রই পোল্যান্ডের পতন ঘটে। ২৪ সেপ্টেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাল্টিক দেশগুলো ও পরে ফিনল্যান্ড আক্রমণ করে। ব্রিটিশ সৈন্য [[Battles of Narvik|নারভিকে]] অবতরণ করে এবং ফিনল্যান্ডকে সাহায্য করার জন্য সৈন্য পাঠায়। কিন্তু তাদের অবতরণের প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো জার্মানিকে ঘিরে ফেলা এবং জার্মানদের স্ক্যান্ডেনেভীয় উৎস থেকে সাহায্য বন্ধ করা। প্রায় একই সময়, জার্মানি ডেনমার্কে সৈন্য প্রেরণ করে। এবং [[Phoney War|অপ্রকৃত যুদ্ধ]] অব্যাহত থাকে।
 
৪৪টি

সম্পাদনা