"আবুল হোসেন (লালমনিরহাটের রাজনীতিবিদ)" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

}}</ref> দেশ স্বাধীনের পর তিনি ১৯৭৩ সালে রংপুর-১৪ আসনের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন।<ref name="1973results">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.parliament.gov.bd/images/pdf/formermp/1st.pdf |শিরোনাম=List of 1st Parliament Members |ওয়েবসাইট=জাতীয় সংসদ|ভাষা=bn |সংগ্রহের-তারিখ=13 August 2014|বিন্যাস=PDF}}</ref> এরপর, ১৯৮৬ সালে তিনি [[লালমনিরহাট-৩]] আসনের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।<ref name="1986results">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.parliament.gov.bd/images/pdf/formermp/3rd.pdf |শিরোনাম=List of 3rd Parliament Members |ওয়েবসাইট=জাতীয় সংসদ |ভাষা=bn |সংগ্রহের-তারিখ=13 August 2014|বিন্যাস=PDF}}</ref>
 
লালমনিরহাটের ইতিহাসের সাথে যে ক’জন মানুষের নাম অনিবার্য হিসেবে চিরদিন অলংকৃত থাকবে তাদের মধ্যে আবুল হোসেন অন্যতম। তিনি একজন আপোষহীন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ হিসেবে লালমনিরহাটবাসীর কাছে “আবুল এমপি” হিসাবে সুপরিচিত। ছাত্রাবস্থায় তিনি বঙ্গবন্ধুর নীতি আদর্শের প্রতি আস্থবান হয়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পরেন। লালমনিরহাট কলেজ ছাত্র সংসদের প্রথম ভিপি নির্বাচিত হন। পাকিস্তানের ১৯৭০ সনের সাধারণ নির্বাচনে তিনি লালমনিরহাট থেকে প্রথম এমপিএ নির্বাচিত হন।মহান মুক্তিযুদ্ধেঅবিস্মরনীয় নেতৃত্ব প্রদান করে প্রায় আঠার হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযুদ্ধে সম্পৃক্ত করেন।  পরবর্তিতে তিনি ১৯৭৩ ও ১৯৮৬ সনে আরো দু’বার লালমনিরহাট থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে একজন ও সংবিধানের একজন গর্বিত স্বাক্ষরদাতা।গণতন্ত্র, স্বাধীকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি সাহসিকতার সাথে লালমনিরহাটবাসীকে সম্পৃক্ত করেছিলেন। তিনি লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং পর পর তিনবার চেম্বারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি দু’বার এফবিসিসিআই এর পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সর্বোচ্চ পদ ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে  তিনি গোটা বাংলাদেশে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকান্ডে সফলভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। লালমনিরহাটেরউন্নয়নে বিশেষতঃ লালমনিরহাট কে থানা থেকে মহকুমা এবং পরবর্তিতে জেলায় উন্নীতকরণে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।এ অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় তার ত্যাগ নিষ্ঠা ও শ্রম লালমনিরহাটের শিক্ষার উন্নয়নে গুরূত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। ব্যক্তি হিসেবে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সমর্থক হলেও লালমনিরহাটের উন্নয়নে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম করেছেন।  রাজনৈতিক জীবনে তার সহনশীলতা, নিষ্ঠা ও পরমতসহিষ্ণুতার কারণে দলমত নির্বিশেষে তিনি সকলের শ্রদ্ধার আসনে আসীন থাকবেন।
 
 
আবুল হোসেন ২০১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর ৮১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://m.dailyinqilab.com/article/53512/লালমনিরহাট-জেলা-আলীগের-সাবেক-সভাপতি-আবুল-হোসেনের-ইন্তেকাল
৫টি

সম্পাদনা