"হামিদুজ্জামান খান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(→‎শৈল্পিক ধারা: বানান সংশোধন)
২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনুরোধে হামিদ ''শান্তির পাখি'' নামে একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। এটি [[ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ছাত্র-শিক্ষক কেন্দের (টিএসসি)]] সম্মুখে স্থাপিত হয়েছে। ভাস্কর্যটি স্টেইনলেস ইস্পাতে তৈরি এবং এতে একদল পাখি বিমূর্ত আঙ্গিকে একটি তির্যক কলামের উপরে উপস্থাপিত হয়েছে। ২০০৭ সালে হামিদুজ্জামান খান টিকাটুলিতে অবস্থিত ঐতিহাসিক [[রোজ গার্ডেন|রোজ গার্ডেনকে]] কেন্দ্র ''রোজ গার্ডেন'' শিরোনামে করে একটি বই প্রকাশ করেন। এই বইতে তিনি রোজ গার্ডেন প্রাসাদের বিভিন্ন বিষয়বস্তু কালি-কলম, ক্রেয়ন এবং জলরঙ মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। বইতে ভবনের দেয়ালে কারুকাজ ছাড়াও তিনি চাঁদনী রাতে, বর্ষায়, দিবালোকে বিভিন্ন সময় রোজ গার্ডেন দেখতে কেমন লাগে, প্রাসাদ চত্বরের সাদা সিমেন্টের ভাস্কর্য, গোলাপ বাগানের সৌন্দর্যকে তুলে ধরেছেন। ২০১১ সালে মতিঝিলে [[বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন]] প্রাঙ্গনে ''ইউনিটি'' নামে হামিদের একটি ভাস্কর্য স্থাপিত হয়। ইস্পাত দিয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটির উচ্চতা ৩২ ফুট।
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগ থেকে ২০১২ সালে হামিদ অবসর গ্রহণ করেন। ২০১৭ সালে [[বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর]] ''হামিদুজ্জামান খান রেট্রোস্পেকটিভ'' নামে ১৯৬৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত তাঁর নির্মিত শিল্পকর্ম নিয়ে একটি প্রদর্শনী আয়োজন করে। এতে প্রায় ৩০০টি ভাস্কর্য এবং ২৫টি চিত্রকর্ম উপস্থাপন করা হয়। ২০১৮ সালসালে অবধি,[[গাজীপুর হামিদেরজেলা|গাজীপুরের]] ৩৩টি[[কালিয়াকৈর এককউপজেলা|কালিয়াকৈরে]] প্রদর্শনীহামিদুজ্জামানের হয়েছে।কর্মজীবন চারও তাঁর পাঁচ দশকের বেশিশিল্পসাধনার সময়েরপ্রতি কর্মজীবনেসম্মান হামিদেরজানিয়ে নির্মাণ‘[[হামিদুজ্জামান করাভাস্কর্য ১৫০-এরপার্ক]]’ বেশিনামে একটি ভাস্কর্য বাংলাদেশসহউদ্যান পৃথিবীরপ্রতিষ্ঠিত বিভিন্নহয়।<ref দেশেname=PA>{{Cite স্থাপিতnews |date=2020-02-08 |title=ভাস্কর্যের পার্ক |url=https://www.prothomalo.com/pachmisheli/article/1638707/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95 |work=[[প্রথম আলো]] |access-date=2020-04-11}}</ref> সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান [[মুহাম্মদ আজিজ খান (ব‍্যবসায়ী)|মুহাম্মদ আজিজ খানের]] অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় সামিট গাজীপুর ৪৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র চত্বরের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক পরিবেশে ২ একর জায়গার এই উন্মুক্ত উদ্যানে হামিদুজ্জামানের প্রায় ২০টি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া উদ্যানটিতে হামিদুজ্জামানের স্থাপনা শিল্প ও চিত্রকর্মও রয়েহে।<ref name=DS>{{Cite news |date=2020-02-20 |title=Summit’s ‘Hamiduzzaman Sculpture Park’ in the making |url=https://www.thedailystar.net/arts-entertainment/news/summits-hamiduzzaman-sculpture-park-the-making-1862194 |work=[[দ্য ডেইলি স্টার]] |access-date=2020-04-11}}</ref>
 
২০১৮ সাল অবধি, হামিদের ৩৩টি একক প্রদর্শনী হয়েছে। পাঁচ দশকের অধিক সময়ের কর্মজীবনে হামিদের নির্মাণ করা ১৫০-এর বেশি ভাস্কর্য বাংলাদেশ, ভারত, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রে স্থাপিত বা প্রদর্শিত হয়েছে।
 
==শৈল্পিক ধারা==