"বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র যোগ
(সম্প্রসারণ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
(তথ্যসূত্র যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
নাগচৌধুরীর [[বিধানচন্দ্র রায়]] ও পরমেশ্বর নারায়ণ হাকসারের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। তিনি ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রিসভা কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন এবং ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সেই দায়িত্বভার পালন করেন। এই সময়কালে, তিনি [[প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (ভারত)|প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের]] (এমওডি) বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পদের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তিনি ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হন। ১৯৭০-১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি [[প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা|ডিআরডিওর]] বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।
 
[[পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান|পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের]] ক্ষেত্রে তাঁর অবদান, মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সভাপতির ভূমিকা এবং [[প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা|ডিআরডিওর]] বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা হিসাবে তিনি ভারতের [[স্মাইলিং বুদ্ধ|প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা]] সম্পর্কে নীতিগত আলোচনায় নিবিড়ভাবে নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[ইন্দিরা গান্ধী]] স্মাইলিং বুদ্ধ পরীক্ষার জন্য অগ্রসর হলে নাগচৌধুরী পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য পরিচালনা কমিটির সদস্য নিযুক্ত হন। তাঁর নেতৃত্বে ডিআরডিওর বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে পরীক্ষার জন্য বিস্ফোরক লেন্স বানানো হয়েছিল। পরীক্ষাটি সফলভাবে ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.co.in/books?id=3BcKqXOeSbAC&pg=PA585&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false|শিরোনাম=Nucleus and Nation: Scientists, International Networks, and Power in India|শেষাংশ=Anderson|প্রথমাংশ=Robert S.|তারিখ=2010-05-15|বছর=|প্রকাশক=University of Chicago Press|অবস্থান=|পাতাসমূহ=৪৭৯|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-0-226-01977-2}}</ref>
 
১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে ইন্দিরা গান্ধী তাঁকে দূরপাল্লার [[ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র]] তৈরির জন্য শ্রেণিবদ্ধ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেন। নাগচৌধুরির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে ''প্রজেক্ট ভ্যালিয়েন্ট''-এর সূচনা করা হয়েছিল। এছাড়া তাঁর উদ্যোগে সংক্ষিপ্ত-পরিসরের ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুতে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর জন্য ''প্রজেক্ট ডেভিল'' প্রকল্পটি [[প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা]] (ডিআরডিএল) পরিচালনা করেছিল। উভয় প্রকল্পই ডিআরডিএল-এর মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং অগ্রগতির অভাবের কারণে ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে বন্ধ হয়ে গেলেও তারা ৮০-র দশকের গোড়ার দিকে সফলভাবে [[সুসংহত নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচি]]র ভিত্তি স্থাপন করেছিল।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.co.in/books?id=3BcKqXOeSbAC&pg=PA585&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false|শিরোনাম=Nucleus and Nation: Scientists, International Networks, and Power in India|শেষাংশ=Anderson|প্রথমাংশ=Robert S.|তারিখ=2010-05-15|বছর=|প্রকাশক=University of Chicago Press|অবস্থান=|পাতাসমূহ=৪৬৯|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-0-226-01977-2}}</ref>
 
১৯৭০-৭১ খ্রিস্টাব্দে নাগচৌধুরী একটি কমিটির সভাপতিত্ব করেছিলেন যা ভারতের সামুদ্রিক সুরক্ষা বিষয়াদি পরীক্ষা করে। এই কমিটি ভারতের সুবিশাল উপকূলরেখায় টহল দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা, অবৈধ কার্যকলাপ চিহ্নিতকরণের জন্য উপকূলীয় মাছ ধরার জাহাজের একটি রেজিস্ট্রি স্থাপন এবং অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত জাহাজগুলিকে বাধা দেওয়ার জন্য একটি সক্ষম এবং সুসজ্জিত বাহিনী প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করে। পরবর্তীকালে কমিটির সুপারিশের ফলে ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে রুস্তমজী কমিটির ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়, যার ফলে [[ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী]] প্রতিষ্ঠিত হয়।<ref name="icg-mh">{{cite web|url=http://indiancoastguard.nic.in/Indiancoastguard/history/morehistory.html|title=History|publisher=Indian Coast Guard|archive-url=https://web.archive.org/web/20120502201216/http://indiancoastguard.nic.in/indiancoastguard/history/morehistory.html|archive-date=2 May 2012|url-status=dead|access-date=2012-05-03|df=dmy-all}}</ref>
 
==পরবর্তী জীবন==
তিনি ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের ১ জুলাই থেকে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারী পর্যন্ত [[জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়|জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের]] (জেএনইউ) উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।<ref name="jnu-formervcs">{{cite web|url=http://www.jnu.ac.in/main.asp?sendval=FormerViceChancellor|title=Former Vice Chancellors|publisher=Jawaharlal Nehru University|archive-url=https://web.archive.org/web/20120513150204/http://www.jnu.ac.in/main.asp?sendval=FormerViceChancellor|archive-date=13 May 2012|url-status=dead|access-date=2012-05-16|df=dmy}}</ref> ১৯৭৫-১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি পরিবেশ পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি দিল্লির [[ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ্যা প্রতিষ্ঠান দিল্লি|ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ্যা প্রতিষ্ঠানের]] বোর্ড অব গভর্নরসেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
 
নাগচৌধুরী অসংখ্য ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক কাউন্সিলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭৬-৮৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি [[আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান কেন্দ্র|আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান কেন্দ্রের]] বৈজ্ঞানিক কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০-৮২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ভারতের জাতীয় ভৌতিক পরীক্ষাগারের গবেষণা উপদেষ্টা কাউন্সিলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ইস্ট-ওয়েস্ট সেন্টারের গভর্নর বোর্ডের সদস্য ও সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন।
 
==পুরস্কার==
নাগচৌধুরী ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে [[ভারতীয় জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমি|ভারতীয় জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমির]] ফেলো নির্বাচিত হয়েছিলেন।<ref name="insa-nagchaudhuri">{{cite web|url=http://insaindia.org/deceaseddetail.php?id=N64-0500|title=Dr BD Nag Choudhury|publisher=Indian National Science Academy|accessdate=2012-05-06}}{{dead link|date=October 2016|bot=InternetArchiveBot|fix-attempted=yes}}</ref> ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি [[পদ্মবিভূষণ]] পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং কানপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছিলেন।
 
==তথ্যসূত্র==
১,০৪২টি

সম্পাদনা