"আসাম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

আদি অসমবাসি
(1850-2020 বসবাসকারী বংশোদ্ভূত)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(আদি অসমবাসি)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
'''আসাম''' বা '''অসম''' ([[অসমীয়া ভাষা|অসমীয়া]]: অসম ''অখ়ম্‌'') [[ভারত|ভারতবর্ষের]] উত্তর-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত একটি রাজ্য।
আসামের অধিবাসী বা আসামের ভাষাকে [[অসমীয়া]] বা ইংরেজিতে Assamese নামে আখ্যায়িত করা হয়। তবে আসামের এক-তৃতীয়াংশ অধিবাসী [[বাঙালী]] এবং তারা [[অসমীয়া]] ভাষীক আগ্রাশন থেকে নিজেদের ভাষা ও কৃষ্টি রক্ষার্থে লড়াই করে যাচ্ছে। এই অসম রাজ্য 1971,1961,এই অনেক বাংলাদেশীরা এই রাজ্যে আসতে শুরু করেন তাই এই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী সংখ্যা এতটাই বেশি হয়েছে তা বলার মত অপেক্ষা রাখতে পারে না , হে তবে আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে। ব্রিটিশ শাসনকালে বিশেষ করে 1850 থেকে 1860 এর মধ্যে ব্রিটিশরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনেক শ্রমিক এনেছিলেন চা বাগানে জন্য ।যার মধ্যে অন্যতম রাজ্য হচ্ছে উরিষ্যা, বিহার তাছাড়া অন্যান্য রাজ্য এর ভাষাভাষী চা শ্রমিক বসবাস করে ,তারা প্রত্যেক জাতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ।
 
কলকাতা ( মেদিনীপুর , পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমান )
অসমের দুই উপত্যকা ব্রহ্মপুত্র এবং বরাক উপত্যকা । যারা 1850 থেকে বর্তমান অবধি পর্যন্ত যারা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার আছে তারা অসমীয়া সংস্কৃতির সাথে মিশে গেছে যারা বরাক উপত্যকায় চা বাগানগুলোতে বাস করে সে বাঙালি গুলো আজও পশ্চিমবঙ্গের রাঢ়ী
ঝাড়খন্ডী বাংলা উপভাষা তে কথা বলে এই বাঙালাভাষি চা শ্রমিকরা ,তবে হে রাঢ়ী এবং ঝাড়খন্ডী 90% পশ্চিমবঙ্গের ভাষা সাথে মিলিত বাকি 10% না মিল হওয়া এটাই স্বাভাবিক কেননা দেশ স্বাধীন আজ কত বছর হয়ে গেছে !
অসমিয়া ভাষাকে স্নেহের সাথে সম্মান করে এবং অসমিয়া ভাষাকে রাজ্য ভাষা হিসেবে গর্ব করে ।
 
১৮২৬ সালে [[ইয়াণ্ডাবু সন্ধি|ইয়াণ্ডাবু চুক্তির]] মাধ্যমে আসাম প্রথম [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ ভারতের]] অন্তর্ভুক্ত হয়। এ প্রদেশ মূলত চা, রেশম, পেট্রোলিয়াম এবং জীববৈচিত্রের জন্য বিখ্যাত। আসাম সাফল্যের সঙ্গে একশৃঙ্গ গণ্ডার সংরক্ষণ করে তাদের অবলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছে। এছাড়াও এখানে বাঘ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি সংরক্ষিত হয়েছে। [[এশীয় হাতি|এশীয় হাতির]] অন্যতম বাসস্থান হল আসাম। এ রাজ্যটি বন্যপ্রাণী পর্যটনের ক্ষেত্রে ক্রমেই একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হয়ে উঠছে।
৩টি

সম্পাদনা