"আকিরা কুরোসাওয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎প্রাথমিক জীবন: তথ্যসূত্র যোগ
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(→‎প্রাথমিক জীবন: তথ্যসূত্র যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
কুরোসাওয়া পরিবার প্রাক্তন সামুরাইদের বংশধারা বহন করে আসছিল। তার বাবা জাপানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত একটি জুনিয়র হাই স্কুলের পরিচালকের দায়িত্ব নিয়োজিত ছিলেন। এই পরিবারের অর্থাভাব কোনও কালেই ছিল না। বাবা ইসামু কুরোসাওয়া পশ্চিমা সংস্কৃতির অনেক কিছুই পালন করতেন, যেমন স্কুলে পরিচালিত অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতা ও সপরিবারে সিনেমা দেখতে যাওয়া। উল্লেখ্য জাপানি নাট্যাঙ্গণে এই সিনেমাগুলো তখন কেবলমাত্র আসতে শুরু করেছিল। পরবর্তীতে জাপানি সংস্কৃতি যখন পশ্চিমা চলচ্চিত্রের প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠে তখন ইসামু মনে করতেন, চলচ্চিত্র এক ধরনের ইতিবাচক শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা।
 
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকিরার এক শিক্ষক তাকে আঁকতে উৎসাহ দিতেন। <ref>{{Harvnb|Kurosawa|1983|pp=12–13}}</ref> তিনি আকিরার মেধা দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন এবং তাকে চোখে চোখে রাখতেন। তার উপর তার বড় ভাই হেইগোর বিশাল প্রভাব ছিল। হেইগো খুব মেধাবী ছিলেন এবং স্কুলের অনেক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। অবশ্য চরিত্রের দিক দিয়ে তিনি একটু নৈরাশ্যবাদী ছিলেন। ১৯২৩ সালে [[১৯২৩ সালের কান্তো ভূমিকম্প|কান্তো ভূমিকম্পে]] টোকিওর এক লক্ষ মানুষ মারা যায়। ভূমিকম্পের পর ১৭ বছর বয়সী হেইগো ও ১৩ বছর বয়সী আকিরা হেঁটে হেঁটে বিধ্স্ত অঞ্চল পরিদর্শন করেছিলেন। তারা দেখেছিলেন সর্বত্র স্তূপ হয়ে থাকা মানুষের লাশ। আকিরা যখনই মৃত্যু দেখে ঘাড় ঘুরিয়ে নিতে চাইছিলেন, তখনই হেইগো তাকে এমনটি করতে নিষেধ করছিলেন। আকিরার ভাষ্যমতে এই অভিজ্ঞতা তাকে একটি সত্য শিখিয়েছিল, সেটি হল: ভীতিকর কিছুর দিকে সরাসরি তাকালে তার ভয় দেখানোর ক্ষমতা চলে যায়।<ref>{{Harvnb|Kurosawa|1983|pp=51–52}}</ref><ref>{{Harvnb|Prince|p=302}}</ref>
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকিরার এক শিক্ষক তাকে আঁকতে উৎসাহ দিতেন। <ref>{{Harvnb|Kurosawa|1983|pp=12–13}}</ref>
তিনি আকিরার মেধা দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন এবং তাকে চোখে চোখে রাখতেন। তার উপর তার বড় ভাই হেইগোর বিশাল প্রভাব ছিল। হেইগো খুব মেধাবী ছিলেন এবং স্কুলের অনেক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। অবশ্য চরিত্রের দিক দিয়ে তিনি একটু নৈরাশ্যবাদী ছিলেন। ১৯২৩ সালে [[১৯২৩ সালের কান্তো ভূমিকম্প|কান্তো ভূমিকম্পে]] টোকিওর এক লক্ষ মানুষ মারা যায়। ভূমিকম্পের পর ১৭ বছর বয়সী হেইগো ও ১৩ বছর বয়সী আকিরা হেঁটে হেঁটে বিধ্স্ত অঞ্চল পরিদর্শন করেছিলেন। তারা দেখেছিলেন সর্বত্র স্তূপ হয়ে থাকা মানুষের লাশ। আকিরা যখনই মৃত্যু দেখে ঘাড় ঘুরিয়ে নিতে চাইছিলেন, তখনই হেইগো তাকে এমনটি করতে নিষেধ করছিলেন। আকিরার ভাষ্যমতে এই অভিজ্ঞতা তাকে একটি সত্য শিখিয়েছিল, সেটি হল: ভীতিকর কিছুর দিকে সরাসরি তাকালে তার ভয় দেখানোর ক্ষমতা চলে যায়।<ref>{{Harvnb|Kurosawa|1983|pp=51–52}}</ref><ref>{{Harvnb|Prince|p=302}}</ref>
 
হেইগো এক সময় টোকিও চলচ্চিত্র থিয়েটারে [[বেনশি]] হিসেবে কাজ করা শুরু করে। বেনশিরা নির্বাক চলচ্চিত্রের দর্শকদের জন্য পেছন থেকে কাহিনী ও কথোপকথন বর্ণনা করত। এই বিষয়টা নির্বাক চলচ্চিত্রে জাপানিদের বিশেষ সংযোজন হিসেবে প্রশংসা অর্জন করেছিল। কিন্তু সবাক চলচ্চিত্রের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে জাপান জুড়ে বেনশিরা চাকরি হারাতে থাকে। হেইগো একটা বেনশি আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এ সময় আকিরা শ্রমিক ব্যবস্থাপনা আন্দোলনের সাথে জড়িয়ে পড়েন এবং একটি পত্রিকায় এ নিয়ে লেখালেখি করেন। একই সাথে চিত্রকর এবং সাহিত্য পাঠক হিসেবে তার দক্ষতার ভিত গড়ে উঠতে থাকে। জীবনে বেশ কিছু কাজে প্রতিফলিত হলেও আকিরা কখনও নিজেকে [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বলেন নি।
 
আকিরার বয়স যখন বিশের একটু উপরে তখন তার বড় ভাই হেইগো আত্মহত্যা করেন।<ref>{{Harvnb|Richie|1999|p=11}}</ref> এর চার মাস পড়ে কুরোসাওয়া পরিবারের বড় ছেলে মারা যান। চারজন ছেলের মধ্যে তখন কেবল আকিরাই বেঁচে থাকেন। তখন তার বয়স ছিল ২৩ বছর। <ref name="Galbraith IV 2002 19" /><ref name="story" />
 
== প্রাথমিক কর্মজীবন ==