"উমেশচন্দ্র দত্ত" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(চিত্র)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
{{উৎসহীন|date=মার্চ ২০১০}}
{{Infobox person
[[File:Umesh| name = Chandra Dutta.jpg|thumb|উমেশচন্দ্র দত্ত]]
'''উমেশচন্দ্র দত্ত''' (১৮৪০ - ১৯০৭) একজন সমাজ সংস্কারক এবং শিক্ষাবিদ । [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গের]] বর্তমান [[দক্ষিণ ২৪ পরগণা]] জেলার [[মজিলপুর|মজিলপুরে]] তিনি জন্মগ্রহণ করেন ।১৮৫৯ এ প্রবেশিকা পরীক্ষায় তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন । স্ত্রীশিক্ষা বিস্তারে তিনি অদম্য উৎসাহী ছিলেন ।
| image = Umesh Chandra Dutta.jpg
| image_size =
| caption = উমেশচন্দ্র দত্ত
| birth_date = ১৬ ডিসেম্বর ১৮৪০
| birth_place = [[মজিলপুর]], [[বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি]] [[বৃটিশ ভারত]] বর্তমানে [[দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা]] [[পশ্চিমবঙ্গ ]], [[ভারত]]
| death_date = ১৯ জুন ,১৯০৭ (বয়স ৮০)
| death_place = [[কলকাতা ]], [[পশ্চিমবঙ্গ ]]
| alma mater =
| occupation = সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ
| nationality = [[ ভারতীয় ]]
| awards =
|parents = হরমোহন দত্ত (পিতা)
|spouse =
|children =
}}
 
'''উমেশচন্দ্র দত্ত '''( জন্ম :- ১৬ ডিসেম্বর,১৮৪০ - মৃত্যু :- ১৯ জুন,১৯০৭ ) এক সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ। <ref name = "সংসদ"> সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, ''সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান'', প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, আগস্ট ২০১৬ পৃষ্ঠা ১০১, {{আইএসবিএন|978-81-7955-135-6}}</ref>
 
==জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন ==
 
উমেশচন্দ্র দত্তের জন্ম [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গের]] বর্তমান [[দক্ষিণ ২৪ পরগণা]] জেলার [[মজিলপুর|মজিলপুরে]] । পিতার নাম হরমোহন দত্ত । ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ভবানীপুর লণ্ডন মিশনারি সোসাইটি ইনস্টিটিউশন থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। ওই বছরেই তিনি [[দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ও [[ কেশবচন্দ্র সেন| কেশবচন্দ্র সেনের]] সান্নিধ্যে এসে ব্রাহ্ম ধর্ম গ্রহণ করেন । পরে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন, কিন্তু অর্থাভাবে পড়াশোনা বন্ধ রাখেন । ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন । ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে প্রাইভেটে বি.এ.পাশ করেন । এই বছরেই ব্রাহ্মমতে বিবাহ হয় এবং সপরিবারে কেশবচন্দ্র সেনের ' ভারত আশ্রম' ভুক্ত হন। সাথে সাথে শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক বিভিন্ন কাজে যোগদান করেন ।
 
==কর্মজীবন==
 
তিনি [[মজিলপুর|মজিলপুরে]] দক্ষিণ ২৪ পরগণার প্রথম এবং সম্ভবত বাংলাদেশের তৃতীয় বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।{{সত্যতা}} এই বিদ্যালয় স্থাপন করবার জন্য তাকে জমিদারের প্রবল অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল । এরপর তিনি কলকাতার ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে (যার বর্তমান নাম [[বিদ্যাসাগর কলেজ]]) এবং হিন্দু স্কুলে কিছুদিন শিক্ষকতা করেন ।
১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার নারীদের মধ্যে শিক্ষার আলো এবং সচেতনতা আনার জন্য এবং তাদের মনের কথা তুলে ধরার জন্য একটি মহিলা মাসিক পত্রিকা [[বামাবোধিনী]] প্রকাশ করেন । এই পত্রিকাটি তিনি আমৃত্যু চুয়াল্লিশ বছর ধরে সম্পাদনা করেন । তিনি একে একে রাজপুর স্কুল, হরিনাভি স্কুল , কোন্নগর স্কুল এবং কলকাতার সিটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন । সিটি কলেজ প্রতিষ্ঠার পর আমৃত্যু তিনি তার অধ্যক্ষ ছিলেন । কলকাতার মূক ও বধির বিদ্যালয়ের তিনি প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ।
শিলাইদহে কবি [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত|মাইকেল মধুসূদন দত্তের]] সমাধিতে 'দাঁড়াও পথিকবর জন্ম তব ....' খোদিত ফলকটি তার উদ্যোগেই স্থাপিত হয়েছিল ।
 
==তথ্যসূত্র==
 
{{অসম্পূর্ণ}}