"বঙ্গাব্দ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(→‎অধিবর্ষ: হালনাগাদ করা হল)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
 
তারপরেও জাতীয় দিবসগুলোয় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ও বাংলা বর্ষপঞ্জি মূলানুগ না হওয়ায় জাতির ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো দুটো বর্ষপঞ্জিতে আলাদা দিনে পড়তো। যেমন ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলা বর্ষপঞ্জির পাতায় দিনটি ৮ই ফাল্গুন হলেও চলতি বাংলা বর্ষপঞ্জিতে সেটা পড়ে ৯ই ফাল্গুন। বাংলা বর্ষপঞ্জির এহেন বিদ্যমান অসামঞ্জস্য দূর করে পুরোপুরি বিজ্ঞানভিত্তিক এবং জাতীয় দিবসগুলোকে মূলানুগ করতে ২০১৫ সালে [[বাংলা একাডেমি]]র তৎকালীন মহাপরিচালক [[শামসুজ্জামান খান]]কে সভাপতি, [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক [[অজয় রায়]], পদার্থবিজ্ঞানী জামিল চৌধুরী, অধ্যাপক আলী আসগর, একাডেমির পরিচালক অপরেশ কুমার ব্যানার্জি প্রমুখ ব্যক্তিদের নিয়ে তৃতীয়বার বর্ষপঞ্জি সংস্কার কমিটি কমিটি করা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বদলে যাচ্ছে বাংলা বর্ষপঞ্জি— প্রথম আলো|ইউআরএল= https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1565143/}}</ref> এই কমিটি প্রধানত বিশেষ দিনগুলোয় গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জিকে ও বাংলা বর্ষপঞ্জিকে মূলানুগ করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাদের সুপারিশ পেশ করে। এই কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী—
*# খ্রিষ্টাব্দের অনুগামী বছরে [[ফাল্গুন]] মাসে বঙ্গাব্দের অধিবর্ষ হবে অর্থাৎ যে খ্রিষ্টাব্দে অধিবর্ষ হবে সেই বাংলা বছরে ফাল্গুন মাস ৩০ দিনে গণনা করা হবে।
*# [[বৈশাখ]] থেকে আশ্বিন— এই পাঁচ মাস ৩১ দিন গণনা করা হবে।
*# [[কার্তিক]] থেকে মাঘ এবং চৈত্র— এই ছয় মাস ৩০ দিন গণনা করা হবে।
*# [[ফাল্গুন]] মাস ২৯ দিনে গণনা করা হবে।
 
বাংলাদেশে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে শামসুজ্জামান খান কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সরকারি বর্ষপঞ্জি তৈরি করা হয়। বর্তমানে সরকারিভাবে এই বর্ষপঞ্জিই চালু আছে।
৫১টি

সম্পাদনা