"ধামইরহাট উপজেলা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন, পরিষ্কারকরণ
(০টি উৎস উদ্ধার করা হল ও ১টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল।) #IABot (v2.0.1)
(সংশোধন, পরিষ্কারকরণ)
[[চিত্র:Madrasah.jpg|thumbnail]]
 
* ধামইরহাট সিনিয়র মাদ্রাসা
*[[উক্ত বিদ্যালয়টি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।|আড়ানগর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়]]
*মঙ্গলবাড়ি মফিজ উদ্দীন মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ
*রঘুনাথপুর কামিল মাদ্রাসা
*পাগল দেওয়ান সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা
*চকময়রাম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
*সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
*চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয়
*বস্তাবর দাখিল মাদ্রাসা
*ধামইরহাট মহিলা কলেজ
*ধামইরহাট কারিগরী কলেজ
*জগদ্দল আদিবাসী স্কুল এন্ড কলেজ
*আড়ানগর জাহাঙ্গীর স্মৃতি কলেজ
*আগ্রাদ্বিগুন কলেজ
*ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
*আগ্রাদ্বিগুন উচ্চ বিদ্যালয়
*আগ্রাদ্বিগুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
*রুপনারায়ণপুর-কোকিল আলিম মাদ্রাসা
*দুর্গাপুর-বাসুদেবপুর আলিম মাদ্রাসা
*মাহমুদপুর আজিজিয়া ফাজিল মাদ্রাসা
*সংকরপুর উচ্চ বিদ্যালয়
 
== অর্থনীতি ==
 
== কৃতী ব্যক্তিত্ব ==
* [[মফিজ উদ্দীন চৌধুরী]] - এমএলএল;
মফিজ উদ্দীন চৌধুরী, এমএলএল; মোজাফ্ফর রহমান, চৌধুরী এমএলএ; কাজিমদার ওয়াছিম উদ্দীন, গণপরিষদ সদস্য; ডা: আজিজার রহমান,সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী; সৈয়দ নবীবর রহমান এমপিএ; মোঃ শহিদুজ্জামান সরকার, হুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ।
 
* [[মোজাফ্ফর রহমান চৌধুরী]] এমএলএ;
== উপজেলার ঐতিহ্য ==
 
* [[কাজিমদার ওয়াছিম উদ্দীন]] - গণপরিষদ সদস্য;
[[জগদ্দল বিহার|জগদ্দল মহাবিহার]], [[ভীমের পান্টি]], মাহিসন্তোস, পাগল দেওয়ান মাজার, পাগল দেওয়ান গণকবর ও বদ্ধভুমি আলতাদিঘী, শালবন, ভাঙ্গাদিঘী, আগ্রাদ্বিগুন ধাপ এ উপজেলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
 
* [[আজিজার রহমান]] - সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী;
==আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যান==
{{মূল নিবন্ধ|আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যান}}
সারি সারি শালবন পেরিয়ে যেতেই কাপড় আটকে যাবে বেতের কাঁটায় ।শুকনো পাতার পতনধ্বনিতে বুক হালকা ভয়ে আঁতকে উঠবে। মাথার উপর ডেকে ক্লান্ত হয়ে জিরোবে নানান প্রজাতির পাখি। প্রকৃতির নিসর্গ স্নিগতায় চোখ বুজে আসবে ঘুমে ।মুগ্ধতায় জুড়াবে নয়ন।শালবনের মাঝ দিয়ে একেবেঁকে চলা মেঠোপথের ঘাসের আগায় জমা বিন্দু বিন্দু শিশির ফোঁটা ভিজিয়ে দিবে নগ্ন পায়ের পাতা ।সৌন্দর্যতার এক অপরুপ লীলাভূমি, প্রাকৃতিক রুপের আঁধার "[[আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যান|আলতাদীঘি]]"।
 
* [[সৈয়দ নবীবর রহমান - এমপিএ;
কথিত আছে অক্ষয় কুমার চৌধুরানী (জন্ম- মৃত্যু অজানা) আদেশ করেন আমি যত দূর হেঁটে যাব তত দূর পর্যন্ত দীঘি খনন করতে হবে। এভাবে এক কিলো হাঁটলে তার কর্মচারীগন তার পায়ে আলতা ছুঁড়েদেন ও বলেন রানী মা আপনার পায়ে রক্ত এবং তিনি দাঁড়িয়ে পড়েন। একারণে এই দীঘির নাম আলতাদিঘি। নওগাঁ, ধামুইর হাট বাজার থেকে উত্তরে এ দীঘির অবস্থান। উত্তর বঙ্গের সবচেয়ে বড় বনভূমি সাল বনের মাঝখানে এর অবস্থান। উই পোকার ডিবি, এ বনে প্রচুর দেখা যায় এর পাশ দিয়ে ভারতের বর্ডার চলে গেছে।
 
* [[মোঃ শহিদুজ্জামান সরকার]] - হুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ।
বাংলাদেশ-ভারতের প্রায় সীমান্তঘেষা, নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা থেকে ৫ কিঃমিঃ উত্তরে আবিলাম মাদ্রাসা রোড ধরে ১০-১২ কিলো দূরে একটি ঐতিহাসিক দিঘীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সুবিশাল বনভূমি। শালবন এবং বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদে পরিপূর্ণ ২৬৪ হেক্টর জমির এই বনভূমির ঠিক মাঝখানেই রয়েছে প্রায় ৪৩ একর আয়তনের একটি বিশাল দিঘী, যা ‘আলতাদিঘী’ নামে পরিচিত। এটি দৈর্ঘ্যে ১.২ কিঃমিঃ এবং চওড়া ০.২ কিঃমি। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ২০১১ সালে একে ‘আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান’ হিসাবে ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি এই উদ্যানটির উন্নয়নে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার অধিক অর্থাত্‍ তিন কোটি একান্ন লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার টাকার (৩৫১৭৬০০০) একটি প্রকল্প সরকারকর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে। যা পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। যথাযথ সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হলে উদ্যানটি জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা। এলাকাবাসী দ্রুত এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় উদ্যানে পরিণত করার দাবি জানিয়েছেন। এতে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে যে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হবে সেকথা বলার উপেক্ষা রাখে না।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=http://archive.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDVfMDhfMTNfMV8yXzFfMzg5NjE= | শিরোনাম=আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যান, পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা | প্রকাশক=http://archive.ittefaq.com.bd | সংগ্রহের-তারিখ=২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬}}</ref>
== দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা ==
* [[জগদ্দল বিহার|জগদ্দল মহাবিহার]],
 
* [[ভীমের পান্টি]],
==জগদ্দল বিহার==
[[জগদ্দল বিহার]] ধামুইর হাট থেকে ২.৫-৩ কিমি পূর্বে হরিতকি ডাঙা, হরিতকি ডাঙা হতে উত্তরে ২.৫ কিমি দূরে এই বিহারের অবস্থান। জগদ্দল বিহার হতে .৫ কিমি দূরে বাংলাদেশের মাত্র দুটি আদিবাসী স্কুলের মধ্যে একটির অবস্থান। জগদ্দল আদিবাসী প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়। এ জায়গাতে মুলত সাঁওতাল আধিবাসীদের বাস। জগদ্দল বিহারের ইতিহাস থেকে জানা যায় যে রাজা রামপাল গৌড় রাজ্য পুনরুদ্ধারের পর রামাবতী নগরে রাজধানী স্থাপন করেন। আইন-ই-আকবর রচয়িতা আবুল ফজল এ স্থানটিকে রমৌতি বলে উল্লেখ করেছেন। প্রাচীন বাংলার ধর্মমঙ্গল কাব্যগুলিতে রামাবতীর উল্লেখ আছে। রাজা রামপালের পুত্র মদনপালের তাম্র শাসনেও রামাবতী নগরীর উল্লেখ আছে। দীনেশ চন্দ্র সেন বলেছেন যে, এই রামাবতী নগরে রাজা রামপাল জগদ্দল মহাবিহারের প্রতিষ্ঠা করেন। ঐতিহাসিক রামপ্রাণগুপ্ত জগদ্দল বিহার দিনাজপুরে অবস্থিত বলে উল্লেখ করেছেন। রামপ্রাণগুপ্তের জগদ্দল বিহার যে নওগাঁ জেলার আলোচ্য বিহার তা সহজেই অনুমান করা যায়। কারণ পূর্বে এ জেলা দিনাজপুর জেলার অংশ ছিল। একাদশ বা দ্বাদশ শতাব্দীতে রাজা রামপাল এই মন্দির নির্মাণ করেন বলে নীহাররঞ্জন রায়ের বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ আছে। এ গ্রন্থে আরও উল্লেখ আছে যে এ মন্দিরের অধিষ্ঠাতা দেবতা ছিলেন অবলোকিতেশ্বর, আর অধিষ্ঠাত্রী দেবী ছিলেন মহাতারা।<ref name="UNESCO World Heritage website">[http://whc.unesco.org/en/tentativelists/1212/ UNESCO World Heritage website]</ref>
 
* পাগল দেওয়ান মাজার,
এই বিহারটি প্রাচীন বাংলার শিক্ষা-দীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মতে এ বিহারের দুইজন স্বনামধন্য পন্ডিত হলেন দানশীল ও বিভূতিচন্দ্র। প্রায় ষাটখানা গ্রন্থের তিব্বতী অনুবাদ করেন আচার্য দানশীল। রাজপুত্র বিভূতিচন্দ্র ছিলেন একাধারে গ্রন্থকার, টীকাকার, অনুবাদক ও সংশোধক। জগদ্দল বিহারের আচার্য মোক্ষকর গুপ্ত তর্কভাষা নামে বৌদ্ধ ন্যায়ের উপর একটি পুঁথি লিখেছিলেন। শুভকর গুপ্ত ,ধর্মাকর,প্রভৃতি মনীষী আচার্যরা কোন না কোন সময় এই মহাবিহারের অধিবাসী ছিলেন। কথিত আছে যে কাশ্মিরের প্রসিদ্ধ সাধু ও পন্ডিত সাক্য শ্রীভদ্র ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে বিভিন্ন বিহার দর্শন করে জগদ্দল বিহারে এসেছিলেন। বাংলার জগদ্দল বিহারের বৌদ্ধ পন্ডিত বিদ্যাকর সুভাষিত রত্নকোষ নামে একটি কোষকাব্য সংকলন সমাপ্ত করেছিলেন। প্রাচীন বাংলার এই জ্ঞানসাধন কেন্দ্র আজ সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে এ স্থানটিতে খনন কাজ চলছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=27&dd=2012-04-17&ni=93480 |শিরোনাম= জগদ্দল, অগ্রপুরী, হলুদ বিহার হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক কীর্তি "নওগাঁর প্রাচীন নিদর্শন" |লেখক= বিশ্বজিৎ মনি |তারিখ= ১৭ এপ্রিল ২০১২ |ওয়েবসাইট= http://www.dailyjanakantha.com/ |প্রকাশক= দৈনিক জনকন্ঠ |সংগ্রহের-তারিখ= ১৮ জুন ২০১৪ }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=মে ২০২০ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref>
 
* পাগল দেওয়ান গণকবর ও বদ্ধভুমি
 
* ভাঙ্গাদিঘী,
 
* আগ্রাদ্বিগুন কলেজধাপ,
 
==* [[আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যান==]]।
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
২৮,০১৩টি

সম্পাদনা