"লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
[[ভারত বিভাজন|ভারত বিভাগের]] পূর্বে মর্যাদাপূর্ণ [[আসাম মেল]] লালমনিরহাট হয়ে [[সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন|সান্তাহার]] থেকে [[গুয়াহাটি]] পর্যন্ত যাতায়াত করত।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.irfca.org/articles/isrs/fnrm3-fame-name.html|শিরোনাম=Trains of fame and locos with a name - Part 2|প্রকাশক=[[IRFCA]]|সংগ্রহের-তারিখ=2012-02-07}}</ref>
 
 
*[[বর্তমান লাইন]]
ব্রিটিশ আমলে, লালমনিরহাট থেকে যখন *[[বেংগল ডুয়ার্স]] রেল কম্পানি নতুন উওরে চ্যাংড়াবান্ধা হয়ে রেললাইন বিকশিত করে ঠিক তখন থেকেই *[[লালমনিরহাট]] একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন হিসেবে প্রসিদ্ধ লাভ করে। তখন একটি
লাইন ছিলো *[[লালমনিরহাট]- মোগলহাট-গীতলদহ হয়ে কুচবিহার, একটি ছিলো কাউনিয়া-পার্বতীপুর এবং নতুন করে
লাইনটি ছিলো পাটগ্রাম-চ্যাংড়াবান্ধা হয়ে। ১৯৪৭ এ দেশ বিভাজনের পর, মোগলহাট রুটে প্যাসেন্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়,
কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরবর্তীতে কিছু সময় পর্যন্ত দু-দেশের মধ্যে মালগাড়ি চলতো,এটাও বন্ধ হয়ে যায়।
১৯৯৫ সাল পর্যন্ত লালমনিরহাট থেকে মোগলহাট পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল ছিলো। ২০০২ সালে সেকশনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়৷ ঠিক তখন থেকেই লালমনিরহাট স্টেশন তার জংশন নামের খ্যাতাব হারিয়ে বসে।
 
== ট্রেন ==
বেনামী ব্যবহারকারী