"স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ভাষাগত সংশোধন৷
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
(ভাষাগত সংশোধন৷)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
জিডিপি : একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সামষ্টিক মূল্যই হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি বা গ্রোস ডমেস্টিক প্রডাক্ট)। আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে এ উৎপাদন যে হারে বাড়ে সেটি হচ্ছে জিডিপির প্রবৃদ্ধি। জিডিপি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে মোট জাতীয় উৎপাদন (জিএনপি) অর্থনীতি পরিমাপক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তবে জিডিপি ও জিএনপির মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জিডিপি একটি এলাকা নিয়ে চিন্তা করে যেখানে পণ্য বা সেবা উৎপাদিত হয়। অন্যদিকে জিএনপি একটি অঞ্চলের উদ্ভূত আয় নিয়ে চিন্তা করে।
 
মূলত তিনটি খাতের সমষ্টি জিডিপি। বাংলাদেশে খাতগুলো হল কৃষি, শিল্প ও সেবা। জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান সেবা খাতের। গত অর্থবছরে ৫৩ দশমিক .৬২ শতাংশ।%। শিল্পের ৩০ দশমিক .৪২ শতাংশ% এবং কৃষি খাতের অবদান ১৫ দশমিক .৯৬ শতাংশ।%। জিডিপি হিসাব করতে গিয়ে ১৫টি খাত ও উপখাতের বাজারমূল্য হিসাব করা হয়।
 
বাৎসরিক হিসাবে জিডিপির শতকরা হিসাবে বৃদ্ধি প্রবৃদ্ধি বলা হয়। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাজার মূল্যে বাংলাদেশের জিডিপির আকার ১৫ লাখ ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ২০০৫-০৬ ভিত্তি ধরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক .৫১ শতাংশ।%। বাংলাদেশে প্রায় এক দশক ধরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের% ওপরে রয়েছে।
 
জিএনপি : জিডিপি ও জিএনপি প্রায় সমার্থক। তবে সামন্য পার্থক্যও আছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের জনগণ মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন করে তার অর্থমূল্যকে মোট জাতীয় উৎপাদন বা জিএনপি বলে। জাতীয় উৎপাদনের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী ও কর্মরত বিদেশি ব্যক্তি ও সংস্থার উৎপাদন বা আয় অন্তর্ভুক্ত হবে না। তবে বিদেশে বসবাসকারী ও কর্মরত দেশি নাগরিক, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও আয় অন্তর্ভুক্ত হবে।
বেনামী ব্যবহারকারী