"আতা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

৩৭ বাইট বাতিল হয়েছে ,  ১ বছর পূর্বে
পরিষ্কারকরণ
(→‎আতা গাছ: সম্প্রসারণ)
(পরিষ্কারকরণ)
}}
 
'''আতা''' হল [[অ্যানোনেসি]] (Annonaceae) পরিবারভুক্ত এক ধরনের যৌগিক ফল। এটি '''[[শরিফা]]''', '''[[শরীফা]]''' এবং '''[[নোনা]]''' নামেও পরিচিত। এই ফলের ভিতরে থাকে ছোট ছোট কোষ। প্রতিটি কোষের ভেতরে থাকে একটি করে বীজ, বীজকে ঘিরে থাকা নরম ও রসালো অংশই খেতে হয়। পাকা ফলের বীজ কালো এবং কাঁচা ফলের বীজ সাদা। বীজ বিষাক্ত। এটি গুচ্ছিত ফল অর্থাৎ একটি মাত্র পুষ্পের মুক্ত গর্ভাশয়গুলো হতে একগুচ্ছ ফল উৎপন্ন হয় ৷ <ref name="FNA">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি
| শেষাংশ =Flora of North America
| লেখক-সংযোগ =Flora of North America
 
== প্রজাতিসমূহ ==
 
বর্তমানে সাতটি এনোনা ([[Annona]]) গণভুক্ত '[[প্রজাতি]]' এবং একটি '[[শঙ্কর]] জাত' পৃথিবীজুড়ে বাড়ির আশেপাশে বা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে [[চাষ]] করা হয়। সবগুলোই সুস্বাদু ফল। <ref name="icuc">{{ওয়েব উদ্ধৃতি
|ইউআরএল = http://www.icuc-iwmi.org/files/News/Resources/Factsheets/annona.pdf
 
== আতা গাছ ==
 
আতার আদিবাস ভারত। [[বাংলাদেশ]] ও [[ভারত|ভারতে]] এটি বসতবাড়ীর আঙিনায় এবং বনে-জঙ্গলে জন্মে থাকে। তবে [[থাইল্যান্ড]], [[অস্ট্রেলিয়া]] ও [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে]] এর বাণিজ্যিক চাষাবাদ হয়ে থাকে। আতা গাছ [[বৃক্ষ]] জাতীয় উদ্ভিদ। গাছের আকার খুব বড় নয় ; উচ্চতায় ৩ থেকে ৫ মিটার। শীতকালে এর পাতা ঝরে যায় এবং বসন্তকালে নতুন পাতা গজায়, ফুল ধরে। পাতার আকৃতি বল্লমের মতো, অগ্রভাগ সরু। এর ফুল দেখতে [[কাঁঠালি চাঁপা|কাঁঠালি চাঁপার]] মতো যার রঙ হালকা সবুজ থেকে সবুজাভ হলুদ হয়ে থাকে। কাচা ফল খাওয়া যায় না। বেলে দো-আঁশ মাটিতে আতা গাছ ভাল জন্মে <ref name="FNA" />। বীজ থেকে এর চারা করা হয়। এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ফুল ধরে এবং ৪/৫ মাসের মধ্যে আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ফল পেকে যায়। আতাফল হৃৎপিন্ড আকৃতির হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও শর্করা জাতীয় খাদ্যোপদান রয়েছে। পাকা আতার শাঁস মিস্টি হয়ে থাকে। খাওয়ার সময় জিভে চিনির মতো মিহি দানা দানা লাগে। এর কিছু ভেষজ গুণ রয়েছে। যেমন পাকা আতার শাঁস বলকারক, বাত-পিত্তনাশক ও বমনরোধক।<ref>মৃত্যুঞ্জয় রায়: ''বাংলার বিচিত্র ফল''। দিব্য প্রকাশ,২০০৭, ঢাকা। {{আইএসবিএন|984-483-266-7}} পৃ: ৯৪।</ref>