"মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(→‎ইতিহাস: বানান ঠিক করা হয়েছে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
==মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার সূত্রবলী==
 
===প্রেষণা (MOTIVATION)===
প্রেষণা হলো শ্রমিক-কর্মচারীকে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে কর্মে উদ্দীপ্ত করা। যে কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের চারটি উদ্দেশ্য থাকে যথা: বিক্রয় তথা রাজস্ব বৃদ্ধি, মুনাফা বৃদ্ধি, বাজার বৃদ্ধি এবং গুডউইল বৃদ্ধি। শ্রমিক-কর্মচারীরা আন্তরিকভাবে সক্রিয় না হলে এই উদ্দেশ্যাবলী আদায় হবে না। মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা শাস্ত্রের অন্যতম লক্ষ্য হলো কীভাবে শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যানুযায়ী কাজে ব্যাপৃত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা। অ্যাব্রাহাম মাসলো বলেছেন মানুষের অনেক চাহিদা থাকে। এই সব চাহিদা পূরণ করা হলে মানুষ কাজে উদ্দীপ্ত হয়। তিনি মানুষের সকল চাহিদাকে ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই পাঁচ প্রকার চাহিদা একটি নির্দিষ্ট ক্রমে কার্যকর হয়। সর্ব প্রথমে জৈবিক চাহিদাগুলো সক্রিয় থাকে। সুতরাং প্রেষণার প্রথম ধাপ হবে এই সব জৈবিক চাহিদা পূরণ করা। লো হলো: আহার, বাস্থান এবং লজ্জানিবারণের পোষাকআশাক। পরবর্তীতে যৌনতৃপ্তিকে এই পর্যায়ে অন্তুর্ভুক্ত করা হয়েছে। চাহিদার দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে নিরাপত্তর চাহিদা। জৈবিক চাহিদা পূরণ হওয়ার পর নিরাপত্তার চাহিদা সক্রিয় হয়। জৈবিক চাহিদা ও নিরাপত্তার চাহিদা - এই দুটি স্তরের পর ক্রমান্বয়ে সক্রিয় হয় সামাজি চাহিদা, মর্যাদার চাহিদা এবং আত্মোচরিতার্থতার চাহিদা। মাসলোর মতে নিম্নতর চাহিদা পূরণ না হলে উচ্চতর চাহিদা সক্রিয় হয় না। আবার একটি চাহিদা সর্বাংশে মিটে গেলে তা আর প্রেষণা সৃষ্টি করতে পারে না। মাসলোর তত্ত্বটি তাৎপর্যময় কিন্তু গবেষণা দিয়ে এটিকে প্রতিপন্ন করা কঠিন। তবে মাসলো যা উল্লেখ করেন নি তা হলো এই যে কর্মের ধরন এবং প্রতিষ্ঠানের কর্ম পরিবেশ শ্রমিক-কর্মচারীর প্রেষণা ব্যাপকভাবে প্রভাবান্বিত করে থাকে। এই বিষয়টি হার্জবার্গ তাঁর তত্ত্বে উপস্থাপন করেছেন।
 
==='''<ref>{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=প্রশিক্ষণও উন্নয়ন|শেষাংশ=উন্নয়ন|প্রথমাংশ=প্রশিক্ষণ|বছর=১ জুলাই ২০১৯|প্রকাশক=হক পাবলিকেশনস্ - এর পক্ষে জাহানারা হক|অবস্থান=৩৮ বাংলাবাজার (২য় তলা), ঢাকা - ১১০০|পাতাসমূহ=৪৫-৬১|আইএসবিএন=}}</ref>'''প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন (TRAINING AND MOTIVATION) ===
 
প্রশিক্ষণ হচ্ছে মানব সম্পদ উন্নয়নের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও কার্যকর হাতিয়ার । প্রাতিষ্ঠানিক কাজে মানবীয় সম্পদকে সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চাইলে তাদের দক্ষতা ও উপযুক্ততা থাকলেই চলবে না বরং কীভাবে তারা সেই দক্ষতা ও উপযুক্ততাকে প্রতিষ্ঠানের কাজে লাগাতে পারে সেদিকেও নজর দিতে হবে । মানব সম্পদ নির্বাচন ও নিয়ােগের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনাকে অনেক কিছুর সাথে আপােশ করতে হয় । এক্ষেত্রে একমাত্র প্রশিক্ষণই নির্বাচন ও নিয়ােগকালীন সীমাবদ্ধতাকে দূরীভূত করে উপযুক্ত মানব সম্পদ গঠন বা উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে । এ ছাড়া যত দ্রুত প্রযুক্তির পরিবর্তন ঘটছে পুরনাে কর্মীদের পুনঃপ্রশিক্ষণের প্রয়ােজন ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে । তাই নতুন পুরনাে সকল কর্মীর ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণ সমানভাবে প্রযােজ্য ।
=== কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন===
 
== কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা (SHRM) ==
কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বা স্ট্র্যাটিজিক হিউম্যনা রিসৌর্স ম্যানেজমেন্ট (Strategic Human Resource Management - SHRM) একটি নবতর ধারণা যার লক্ষ্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়-কৌশল অনুযায়ী মানব সম্পদ আহরণ, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা। কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তাত্ত্বিকদের অবস্থান এখনো সুপরিষ্কার নয়। কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা দাবী করে যে ব্যবসায় কৌশল এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা পারস্পরিকভাবে যুক্ত।
 
* [[কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র]]
* [[ফ্রেডারিক উইন্সলো টেলর]]
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
 
বেনামী ব্যবহারকারী