"মুসলিম লীগ (পাকিস্তান)" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
[[লিয়াকত আলী খান|লিয়াকত আলী খানের]] প্রধানমন্ত্রীত্বের অধীনে মুসলিম লীগ সরকার সাফল্যের সাথে [[লক্ষ্য প্রস্তাব|লক্ষ্য প্রস্তাবের]] খসড়া পাস করায়। যদিও [[লিয়াকত আলী খান]] প্রগতিশীল ছিলেন তবুও তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নীতিমালা অনুসারে সাংবিধানিক সংস্কার চালু করেছিলেন। তবে খাজা নাজিমুদ্দিনের অধীনে দলটি একটি [[রক্ষণশীলতাবাদ|রক্ষণশীল]] প্ল্যাটফর্ম গ্রহণ করে। [[খাজা নাজিমুদ্দিন]] সংখ্যালঘুদের সমধিকারের বিরোধিতা করেছিলেন। ফলশ্রুতিতে দলটি বেশিরভাগ প্রগতিশীল উচ্চবিত্তদের সমর্থন হারায়। তবে তার নীতিমালা বেশিরভাগই তাঁর [[মোহাম্মদ আলী বগুড়া]] এবং [[চৌধুরী মুহাম্মদ আলি]]র মতো উত্তরসূরিদের দ্বারা বাতিল করা হয়। তারা সব ধরনের মানুষের সাম্য এবং স্বাধীনতায় গুরুত্ব দিতেন।
 
মুসলিম যুগের অর্থনৈতিক নীতি ছিল পুঁজিবাদী ঘরনার। [[লিয়াকত আলী খান]] এবং [[মোহাম্মদ আলী বগুড়া]]র মতো প্রধানমন্ত্রীরা পশ্চিমা ধাঁচের অর্থনীতির প্রখর সমর্থক এবং অর্থনৈতিক উদারপন্থী রাজস্ব রক্ষণশীলতার প্রচার করেছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তান [[সেন্টো]] এবং [[সিয়াটো]] মতো পুঁজিবাদীপন্থী চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। একই সাথে তারা দেশে কম্যুনিস্ট প্রভাবের যে কোনও সম্ভাব্য সম্ভাবনা প্রতিরোধ করে।
 
== তথ্যসূত্র ==