"সাতই মার্চের ভাষণ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(→‎ভাষণ রেকর্ড: বানান সংশোধন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
তিনি উক্ত ভাষণ বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে শেষ করেন। উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়। <ref name="ReferenceA">''বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ - দলিল পত্র ১৫শ খণ্ড''</ref> এই ভাষণে তিনি তৎকালীন [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানের]] (বর্তমানে বাংলাদেশ) বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। এই ভাষণের একটি লিখিত ভাষ্য অচিরেই বিতরণ করা হয়েছিল। এটি [[তাজউদ্দীন আহমদ]] কর্তৃক কিছু পরিমার্জিত হয়েছিল। পরিমার্জনার মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবীটির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা।<ref name="ReferenceA" /> ১২টি ভাষায় ভাষণটি অনুবাদ করা হয়৷ ''নিউজউইক'' ম্যাগাজিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০১৭ সালের ৩০ শে অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1355191/বঙ্গবন্ধুর-৭-মার্চের-ভাষণ-ঐতিহাসিক-দলিল-ইউনেস্কো|শিরোনাম=বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ঐতিহাসিক দলিল: ইউনেস্কো|কর্ম=[[দৈনিক প্রথম আলো]]}}</ref>
 
== পটভূমি ==
১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে [[আওয়ামী লীগ]] [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী এই দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বিলম্ব করতে শুরু করে। প্রকৃতপক্ষে তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যে-কোনভাবে ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানী রাজনীতিবিদদের হাতে কুক্ষিগত করে রাখা। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট [[ইয়াহিয়া খান|জেনারেল ইয়াহিয়া খান]] [[৩রা মার্চ]] জাতীয় পরিষদ অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে [[১লা মার্চ]] এই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। এই সংবাদে [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানের]] জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে [[২রা মার্চ]] ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারাদেশে একযোগে [[হরতাল]] পালিত হয়। তিনি ৩রা মার্চ [[পল্টন ময়দান|পল্টন ময়দানে]] অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় সমগ্র পূর্ব বাংলায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই পটভূমিতেই ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় বিপুল সংখ্যক লোক একত্রিত হয়; পুরো ময়দান পরিণত হয় এক জনসমুদ্রে। এই জনতা এবং সার্বিকভাবে সমগ্র জাতির উদ্দেশ্যে শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করেন।<ref>''সাতই মার্চের ভাষণ'' - [[বাংলাপিডিয়া]], লেখক - হেলাল উদ্দিন আহমেদ।</ref>
 
বেনামী ব্যবহারকারী