"বুনো রামনাথ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ, তথ্যসূত্র যোগ
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
(সম্প্রসারণ, তথ্যসূত্র যোগ)
}}
 
'''রামনাথ তর্কসিদ্ধান্ত''', যিনি '''''বুনো রামনাথ''''' হিসেবেই অধিক প্রসিদ্ধ, হলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর [[নবদ্বীপ|নবদ্বীপের]] বিশিষ্ট নৈয়ায়িক, পণ্ডিত ও এবং আদর্শ শিক্ষক।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.co.in/books?id=1jkaZEUm3nEC&pg=PA117&lpg=PA117&dq=buno+ramnath&source=bl&ots=l4offjeBDy&sig=ACfU3U3gIHet61Fbn5NVTDdT1A5T2rRiUw&hl=en&sa=X&ved=2ahUKEwiwt-yti4PqAhWhheYKHTpKDtYQ6AEwA3oECBcQAQ#v=onepage&q=buno%20ramnath&f=false|শিরোনাম=Travels to Europe: Self and Other in Bengali Travel Narratives, 1870-1910|শেষাংশ=Sen|প্রথমাংশ=Simonti|তারিখ=2005|প্রকাশক=Orient Blackswan|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-81-250-2738-6|page=১১৭}}</ref> তিনি নবদ্বীপে একটি বনে চতুষ্পাঠী স্থাপন করেছিলেন। তাঁর চতুষ্পাঠী বনের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় তাঁকে ''‘বুনো’'' বলা হতো।<ref name=":0">{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.512971|শিরোনাম=Nabadwip-mahima Ed. 2 Vol. 1 And 2|শেষাংশ=Dutta|প্রথমাংশ=phanibhushan Ed|তারিখ=1937|page=৩১৭}}</ref>
 
==জন্ম ও বংশপরিচয়==
 
==কর্মজীবন==
রামনাথ তাঁর পাণ্ডিত্যের অসামান্য খ্যাতি অর্জন করার পর [[নবদ্বীপ|নবদ্বীপে]] চতুষ্পাঠী স্থাপন করে রামনাথ শিক্ষকতা করতেন।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.co.in/books?id=PFlEdW9MLCwC&printsec=frontcover&source=gbs_ge_summary_r&cad=0#v=onepage&q=buno&f=false|শিরোনাম=Education In India Vol# 4|শেষাংশ=Tiwari|প্রথমাংশ=Ed Shubha|তারিখ=2007-10-01|প্রকাশক=Atlantic Publishers & Dist|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-81-269-0850-9|page=১২৫}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F:%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A3_-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1.pdf|শিরোনাম=বাংলায় ভ্রমণ -দ্বিতীয় খণ্ড.pdf - উইকিসংকলন একটি মুক্ত পাঠাগার|ওয়েবসাইট=bn.wikisource.org|সংগ্রহের-তারিখ=2020-06-15|page=১০২}}</ref> জ্ঞানার্জনের সাধনায় তিনি সবসময় মগ্ন থাকতেই। তাঁর পাণ্ডিত্যের খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পরলে অগণিত ছাত্র তাঁর কাছে শিক্ষা নিতে তাঁর চতুষ্পাঠীতে আসে। তাঁর চতুষ্পাঠীতে [[প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন]] সহ অনেকে শাত্রচর্চা করতেন। তিনি খুবই দারিদ্র্যের মধ্যে দিতে টোল চালালেও কখনও রাজ অনুগ্রহ নেননি। [[নদিয়া রাজপরিবার|নদিয়ারাজ]] [[নবদ্বীপ|নবদ্বীপে]] এসে তাঁর দারিদ্র্যের অবস্থা দেখে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, তাঁর কোন সাংসারিক বিষয়ে অনটন আছে কিনা। তাঁর উত্তরে তিনি বলেন- {{cquote|না, আমার কিছুই অনটন নাই; আমার কয়েক বিঘা ভূমি আছে, তাহাতে যথেষ্ট ধান্য উৎপন্ন হয়, আর সম্মুখে এই তিস্তিড়ী বৃক্ষ দেখিতেছেন, ইহার পত্র আমার গৃহিণী দিব্য পাক করেন, অতি সুন্দর লাগে, আমি স্বচ্ছন্দে তাহা দিয়া অন্ন আহার করি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F:Intermediate_Bengali_Selections.pdf|শিরোনাম=Intermediate Bengali Selections.pdf - উইকিসংকলন একটি মুক্ত পাঠাগার|ওয়েবসাইট=bn.wikisource.org|সংগ্রহের-তারিখ=2020-06-15|page=৭৭}}</ref>}} অর্থাৎ, তাঁর কোন অভাব নেই, ঘরে মোটা চাল আছে আর গাছে তেঁতুল পাতা আছে, সুতরাং উদরপূর্তির কোনও চিন্তা নেই।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://hinduvoice.in/2020/05/06/বুনো-রামনাথ-এক-শিক্ষকের-গ/|শিরোনাম=বুনো রামনাথ- এক শিক্ষকের গল্প|শেষাংশ=hvadmin|তারিখ=2020-05-06|ওয়েবসাইট=Hindu Voice|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=2020-06-15}}</ref>
==কিংবদন্তি==
 
কলকাতার মহারাজ নবকৃষ্ণের সভায় এক নৈয়ায়িক দিগবিজয়ের উদ্দেশ্যে আসলে সেখানে একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় নবদ্বীপেরপণ্ডিতমণ্ডলী থেকে নৈয়ায়িক শিবনাথ বিদ্যাবাচস্পতি ও বংশবাটীর [[জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন]] উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আয়োজিত তর্কসভায় কেউই আগত নৈয়ায়িকের সঙ্গে যুক্তিতে পেরে না উঠলে বুনো রামনাথ সেখানে উপস্থিত হয়ে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে তাঁকে পরাজিত করে নবদ্বীপের ন্যায়চর্চার মান বজায় রাখে। তখন রাজা নবকৃষ্ণ খুশি হয়ে তাঁকে প্রচুর ধনসম্পদ দিতে চাইলে রামনাথ '''কাক-বিষ্ঠা''' বলে সেগুলো স্পর্শ করেন না। রামনাথ মনে করতেন ''অর্থই অনর্থের মূল।''<ref name=":0" />
রামনাথের দারিদ্র্যের পরিচয় তাঁর স্ত্রীর সম্পর্কে প্রচলিত জনশ্রুতি থেকে বোঝা যায়। একবার নদিয়ার রাজমহিষী নবদ্বীপ ঘাটে এলে, রামনাথের স্ত্রী ঘাট থেকে ফেরার সময় তাঁর শাড়ির জল রাজমহিষীর গায়ে লাগলে সে না দাঁড়িয়েই চলে জেতে থাকে। অখন তিনি রেগে যান এবং বলেন- ''“ভারি তো দু’গাছা লাল সুতো। তার আবার এতো দেমাক। ওই সুতো ছিঁড়তে কত ক্ষণ?”'' তাঁর প্রত্যুতরে সে বলে- '''''“এই লাল সুতো যে দিন ছিঁড়ে যাবে, সে দিন নবদ্বীপ অন্ধকার হয়ে যাবে।”'''''<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/district/nadia-murshidabad/buno-ramnath-s-wife-even-did-not-leave-queen-1.403953|শিরোনাম=রানিকেও রেয়াত করেননি বুনো রামনাথের স্ত্রী|শেষাংশ=বন্দ্যোপাধ্যায়|প্রথমাংশ=দেবাশিস|ওয়েবসাইট=anandabazar.com|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=2020-06-15|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200615080247/https://www.anandabazar.com/district/nadia-murshidabad/buno-ramnath-s-wife-even-did-not-leave-queen-1.403953|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৬-১৫|সংগ্রহের-তারিখ=2020-06-15|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>
==বুনো রামনাথের ভিটে==
বুনো রামনাথের ভিটেতে ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে অবিভক্ত বাংলার [[নবদ্বীপ]] তথা ভারতের সুপ্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে ওঠে। [[পাইকপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনা|পাইকপাড়ার]] রাজা ইন্দ্রচন্দ্র সিংহকে সভাপতিত্বে এবং অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মহেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় দেশের পণ্ডিতমণ্ডলী এবং সংস্কৃতের অধ্যাপকদের নিয়ে সংস্কৃত চর্চাকে পুনঃজাগরণের উদ্দেশ্যে '''''বঙ্গ বিবুধ জননী সভা''''' স্থাপন করা হয়েছিল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/district/nadia-murshidabad/cultural-program-in-sanskrit-language-at-nabadwip-1.758661|শিরোনাম=সংস্কৃতে জমে উঠছে আড্ডা|শেষাংশ=বন্দ্যোপাধ্যায়|প্রথমাংশ=বিমান হাজরা ও দেবাশিস|ওয়েবসাইট=anandabazar.com|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=2020-06-15|আর্কাইভের-ইউআরএল=http://web.archive.org/web/20190709044027/https://www.anandabazar.com/district/nadia-murshidabad/cultural-program-in-sanskrit-language-at-nabadwip-1.758661|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৬-১৫|সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৬-১৫|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref> বঙ্গ বিবুধ জননী সভার সম্পাদক অরুন কুমার চক্রবর্তী বলেন- {{cquote|নবদ্বীপে সংস্কৃত চর্চার ধারাটি নতুন করে গতি পাক এটাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। বুনো রামনাথের জন্মভিটায় গড়া হবে প্রাচ্যবিদ্যা চর্চা কেন্দ্র। সেখানে সংস্কৃত চর্চার পাশাপাশি সমাজবিজ্ঞান, আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চা, আয়ুর্বেদ চর্চা, শাস্ত্রচর্চা সবই হতে পারে প্রাচ্যবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত। এ জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আমরা আবেদন করেছি। আপাতত একেবারে থেমে যাওয়া এই শিক্ষা সংসদকে নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ফের সক্রিয় করে তোলা গিয়েছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/state/new-target-for-re-introducing-sanskrit-in-nabadwip-1.404762|শিরোনাম=রামনাথের ঐতিহ্যেই প্রাণ পাচ্ছে নবদ্বীপের বঙ্গ বিবুধ জননী সভা|শেষাংশ=বন্দ্যোপাধ্যায়|প্রথমাংশ=দেবাশিস|ওয়েবসাইট=anandabazar.com|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৬-১৫|আর্কাইভের-ইউআরএল=http://web.archive.org/web/20200615122635/https://www.anandabazar.com/state/new-target-for-re-introducing-sanskrit-in-nabadwip-1.404762|আর্কাইভের-তারিখ=২০২০-০৬-১৫|সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৬-১৫|অকার্যকর-ইউআরএল=না}}</ref>}}
 
==তথ্যসূত্র==
৮৬৯টি

সম্পাদনা