২০২০ দিল্লি দাঙ্গা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
দিল্লি ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে যে ২৪ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পূর্ব দিল্লির অঞ্চলগুলি থেকে ৪৫ জন ফোন কল করেন এবং তিন জন ফায়ারম্যান আহত হয়। ফোন কল অনুযায়ী আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেওয়ার সময়, ফায়ার ইঞ্জিনকে পাথর দিয়ে আক্রমণ করা হয় এবং দাঙ্গাবাজরা অন্য একটি ফায়ার ইঞ্জিনে আগুন ধরিয়ে দেয়।<ref name="Shoot25Feb" />
২৩ বছর বয়সী মনীশ সিং ওরফে রাহুল ঠাকুর, ব্রিজপুরির ৬ নম্বর রাস্তার বাসিন্দা, এস এস সির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। দিল্লীতে হিন্দুবিরোধী দাঙ্গা চলাকালীন একদল হিংস্র মুসলিম জনতা তাকে গুলি মেরে হত্যা করে। দুই ভাইয়ের মধ্যে রাহুল ছোট ছিল। তার বড় ভাই অভিষেক বাড়ি থেকে বেরোতে পর্যন্ত সাহস পায়নি। সে কারুর সাথে কথা আগ্রহী নয়। পরিবারটির এখন বিলাপ করার অবস্থা।
 
যখন অপ ইন্ডিয়া শনিবার ব্রিজপুরিতে রাহুল ঠাকুরের বাড়ি পৌঁছায়, প্রতিবেশীদের তার পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে দেখে। বাড়ির বাইরে রাহুলের বাবা মাথা ঝুঁকিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি আর পি এফে কর্মরত, বর্তমানে পাঞ্জাবে থাকেন।
 
ঘটনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বর্ণনা করে যে, “সোমবার চাঁদবাগে যে হিংস্রতা শুরু হয়েছিল তা মুসলিমদের ভিড় বাড়ার সাথে সাথে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছিল। তারা কারাজুর নগর, খাজুরি, জাফরাবাদ আর শিব বিহারে পৌঁছে যায়। যখন সবদিক থেকে ইঁট আর পাথরের আওয়াজ আসতে শুরু করল, প্রত্যেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে দেখতে লাগল যে কী চলছে।”
 
প্রত্যক্ষদর্শী আরো বলে, “আমরা সবাই রাস্তায় বেরিয়ে পড়ি। রাহুলও আমাদের সাথে ছিল। তখনি আমরা দেখতে পেলাম যে ব্রিজপুরি মসজিদ থেকে হাজার হাজার মুসলিম আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে হাতে ইঁট আর পাথর নিয়ে। আমরা নিজেদের সামলে নেওয়ার আগেই, একটা বুলেট এসে লাগল রাহুলের গায়ে আর ও পেট চেপে মাটিতে পড়ে গেল।”
 
“মুসলিম জনতাকে আমাদের দিকে আসতে দেখে আমরা তাড়াতাড়ি রাহুলকে তুলে হাসপাতালের দিকে দৌড় দিলাম। কিছুক্ষণ পরে ডাক্তার ওকে মৃত বলে ঘোষণা করলেন।”, প্রত্যক্ষদর্শী আরো জানায়।
 
রাহুলের মা মমতা দেবী আর বাবা তাঁদের ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন। বাইরে যারা বসছিল তাদের সাথে কথা বলে, আমরা যখন রাহুলের মায়ের সাথে দেখা করার ইচ্ছে প্রকাশ করলাম, তিনি বললেন, ” তোমরা বাড়ি এলে আমার ছেলে রাহুলকেও তোমাদের সঙ্গে নিয়ে এসো।” তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
 
তাঁর গলায় লুকোনো তরুণ ছেলেকে হারানোর ব্যথা আর ক্ষোভের আভাস পেয়ে আমাদের দল দূর থেকেই ফিরে আসে। যে রাহুলকে তিনি আমাদের সাথে দেখতে চাইছিলেন সে আর নেই আমাদের মধ্যে, কারণ একদল ক্ষিপ্র মুসলিম জনতা তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে।
 
===২৫ ফেব্রুয়ারি===
৬২টি

সম্পাদনা