"আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Sncrshanto (আলাপ)-এর করা সম্পাদনাগুলি বাতিল করে Mithu Sukanta-এর করা সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
(→‎সমালোচনা: সংশোধন)
(Sncrshanto (আলাপ)-এর করা সম্পাদনাগুলি বাতিল করে Mithu Sukanta-এর করা সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পূর্বাবস্থায় ফেরত SWViewer [1.3]
বাংলাদেশের খাবার বিতরন নিয়ে গুজব ছড়ালে তারা উদ্বৃতি দেয় যে, বাংলাদেশে হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার বিতরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকার শুধুমাত্র একটি স্কুলে হিন্দু ছাত্রছাত্রীরা ‘হরে কৃষ্ণ’ মন্ত্র বলেছে। ইসকন শুধুমাত্র হিন্দুদের মাঝেই ধর্মীয় প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://directory.krishna.com |শিরোনাম=Directory of ISKCON |প্রকাশক=Directory.krishna.com |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=2009-10-01}}</ref><ref>{{Harvnb|Cole Dwayer|2007|p=38}}</ref>
[[File:Mahamantra.png|thumb|[[বাংলা লিপি]]<nowiki>তে</nowiki> [[হরে কৃষ্ণ]] (মহা[[মন্ত্র]])]]
তবে বাংলাদেশে ইসকনকে নিয়ে নেতিবাচক ধারনা রয়েছে। ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে হরে কৃষ্ণ বলা হচ্ছে। অবশ্য এ নিয়ে পরবর্তীতে দুঃখ প্রকাশ করে ইসকন। প্রসাদ খাইয়ে শিক্ষার্থীদের ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম’ মন্ত্র পাঠ করার ঘটনাকে ‘অন্যায়’ বলে মন্তব্য করে হাইকোর্ট।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://ctgpratidin.com/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a6/|শিরোনাম=খাবার বিতরণের ব্যাখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে ইসকন|তারিখ=2019-07-18|ওয়েবসাইট=Chattogram Pratidin|ভাষা=en-US|সংগ্রহের-তারিখ=2019-08-22}}</ref>
তবে বাংলাদেশে ইসকনকে নিয়ে কিছু সার্থান্নেষী মহল মিথ্যা গুজব ছড়িয়েছিলো। কিন্তু গুজবগুলো যে মিথ্যা তা পরবর্তীতে প্রমানিত হয়।
 
এছাড়াও প্রায়ই ''ইসকন মন্দির'' নির্মান ও ইসকনের কার্যক্রম নিয়ে ইসকন ও স্থানীয় মুসলানদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।
 
== বাংলাদেশে ইসকন পরিচালিত মন্দিরসমূহ ==
৫৫টি

সম্পাদনা