অলি আহাদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(তথ্যসূত্র যোগ)
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বেই [[আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়|আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ডা: জিয়াউদ্দিন উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের [[মুহম্মদ শহীদুল্লাহ|ড. শহীদুল্লাহ্‌]] পাল্টা বাংলা ভাষার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে ‘তমুদ্দুন মজলিস’ পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার দাবিতে প্রচারাভিযান শুরু করে। পাকিস্তানের গনপরিষদে বাংলা ভাষার স্থান না হওয়ায় [[১৯৪৮]] সালের [[মার্চ ১১|১১ মার্চ]] ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজ প্রতিবাদ সভা, সাধারণ ধর্মঘট ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ঐ দিন পুলিশ ছাত্রদের বাধা দেয় এবং বহু ছাত্রকে গ্রেফতার করে। বন্দী নেতাদের মধ্যে ছিলেন [[শামসুল হক (রাজনীতিবিদ)|শামসুল হক]], [[শেখ মুজিবুর রহমান]], অলি আহাদ, শওকত আলি, কাজী গোলাম মাহবুব প্রমুখ<ref>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশি বছর; অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম</ref>।
 
[[মার্চ ২৪]] তারিখে রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদের একটি প্রতিনিধিদল [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ্‌র]] সাথে সাক্ষাৎ করেন ও বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। এই প্রতিনিধিদলে ছিলেন [[শামসুল হক (রাজনীতিবিদ)|শামসুল হক]], কামরুদ্দিন আহমেদ, আবুল কাশেম, [[তাজউদ্দিন আহমেদ]], [[মোহাম্মদ তোয়াহা]], আজিজ আহমদ, অলি আহাদ, নঈমুদ্দিন আহমদ, শামসুল আলম এবং নজরুল ইসলাম।
 
[[১৯৫২]] সালের [[জানুয়ারি ২৬|২৬ জানুয়ারি]] পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী [[খাজা নাজিমুদ্দিন]] ঢাকায় [[নিখিল পাকিস্তান মুসলিম লীগ|নিখিল পাকিস্তান মুসলিম লীগের]] অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা তখন ঢাকায় ছাত্রসমাজ ফেটে পড়ে। প্রতিবাদস্বরুপ [[জানুয়ারি ৩০|৩০ জানুয়ারি]] ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয় এবং [[আতাউর রহমান খান|আতাউর রহমান খানের]] সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আওয়ামী মুসলিম লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ, খিলাফতে রব্বানী পার্টির প্রতিনিধিদের নিয়ে ‘সর্বদলীয় কর্মপরিষদ’ গঠিত হয়। [[ফেব্রুয়ারি ৪|৪ ফেব্রুয়ারি]] পুনরায় ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয় এবং স্থির হয় [[ফেব্রুয়ারি ২১|২১ ফেব্রুয়ারি]] রাষ্ট্রভাষা দিবসরুপে পালিত হবে। [[ফেব্রুয়ারি ২০|২০ ফেব্রুয়ারি]] সন্ধায় [[নুরুল আমিন]] সরকার ঢাকায় ১১৪ ধারা জারি করে। নবাবপুরে আওয়ামী লীগ অফিসে [[আবুল হাশিম|আবুল হাশিমের]] সভাপতিত্বে ১১৪ ধারা না ভাঙ্গার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু, বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ ১১৪ ধারা ভঙ্গ করতে বদ্ধপরিকর ছিল। সংগ্রাম পরিষদের সভায় [[আবদুল মতিন]], অলি আহাদ ও [[গোলাম মওলা]] ১১৪ ধারা ভাঙ্গার পক্ষে ভোট দেন। ছাত্ররা ১০ জনে অসংখ্য দলে বিভক্ত হয়ে শৃঙ্খলার সঙ্গে ১১৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেয়।
[[ফেব্রুয়ারি ২১|২১ ফেব্রুয়ারি]] ছাত্ররা ১১৪ ধারা ভাঙ্গা শুরু করলে ছাত্রদের সাথে পুলিশের খন্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
[[ফেব্রুয়ারি ২৪|২৪ ফেব্রুয়ারি]] সকালে অনানুষ্ঠানিক ভাবে শহীদ শফিউর রহমানে পিতা আর [[ফেব্রুয়ারি ২৬|২৬ ফেব্রুয়ারি]] [[আবুল কালাম শামসুদ্দিন]] আনুষ্ঠানিক ভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেছিলেন। ইতিমধ্যে পুলিশ নিরাপত্তা আইনে [[আবুল হাশিম]], [[আবদুল হামিদ খান ভাসানী]], [[মুনীর চৌধুরী|অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী]], [[অজিতকুমার গুহ|অধ্যাপক অজিতকুমার গুহ]], [[পুলিন দে]], অধ্যাপক পৃথ্বিশ চক্রবর্তী, অলি আহাদ প্রমুখকে গ্রেফতার করে। [[নুরুল আমিন]] সরকার ভাষা আন্দোলনকারীদের ‘ভারতের চর’, ‘হিন্দু’, ‘কমিউনিস্ট’ ইত্যাদি আখ্যা দেয়। <ref>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশি বছর- [[রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক)|রফিকুল ইসলাম]]; পৃষ্ঠা: ১৪১-১৪৫</ref>
 
==আরো দেখুন==
* [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]
৯০টি

সম্পাদনা