অতিনবতারা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বানান সংশোধন)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
== নামকরণ ==
=== সুপারনোভা নামের উৎস ===
[[লাতিন]] ভাষায় নোভা শব্দের অর্থ নতুন। নোভা দ্বারা [[খ-গোলক|খ-গোলকে]] অবস্থিত এমন তারাদেরকে বুঝায় যাদেরকে অতি উজ্জ্বল দেখায়। নোভার সাথে সুপার নামীয় উপসর্গটি যোগ হয় সুপারনোভা হয়েছে যা একই সাথে নোভা এবং সুপারনোভার পার্থক্যটি চিহ্নিত করে দিচ্ছে। সুপারনোভা বলতেও ক্রমশ উজ্জ্বলতর হচ্ছে এমন তারাকে বুঝায়, কিন্তু এক্ষেত্রে তারার উজ্জ্বলতার কারণ এবং প্রক্রিয়া একেবারে ভিন্ন। [[মেরিয়াম-ওয়েবস্টার্‌স কলেজিয়েট অভিধান]] থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে সুপারনোভা শব্দটি [[১৯২৬]] সালে প্রথম ব্যবহৃত হয়। সুপারনোভার বংলা করা হয়েছে অতিনবতারা। স্পষ্টতই নবতারার সাথে অতি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে এটির উৎপত্তি ঘটেছে। নবতারা বলতে নোভাকে বুঝায়।
 
=== অতিনবতারাসমূহের নামকরণ নীতিমালা ===
| প্রকাশক = [[Harvard-Smithsonian Center for Astrophysics]]
| সংগ্রহের-তারিখ = 2007-10-16 }}
</ref> পেশাদার ও শৌখিন জ্যোতির্বিদরা বছরে প্রায় কয়েকশো পর্যন্ত অতিনবতারা খুঁজে পান। যেমন, [[২০০৫]] সালে ৩৬৭টি এবং [[২০০৬]] সালে ৫৫১টি অতিনবতারা আবিষ্কৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৫ সালে আবিষ্কৃত সর্বশেষ অতিনবতারাটির নাম রাখা হয় এসএন ২০০৫এনসি যা দ্বারা বোঝা যায় এটি ২০০৫ সালে আবিষ্কৃত ৩৬৭তম অতিনবতারা।<ref>
{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল = http://www.cfa.harvard.edu/iau/lists/Supernovae.html
| শিরোনাম = List of Supernovae
</ref>
 
ঐতিহাসিক অতিনবতারাগুলোর নামকরণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র তাদের আবিষ্কারের বছরই ব্যবহার করা হয়, যেমন: [[এসএন ১৮৫]], [[এসএন ১০০৬]], [[এসএন ১০৫৪]] (টাইকোর নবতারা) এবং [[এসএন ১৬০৪]] (কেপলারের তারা)। [[১৮৮৫]] সালের আগে কোন বছর একাধিক অতিনবতারা আবিষ্কৃত হয় নি। সেই বছরও অবশ্য একটি অতিনবতারা আবিষ্কৃত হয়েছিল। কিন্তু [[১৮৮৫]] সাল থেকেই অতিনবতারার নামের সাথে বর্ণমালা নির্দেশক ব্যবহৃত হতে শুরু করে। যেমন এসএন ১৮৮৫এ, এসএন ১৯০৭এ ইত্যাদি। প্রকৃতপক্ষে ১৯৪৭ সাল পর্যন্তই একটির বেশি অতিনবতারা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই একটি হলেও নামের সাথে বর্ণমালা নির্দেশক ব্যভহৃত হওয়ার ঘটনা সর্বশেষে ঘটেছে এসএন ১৯৪৭এ নামক অতিনবতারার ক্ষেত্রে। নামের শুরুতে ব্যবহৃত "এসএন" একটি ঐচ্ছিক উপসর্গ।
 
== পর্যবেক্ষণের ইতিহাস ==
দ্বিতীয় ধরনের অতিনবতারাকে আবার তাদের বর্ণালির প্রকৃতি অনুযায়ী বিভক্ত করা যায়। এ ধরনের প্রায় সব অতিনবতারাই বেশ বড় ব্যাপ্তির [[নিঃসরণ রেখা]] প্রদর্শন করে। এর মাধ্যমে হাজার কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড পর্যন্ত প্রসারণ বেগ পরিমাপ করা যায়। অবশ্য ব্যতিক্রমী কিছু অতুনবতারার বর্ণালিতে নিঃসরণ রেখার ব্যাপ্তি থাকে সরু। এদেরকে "ধরন IIএন"-এর মধ্যে ফেলা হয় যেখানে এন দ্বারা "ন্যারো" তথা সরু বোঝায়।
 
কয়েকটি অতিনবতারা যেমন এসএন [[১৯৮৭]]কে১৯৮৭কে এবং এসএন [[১৯৯৩]]জে১৯৯৩জে তাদের ধরন পাল্টায়। তারা বিস্ফোরণের প্রথম দিকে হাইড্রোজেন বিশোষণ রেখা প্রদর্শন করলেও কয়েক সপ্তাহ বা মাসের ব্যাপ্তি শেষে তাদের মধ্যে হিলিয়াম বিশোষণ রেখার আধিক্য দেখা যায়। "ধরন IIবি" নামক শ্রেণীটি ঐ সকল অতিনবতারাকে অন্তর্ভুক্ত করে যারা সময়ের ব্যবধানে ধরন II এবং ধরন Iবি উভয় ধরনের বৈশিষ্ট্যই প্রদর্শন করে।
 
== বর্তমান মডেলসমূহ ==
}}—একটি অনুসন্ধানযোগ্য তালিকা।
* {{ওয়েব উদ্ধৃতি | লেখক=বেনামী
| তারিখ = [[জানুয়ারি ১৮]], [[২০০৭]]
| ইউআরএল = http://en.wikiversity.org/wiki/BoomCode
| শিরোনাম = বুমকোড
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা