"বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রচনাশৈলী
(তথ্যছক)
(রচনাশৈলী)
}}
 
'''বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি''' হচ্ছে বাংলাদেশের একটি [[রাজনৈতিক দল]]। এই দলটি [[বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি]] থেকে বিভক্ত হয়ে গড়ে ওঠেওঠে। এবংএই তখনদলের থেকেগণসংগঠনসমূহ এইহচ্ছে পার্টিওবাংলাদেশ 'বাংলাদেশেরকৃষক ওয়ার্কার্সশ্রমিক পার্টি'ইউনিয়ন, বিপ্লবী কৃষক সংহতি এবং শ্রমজীবী নামটিনারী ব্যবহারমৈত্রী। করত।দলটি প্রকাশ করে ''জনগণতন্ত্র''।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল= http://www.thefinancialexpress-bdcpiml.infoorg/search_indexliberation/year_2008/january/interview_with_saiful_huq.php?news_id=36743&page=detail_news html|শিরোনাম=Welcome thefinancialexpress-bd.infoInterview -with BlueHost.comSaiful |প্রকাশক=ThefinancialexpressHuq<!--bd.info |তারিখ=Bot generated title |সংগ্রহের-তারিখ=2014-06-24>}}</ref> দলের সভাপতি ছিলেন খন্দকার আলী আব্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুল হক। ১৪ জুন, ২০০৪ সালে এই গ্রুপটি 'বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি' থেকে বেরিয়ে আসে। এরা [[আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগের]] সাথে ঐক্যবদ্ধ যৌথ কর্মসূচির কৌশলের বিরোধিতা করে।
 
==ইতিহাস==
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ২০০৪ সালের পরে দীর্ঘকাল 'বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি' নামটি ব্যবহার করত।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thefinancialexpress-bd.info/search_index.php?news_id=36743&page=detail_news |শিরোনাম=Welcome thefinancialexpress-bd.info - BlueHost.com |প্রকাশক=Thefinancialexpress-bd.info |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=2014-06-24}}</ref> দলের সভাপতি ছিলেন খন্দকার আলী আব্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুল হক। ১৪ জুন, ২০০৪ সালে এই গ্রুপটি 'বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি' থেকে বেরিয়ে আসে। এরা [[আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগের]] সাথে ঐক্যবদ্ধ যৌথ কর্মসূচির কৌশলের বিরোধিতা করে।
 
এই দলের গণসংগঠনসমূহ হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক ইউনিয়ন, বিপ্লবী কৃষক সংহতি এবং শ্রমজীবী নারী মৈত্রী। দলটি প্রকাশ করে ''জনগণতন্ত্র''।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল= http://www.cpiml.org/liberation/year_2008/january/interview_with_saiful_huq.html|শিরোনাম= Interview with Saiful Huq<!-- Bot generated title -->}}</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
৩২,২৮১টি

সম্পাদনা