"বাংলাদেশে ব্যাংকিং" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
১৯৮৬ অর্থবছর শেষে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ (রিজার্ভ) ছিল ৪৭৬ মিলিয়ন [[মার্কিন ডলার]], যা দুই মাসের আমদানি খরচ থেকেও বেশি। বিগত বছরের তুলনায় এই রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২০ শতাংশ বেশি, যা মূলত বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ফলে হয়েছে।এরিমধ্যে দেশের আমদানি খরচ ১০ শতাংশ কমিয়ে ২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে আসা হয়। ঐ সময়ে বাংলাদেশ অনুন্নত দেশ হিসেবে নমনীয় ঋণ পাওয়ার জন্য বেসরকারি ঋণখেলাপীদের মাত্র ৬ শতাংশ সরকারি ঋণের জন্য দায়ী।১৯৮৬ অর্থবছরের শেষে বৈদেশিক ঋণ ছিল ৬.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আর ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছিল বার্ষিক ৪৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
== বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং ==
বাংলাদেশে ৮ টি ইসলামি ব্যাংক রয়েছে, ২টি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকে ইসলামী ব্যাংকিং ইউনিট চালু রয়েছে, পাশাপাশি অন্যান্য কয়েকটি ব্যাংকও তাদের সেবার পাশাপাশি ইসলামি ব্যাংকের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। ২০১৭ এর হিসাব মতে বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং এর মূলে রয়েছে [[ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড]],যারা কিনা বাংলাদেশী আমানতের ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসমূহের মাঝে ২০১০ সালে ২৮শে ফেব্রুয়ারীফেব্রুয়ারি [[অগ্রণী ব্যাংক]] এবং ২০১০ এর ২৯শে জুন [[সোনালী ব্যাংক]] ইসলামী ব্যাংকিং ইউনিটের শাখা চালু করে। একটি হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ইসলামি ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনা করে। বাংলাদেশ সরকারের একটি জরিপ অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার ৮৪ শতাংশের মধ্যে ইসলামি ব্যাংকিংয়ে গ্রহযোগ্যাতা/সমর্থন রয়েছে।
 
== বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং ==
== তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে ব্যাংকিং]]
১,৭৮,৫৭৪টি

সম্পাদনা