"পতিসর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
== ইতিহাস ==
জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জমিদারির কালিগ্রাম পরগনার সদর কাচারি ছিল এই পতিসরে। রবীন্দ্রনাথের পিতামহ  দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮৩০ সালে এই জমিদারি ক্রয় করেন। রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং জমিদারি দেখাশোনার জন্য ১৮৯১ সালের জানুয়ারিতে প্রথম পতিসরে আসেন। ১৯২১ সালে জমিদারি ভাগ হলে পতিসর রবীন্দ্রনাথের ভাগেই পড়ে, কিন্তু সাংসারিক নানা কারণে একদা পতিসরের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত সম্পর্কে ছেদ পড়ে। কবি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হলে পতিসরের প্রজারা তাঁকে মানপত্র দিয়ে অভিনন্দন জানায় (১৯১৩)। প্রজাদের অনুরোধে  [[পুণ্যাহ]] উপলক্ষে তিনি ১৯৩৭ সালে শেষবারের মতো পতিসর পরিদর্শন করেন। <ref name="Boi"//>
 
পতিসর এখন একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। দেশ-বিদেশের বহু রবীন্দ্রভক্ত প্রতিবছর রবীন্দ্রস্পর্শধন্য এই পতিসর পরিদর্শনে আসেন। রবীন্দ্রনাথের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে প্রতিবছর আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিবছর জাতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্রবার্ষিকী অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবেও পতিসরে রবীন্দ্রজন্মোৎসব পালিত হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, এমনকি বিদেশ থেকেও রবীন্দ্রভক্ত এবং রবীন্দ্রগবেষকগণ এসব অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।refকরেন।<ref name="Boi"/>
 
=== জমিদারী ===
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ ও জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের অন্যতম সদস্য দ্বারকানাথ ঠাকুর এ অঞ্চলের জমিদারি ১৮৩০ সালে কেনার পর ১৮৯১ সালে রবীন্দ্রনাথ জমিদারি দেখাশোনার জন্য এ অঞ্চলে আসেন।{{তথ্যসূত্র প্রয়োজন}} এই কাচারীতে অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেশ কিছু কাব্য, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেন। এই স্থানটির চারপাশেই রবি ঠাকুরের পরিবার কর্তৃক স্থাপিত বেশ কিছু স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, একটি বিদ্যালয়(কালীগ্রাম রথীন্দ্রনাথ ইন্সটিটিউশন), দাতব্য হাসপাতাল ও পুরাতন একটি কৃষি ব্যাংক যা ১৯০৫ সালে স্থাপিত হয়েছিল। এছাড়াও গড়ে তুলেছিলেন মৃৎশিল্প।
 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল প্রাপ্তির পর সর্বশেষ ১৯৩৭ সালে পতিসরে আসেন।{{তথ্যসূত্র প্রয়োজন}} বর্তমানে এখানে, রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন ও মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
 
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা}}
৪,২১৪টি

সম্পাদনা